Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক: রাজু তালুকদার
[ NOTE– ইসাবে ত্রুটি থাকায় বিসাবটিতে অধিকাংশে ভাবানুবাদ করা হয়েছে। ]
কে রে শালা?
তোর জাতের মারে সুদি।
সাহসী ও অকুতোভয় এক বীর যোদ্ধা কোরিয়ার নাম্বার ওয়ান এজেন্ট: জুন।
ফেসবুকে অনুবাদক– রাজু তালুকদার www.facebook.com/tmraju11
হ্যালো, নিউজ ওয়াই থেকে আমি চো সো-বিন।
আজ উপস্থিত আছেন জনপ্রিয় ওয়েবটুন "এজেন্ট জুন" এর লেখক কিম সু-হুক।
হ্যালো, আমি ওয়েবটুন আর্টিস্ট কিম সু-হুক। [ওয়েবটুন: ডিজিটাল কমিক্স/কার্টুন]
- স্টুডিওতে আপনাকে স্বাগতম। - ধন্যবাদ।
এজেন্ট থেকে কমিক আর্টিস্ট,
"এজেন্ট জুন" কমিকটা তৈরিতে কে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছে?
আইডিয়াটা আমার মেয়ের ছিল।
আমাকে নিজের গল্প তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছিল।
ও আচ্ছা।
ও আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
তাই, মেইন ক্যারেক্টারকে একজন কমিক আর্টিস্ট বানিয়েছি।
আপনার মেয়ের উপস্থিত বুদ্ধিতে ফায়দাই হয়েছে!
জি হ্যাঁ।
বর্তমানে, সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা গুজব রটেছে যে...
আপনি নাকি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একজন এজেন্ট।
এটা কি আসলেই সত্যি?
আচ্ছা, তাই নাকি?
মোটেও এমন কিছু না।
জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
যেহেতু লেখকের সাথে সাক্ষাৎ হলো..
আর চাল-ঢাল জুনের সাথে বেশ মিলে যায়,
তাই বুঝতে পারছি কেন এমন গুজব ছড়াচ্ছে।
আসলে...
একজন কমিক আর্টিস্ট হিসেবে মানুষ আমাকে চেনার আগে...
অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি।
এমন কোনো কাজ নেই যা করিনি।
বলতে গেলে, ঠিক জুনের মতোই।
অনেক কঠিন কাজ করেছি।
জুনও করেছে, তবে...
পাশাপাশি,
আমার স্ত্রী ও মেয়ে,
আসলে.. মাফ করবেন,
তারাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
আসলে, জীবনে উন্নতি করতে হলে কষ্টের সম্মুখীন হতেই হয়।
আপনার পরবর্তী লেখার জন্য অনেক পাঠক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চান কি?
এটা 4B পেন্সিল যা স্কেচ আঁকতে ব্যবহার করি।
যাতে আমার শুরুটা ভুলে না যাই। তাই সবসময় সাথে নিয়ে চলি।
কমিকের প্রতি আমার ভালোবাসা ও আবেগ সর্বদা অটুট থাকবে।
"এজেন্ট জুন" এর দ্বিতীয় সিজন শীঘ্রই আসবে!
থ্যাংক ইউ, বন্ধুরা।
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
জুন!
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
জুন!
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
জুন!
....... H I T M A N 2 .......
[ তিন সপ্তাহ পর ]
জুন...
নাও খাও।
কোরিয়াতে ব্যবসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছ?
না।
পুরোনো কিছু হিসেব বাকি আছে।
ভালোবাসার ঋণ এমন এক ঋণ যা শোধ করা কঠিন।
অবশ্যই কোরিয়া যাওয়া উচিত।
রক্তের বদলা...
রক্ত দিয়ে চুকাতে হবে ওকে।
ধরো সবকটাকে!
এ বদ্দা।
কোথায় ভেগে যাচ্ছিস।
ঋণ আদায় করতে না এসেছিলি।
এখন থানায় চল সোনা।
আউ, ব্যথা করছে।
তোর সাউয়াতে দেখি হেব্বি কারেন্ট।
নাঙচুন্নির ছোল।
বেঙাচির মতো লাফাস নে।
কী হোগা ফেটে চৌচির সোনা। হ্যাহ?
আউ, আমার কনুই!
দাঁড়া মজা চাখাচ্ছি...
- হ্যাঁ, জুন। - ক্যাপ্টেন।
প্রদর্শনীতে আসতে ভুলবেন না, ওকে?
আরে মনে আছে।
আমার স্ত্রীর পরিচালিত প্রথম প্রদর্শনী, দেরি করবেন না।
আর খালি হাতে আসবেন না।
লে হালুয়া...
ঠিক আছে।
চোলকেও বলে দিয়েন।
বিচি ছিঁড়ে ফেলব শালা!
ঠিক আছে, বলে দেব।
ঠিক আছে, কাল দেখা হবে।
ক্যাপ্টেন, দেখেছেন কি? ঘুসিয়ে তক্তা বানিয়ে দিলাম।
ওই, নিজে যাও শালাকে!
গুদমারানির পোলা!
ক্যাপ্টেন, জুন ভাইকে এ ব্যাপারে জানানো উচিত, তাই না?
কেন?
যদি কোনো জানোয়ার বা গুন্ডা তাকে মেরে ফেলে, তখন?
এরপর কী হবে কে জানে?
- চোল। - জি?
জুন এখন মামুলি একজন মানুষ।
স্রেফ একজন আর্টিস্ট।
কিন্তু পরের বার যদি এর থেকেও বড় বিপদ আসে তবে?
আমরা ওকে রক্ষা করব।
জুন ওর স্বপ্নের জীবন কাটাচ্ছে।
সব সপ্ন ভেঙে দিতে পারি না।
জুন যা চায় তাই করুক।
ক্যাপ্টেন...
কিরে?
বগলের এত দূর্গন্ধ কেন?
- ধ্যাত জঘন্য... - ক্যাপ্টেন!
ক্যাপ্টেন!
- চিয়ার্স! - চিয়ার্স!
খাও, সোনা।
তুমি সত্যিই অপরুপ!
কী?
মদ গেলা অবস্থায়ও অপরুপ লাগে।
আজ অনেক খুশি আমি।
জব কেমন চলছে? ভালো লাগছে?
হ্যাঁ।
কাজ করতে ভালোই লাগছে, কলিগরা অনেক ফ্রেন্ডলি।
প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা করাও একটা আর্ট।
- এটা এত পছন্দ, হ্যাহ? - হ্যাঁ।
অনেক পছন্দ আমার!
তোমার সাপোর্টের জন্য ধন্যবাদ, যা চাই তা করতে পারছি।
আমার প্রিয়তম জীবনসঙ্গী, আর্টিস্ট কিমকে ধন্যবাদ।
- থ্যাংক ইউ, সোনা! - চিয়ার্স!
আমার জান পাখিটা!
- গা-ইয়ং! - এসে গেছিস।
- এখানে আয়। - মুরগির রোস্ট খা।
না, খিদে পায়নি।
জুশ পান কর, তাহলে?
রুমে গেলাম, অনেক কাজ আছে।
র্যাপ গান লিখতেছিস?
আরো শিখতে হবে।
তোর কি কোনো সপ্ন নেই?
র্যাপ গান তো তোর পছন্দ।
বাবার মতো স্বপ্নের পিছনে ছুটতে শেখ।
হৃদয়ের সকল আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ কর।
গিয়ে পড় তাহলে, গা-ইয়ং।
আরে থামো তো।
বয়ঃসন্ধিকালের প্রভাব, হ্যাহ?
মূল্যবান সময় ব্যয় করে এই অনুষ্ঠানে আসায় সকলকে ধন্যবাদ।
আজকের প্রধান চরিত্র লেখক ইউ জে-ইয়নের সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দিতে চাই।
হ্যালো, আমি ইউ জে-ইয়ন।
আজকের আবহাওয়া অনেক মিষ্টি, এখানে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা।
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি অনেক মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ।
আমার বউ দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী।
আমার পুরো জীবনে এমন সুন্দরী কাউকে দেখিনি।
তোমাকে অনেক কষ্ট দেওয়ায় স্যরি।
না, জানপাখি।
আমি ভালো আছি। এত বেশি চাওয়া-পাওয়া নেই।
সিম্পল, জোশ একটা বউ।
- কী করছ এসব? - একখান চুম্মা দাও।
আরে!
গা-ইয়ং...
কতক্ষণ আগে এসেছিস?
মাত্রই এলাম।
মিস মি-না!
- ঠিক আছেন, স্যার? - হ্যাঁ, ঠিক আছি।
প্রদর্শনীর জন্য অভিনন্দন।
টিস্যুর জন্য ধন্যবাদ। এত কেন?
এতো সামান্য কিছু।
অনেক লোকজন এসেছে, প্রদর্শনী অবশ্যই সফল হবে।
থ্যাংক ইউ।
ক্যাপ্টেন, লজ্জায় শেষ আমি।
নতুন বাসায় উঠতেছি নাকি? এত টিস্যু এনেছেন কেন?
- প্রয়োজন হতে পারে, তাই না? - থ্যাংক ইউ, স্যার।
- বড় ভাই! - হাই, আংকেল!
- ঠিক আছ তুমি? - হ্যাঁ।
এত অসচেতন হলে চলে।
কিছু টিস্যু পেপার এনেছি, নিন ভাবি।
এত আনতে গেলে কেন?
অনেক লোকজন এসেছে, প্রদর্শনী অবশ্যই সফল হবে।
হ্যাঁ, থ্যাংক ইউ।
দু'জনে একই বাকোয়াস ডায়লগ মারতেছে, আজব...
- কী? - কী?
- বাকোয়াস ডায়লগ? - অকৃতজ্ঞ হারামি!
নিশ্চয়ই অনেক দামি এগুলো!
একদম ঠিক বলেছেন!
হ্যালো।
ইনি আমাদের প্রদর্শনীর পরিচালক।
আমি জিওন হে-ইন।
আচ্ছা।
দাঁড়ান আমি আসতেছি।
- আপনার দু'জন কথা বলুন। - আচ্ছা।
শুনেছি মিস মি-না'র স্বামীর খুব ভালো বন্ধু আপনি।
ক্লোজ বলতে পারেন। তবে ছোট ভাইয়ের মতো।
আপনিও কি একজন আর্টিস্ট?
আরে না। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক।
কোন সাবজেক্টের?
- প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা। - প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা?
দেখতে হ্যান্ডসাম আর পরিপাটি।
জি।
এমন চালচলনের সাথে, স্টুডেন্টরা নিশ্চয় অনেক পছন্দ করে।
আপনার স্ত্রী অনেক কেয়ার করে মনে হচ্ছে।
আমি আসলে সিঙ্গেল।
ডিভোর্সড?
আসলে এখনো বিয়ে করিনি।
সত্যি! কীভাবে সম্ভব?
দেশের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি।
সত্যি!
আপনি সত্যিই মজার লোক।
চুলগুলো অনেক সিল্কি...
একটা টাই পরলে সুন্দর লাগতো...
পরের বার, টাই পরিয়ে দেব।
সৌন্দর্যের প্রশংসা কীভাবে করতে হয়, জানতে এই অধমকে মনে করবেন।
আচ্ছা...
আমি হলাম সৌন্দর্যের পূজারী।
কল করবেন কেমন!
বাপরে, এটা আবার কেমন আর্ট?
কোন বেকুব এটা এঁকেছে?
পিকাসো একদা বলেছিলেন, রাফায়েলের মতো ছবি আঁকতে তাঁর ৪ বছর সময় লেগেছিল।
কিন্তু আজীবন শিশুর মতো ছবি আঁকতে আঁকতেই কাটিয়েছেন তিনি।
আপনি আর্টে আগ্রহী মনে হচ্ছে?
এই যে?
- আই লাবিউ জান। - কী?
- কী বললেন? - হ্যাহ?
না, ইয়ে মানে...
স্যরি! স্যরি! হঠাৎ করে পড়ে গেছে...
ক্ষমা করবেন, হাত ফসকে গেছে...
সমস্যা নেই, মিস্টার হ্যান্ডসাম।
আমি জিওন হে-ইন।
ধুয়ে সাফ করে, আপনাকে ফিরিয়ে দেব।
কল করবেন কেমন!
আই লাবিউ জানেমান...
পিয়ের জিন বললেন?
হ্যাঁ। তিনি একজন বিখ্যাত কালেক্টর।
আচ্ছা।
ওনার কালেকশন সত্যি অসাধারণ।
আন্তর্জাতিক সব বিখ্যাত জাদুঘরের তুলনায়।
তাহলে, পিয়ের জিন...
তাঁর আর্টগুলো প্রদর্শনীতে প্রদর্শন করবেন, তাই তো?
মিস মি-না!
হ্যাঁ!
এটা আমাদের প্রদর্শনীর ভিআইপি অতিথিদের জন্য।
ঠিক আছে।
সব কাজ যত্ন সহকারে দেখব।
তাই চিন্তা করবেন না।
কে কে আবার জুনের পিছনে লাগতে চাচ্ছে, নাম বল?
অনেকে আছে, কয়টা বলব?
নাম বল, বেহেনচোদ!
না বললে কী করবি শালা?
ওরে চুতমারানির পোলা!
পোঁদে গরম রড গুঁজে দেব, ছটফটিয়ে মরবি!
[ মিস হে-ইন ] কী খেতে পছন্দ করেন?
সুশি খেলে কেমন হয়?
পরিচিত একটা রেস্টুরেন্ট আছে।
আমার পেট খারাপ, মদ খেলে কেমন হয়?
কী?
- মদ পছন্দ করেন না? - হ্যাঁ অনেক পছন্দ!
বস, পাঠিয়ে দিয়েছি এটা।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
চেক করে, পোস্ট করে দেব।
- ঠিক আছে, বস। - হুমম।
- আরে দাঁড়াও, লেখক কিম... - জি?
না, কিছু না, ভালো কাজ করছ।
নিশ্চয়ই রাত জেগে কাজ করেছ, একটু ঘুমিয়ে তারপর অফিসে এসো।
অফিসে?
ঠিক আছে, বস।
ঠিক আছে, বাই।
ঠিক আছেন, বস?
শুরু করো বাড়া!
খেদমতে হাজির!
পাল্টা আক্রমণ! এই নে।
এখানে ঢুকতে হলে কলিজা লাগে, এজেন্ট জুন।
ধুর শালার...
জুন, তুমি একা নও।
ক্যাপ্টেন?
আমরা এখান থেকে হেল্প করব।
শিল্ড প্রজেক্টের গোপন অস্ত্র, কে-২০০২!
সিগন্যাল পাঠাও।
কে-২০০২ এক্টিভের জন্য অনুমতি দেওয়া হলো।
সেন্ড করা হলো!
কে-২০০২, ফায়ার!
শিল্ড প্রজেক্টের গোপন মারণাস্ত্র...
প্রফেসর, তোর খেল খতম!
আকাশকুসুম চিন্তা করিস না।
আমার বালটাও ফালাতে পারবি না।
নিজেকে আইনের হাতে তুলে দে।
অনেক দিন পর দেখা, জুন।
ক্যাপ্টেন, এখানে হেল্প লাগবে।
জুন, সংযোগ বিচ্ছিন্ন...
- কে-২০০২... - ক্যাপ্টেন!
- জান বাঁচিয়ে পালাও... - ক্যাপ্টেন!
প্রিয়জনের সাথে কথা বলছিস?
শিল্ড প্রজেক্ট ধুলোয় মিশিয়ে দেব!
আমাকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস করলে জিন্দা পুঁতে ফেলি।
ক্যাপ্টেন...
শিল্ড প্রজেক্ট...
তোকে ছাড়ব না শয়তান!
কেবল তোর কাছেই যে স্পেশাল পাওয়ার আছে তা না, জুন।
হিবিস্কাস ফ্লাওয়ার্স ব্লুম!
প্রফেসর, আমাকে সামলাতে দিন...
আহারে বেচারা।
হ্যাহ?
পরবর্তী পর্ব আগামী সপ্তাহে...
- ভাভাগো ভাভা... - ওয়াও, একদম বাকোয়াস!
যত্তসব গাঁজাখুরি গল্প!
- ভালো লেগেছে তোর? - ধোন বানাইছে বাইনচোদ!
একদমই বাজে!
তাহলে দেখছিস কেন?
কমেন্টসগুলো বিনোদনে ঠাসা।
পরবর্তী পর্ব আগামী সপ্তাহে...
বাবা হু হু, খুইলা দেখি গু।
দিনদিন আরো বাজে হচ্ছে এটা!
গাঁজাখুরি গল্প বানানোয় লেখককে অস্কার ছুড়ে মারা হোক!
এসব গু বানানো বন্ধ করো!
কী খবর ভাইলোগ!
সবাই দেখি ব্যস্ত।
হ্যালো!
- বস। - এসে গেছ তাহলে!
জি, হ্যাঁ।
জরুরি কথা আছে।
সবাই দেখি অনেক ব্যস্ত।
তোমার গল্পের কারণে।
প্রকাশনা বন্ধ করব?
মজা করছেন?
১ম সিজনেই ইতি টানা উচিত ছিল।
তা কেন?
কমেন্টসগুলো পড়োনি, তাই না?
এখনো না।
আজ সব পড়ব, তারপর কিবোর্ড যোদ্ধাদের শায়েস্তা করব।
সব শালার পুঙ্গি বাজাব!
দেখান তো দেখি!
- আরে... মাথা ঠান্ডা করো... - চুদির ভাইয়েরা...
রেগে গেলে তো হেরে গেলে।
বসো। বসো।
আরে বসো তো।
জানি তুমিই এজেন্ট জুন।
তাই ভয়ে কথা বলতে সাহস পাচ্ছি না।
কমেন্টসগুলো আসলে...
বাকোয়াস ছিল।
কিন্তু আয় ভালোই হয়েছে, তাই না?
মানের উপর আয় নির্ভরশীল নয়।
কিন্তু জানো কি?
তারা আদতে তোমার গল্পের সমালোচনা করতে চায়।
তাই সমালোচকদের উচিত জবাব দিতে হবে!
বুঝেছ কি?
শালারা আরামে বসে কমেন্ট মারাচ্ছে?
পাপই সবকিছুর হিসেব দেবে।
এখন গল্প যতই ভালো হোক না কেন, কেউ এটা দেখবে না।
জলদি এটা খতম করো, তারপর নতুন একটা আঁকা শুরু করো।
ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করো।
- বস। - হ্যাঁ।
বেতনটা অগ্রিম পেতে পারি কি?
অগ্রিম বেতন, কেন?
মজা করতেছ আমার লগে?
কপাল ভালো যে তোমার বেতন এখনো কাটিনি!
আপনি বলায় স্টক কিনেছিলাম! সব ভেস্তে গেছে!
আরে চুপ!
খালি কাজ করে যাব, মাইনে দেবেন না!
আমি ঋণে পড়েছি!
চুপ করো তো। চাও সবাই এসব শুনুক, হ্যাহ?
আমি বাড়ি বন্ধক রেখেছি, বউ জানলে তালাক দিয়ে দেবে।
তো কী করব? বলেন?
ডিভোর্স এতই সোজা? বললো আর ডিভোর্স দিয়ে দিল!
আমারও নাজেহাল অবস্থা!
আমিও বাড়ি বন্ধক রেখেছি, ক্রেডিট কার্ডের টাকা খরচ করেছি।
বউ জানলে, জেলের ভাত খাওয়াবে!
ভয়ে বাড়িতে খেতেও যাই না।
কেন?
বউ যদি বিষ খাইয়ে দেয়!
জীবনটা ধ্বংস হয়ে গেছে।
এখন কী-বা করব?
কীভাবে বিশ্বাস করা যায়...
- হ্যালো, জানু? - কী?
বড় প্রদর্শনীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
বাসায় ফিরতে দেরি হয়ে যাবে।
গা-ইয়ংকে আনতে যাবার কথা মনে আছে তো?
তোমায় নতুন বোর্ড বানিয়ে দেব, জোশ ফিরিয়ে আনতে!
সব ঠিক হয়ে যাবে, চাপ নিয়ো না।
আমাদের খুব বেশি ঋণ নেই।
তাছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি বা স্টক খেলে দেউলিয়া হওয়ার পর্যায়েও পৌঁছাইনি।
তাই না?
এত বেশি চিন্তা করো না।
তোমার উপর বিশ্বাস আছে!
ঠিক আছে? আত্মবিশ্বাস রাখবে!
হুমম...
ও ভাবছে ওর জীবনটা ধ্বংস হয়ে গেছে।
ওয়াও, সব দেখি বড়লোক পোলাপাইনদের গাড়ি।
হালকাভাবে নেওয়া যাবে না।
আরে গা-ইয়ং...
- এই গা-ইয়ং! - ওহ ঈশ্বর!
ওরে বাত্তামিজ ছোকরা!
- ক্লান্ত লাগছে? - হ্যাঁ।
ওরে শালা...
শালা পুঁচকে বান্দর...
এদিকে এসো...
গা-ইয়ং...
গা-ইয়ং...
ছোটলোকের বাচ্চাকে মেরেই ফেলব।
- কী হলো? - না, কিছু না।
- চলো যাই। - আচ্ছা।
গেলাম তাহলে।
আচ্ছা।
- কাল দেখা হবে! - আচ্ছা।
ঠিক আছে, বাড়ি যা।
গা-ইয়ং!
একসাথে রামেন খাবে কি?
রামেন? না করে দে!
ঠিক আছে।
মালটাকে গায়েব করতে হবে।
- খুব ট্যাস্ট, তাই না? - ঠিক বলেছ।
- কিমচির সাথে খাও। - আচ্ছা।
আমি অন্য কারো মতো নই। নিজের খাই নিজের পরি, নিজের মতো চলব।
পুরাই ঝাক্কাস।
কেমন হয়েছে?
পড়তে এত ভালো লাগে?
হ্যাহ?
ভালো লাগে না, তবুও পড়াশোনা করতেই হবে।
পড়াশোনাই একমাত্র লক্ষ্য নয়, আমার র্যাপ করতে ভালো লাগে।
র্যাপ করার কথা কখনো ভাবিনি।
এটাকে স্রেফ একটা শখ মনে করি।
শখ আবার কী? লেগে থাকলে হিপহপ কিং হওয়া যাবে।
সবকিছু বাজি ধরার সাহস না করলে, কীভাবে র্যাপ করব আমরা?
"এজেন্ট জুন" ওয়েবটুন সম্পর্কে জানো কি?
কী?
আহ, ওই কমিকটা, দ্বিতীয় পার্টটা সত্যিই জঘন্য!
এক্কেবারে গু মার্কা বানিয়েছে!
এক্কেবারে গু মার্কা?
চুদে পাছার ছাল তুলে ফেলব শালা!
আমার বাবাই এটার লেখক।
স্যরি, আসলে গল্পটা সুন্দর আছে...
না ঠিক আছে।
ঠিকই বলেছ।
বাবার ওয়েবটুনটা আসলেই জঘন্য।
গা-ইয়ং...
তুইও বললি?
বাবার সময় শেষ, হাতে আর জাদু নেই।
না, হাতে এখনো জাদু আছে!
বাবার কথা এভাবে বলছ কেন?
বাবা সৃজনশীল ধ্যান-ধারণা খুইয়ে ফেলেছে।
বাস্তবতা মেনে নিতে হয়।
তিনি খুব উতলা, কিন্তু বলার মতো আর কোনো গল্পই নেই।
তাঁর কারিশমা ফুরিয়ে গেছে।
গা-ইয়ং... বেশি হয়ে যাচ্ছে...
শোনো...
বিয়ের পর থেকে, মাকে অনেক চড়াই-উতরাই পার করতে হয়েছে।
অবশেষে, মা তার পছন্দের জায়গায় কাজ করতে পারছে।
মাকে আর সংসার চালাতে দেব না।
এখন আমার দ্বায়িত্ব নেবার পালা।
মন দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে।
বুঝতে পেরেছি এখন।
আমার গা-ইয়ং...
মা, লোকটাকে দেখো, পাইপ ধরে ঝুলে আছে?
সত্যিই তো, ঝুলে আছে।
অবিশ্বাস্য কারবার...
ওখানে উঠলো কীভাবে? এতো একটা চোর!
ধ্যাত, বালের মাথা...
কে রে বাল?
আমি?
আমি হলাম আজরাইল। পাপীদের শাস্তি দিতে জমিনে এসেছি।
কেমন লাগবে যখন পাপের সীমা ছাড়ালে জান কবজ করব?
তবে সব পাপীকেই শাস্তি দেই না।
হ্যাহ?
একদিন তো পাপের সীমা ছাড়িয়ে যাবি।
- বুঝেছিস বে? - বুঝলাম না।
- বুঝেছিস ব্যাটা-শালা? - হ্যাঁ, বুঝেছি।
আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠ, তারপর কাউকে রামেন খাওয়াস।
মালটা এলো কোত্থেকে...
গা-ইয়ং, বাবা এসে গেছে।
বাবাকে কিছুই বললি না যে?
বাড়িতে স্বাগতম।
বাবার দিকে তাকিয়ে বল!
বলেছি তো, বাবা।
বাবাকে কি কিছুই বলার নেই?
কী বলতে চাচ্ছ?
ওই ছেলেটার ব্যাপারে।
ওর চাল-চলন পুরাই বাজে।
বাবা বাদে, সব ছেলেরাই খারাপ!
এমনটা বলছ কেন, বাবা?
ওর চাল-চলন খারাপ।
মদ খেয়েছ, বাবা?
যদি কেউ রামেন খেতে দাওয়াত করে, একদমই যাবি না।
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর...
না, রামেন খাওয়াই বন্ধ করে দে।
- বাবা। - হ্যাঁ।
- আমার উপর নজর রাখছ? - না তো।
আমি তো বড় হয়েছি নাকি!
- বিষয়টা সত্যি অস্বস্তিকর। - কী হলো?
তুমি অনেক খারাপ, বাবা।
- বেরিয়ে যাও রুম থেকে। - আরে দাঁড়া...
বেরিয়ে যাও বলছি।
বাবা বাদে, সব ছেলেরাই খারাপ!
বদমাইশটা বান্দরের পশমের মতো বাদামি কালার করেছে।
ও খারাপ না!
তোমার গল্পগুলো সব জঘন্য, বাবা।
বাবার কোন গল্পটা জঘন্য?
আমার সময় এখনো শেষ হয়নি।
বাবা তোকে দেখিয়ে দেবে।
দাঁড়া তবে...
মাথায় কিছুই খেলছে না।
গোবর ভরা মাথা, আঁকার মতো গল্পই পাচ্ছি না!
লিখতে গেলে ভুলে যাই...
জুন...
কে রে তুই শালা?
শুভ অপরাহ্ন!
আহ। পালাতে পারবি না!
ধরো চোদনাকে!
ওই, ছয়জন মিলে একজনকে ধরতে বন্দুক লাগে?
ব্যস ধরো ওকে!
দেওক-কিউ ওপ্পা, গুড নাইট...
গুড নাইট ঠু, হে-ইন...
খাতাম!
চলুন একসাথে খেতে যাই! আপনার জ্যাকেটটা ফেরত দেব!
দয়া করে রিলাক্স করুন, মনকে শান্ত করুন, দুঃখকে ভুলে যান।
নিঃশ্বাস নিন, হাত উপরে তুলুন।
নিঃশ্বাস ছাড়ুন।
বস, গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার আছে।
একটু অপেক্ষা কর।
জি।
স্যার, দু'জন সন্ত্রাসী আমাদের দেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে।
বাহ বাইঞ্চোদ...
এখন বলছিস কেন?
- বলতে চেয়েছিলাম তো... - জলদি বল।
দেওক-কিউ এবং চোল তাদের হেপাজতে নিয়েছে।
এত সন্ত্রাসী পয়দা হচ্ছে কোত্থেকে? সবকটাকে তো ধরেছিলাম।
সব দোষ এই শালা জুনের।
বালের ওয়েবটুন বানিয়েছে, এখন টিভিতেও আসতেছে।
জগাখিচুড়ি পাকিয়েছে, তাই না?
ওই, জুনের উপর নজর রাখছিস তো?
জি, জোঁকের মতো লেগে আছি, বস।
ফলো করা হচ্ছে কেন?
বস, জুনের পরিবার বিপদে নেই!
ঠিক বলেছে, জুন এখন মামুলি একজন মানুষ।
আমাদের ওকে রক্ষা করতে হবে।
মামুলি একজন মানুষ?
- কিংবদন্তি এক ঘাতক। - এখনকার কমিকের গল্পগুলো দেখুন।
ওকে হেপাজতে নিতে চাচ্ছি।
কী?
এটা আসলেই অন্যায়।
অন্যায় হবে কেন?
ও যা করেছে তার কাছে এটা কিছুই না।
জুনকে না হটালে, সন্ত্রাসী গ্রুপ দেশে ঢুকতেই থাকবে!
বস, ভুল বুঝতেছেন।
সন্ত্রাসীরা যা করেছে তার সাজা জুনকে দিবেন কেন?
বস! ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন!
জুনের কমিক এখন আর জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।
কী বললে?
এজেন্ট হিসেবে ওর অতীতের গল্প আর প্রকাশ করে না।
এখন যা কিছু আঁকে তা পুরোপুরি কাল্পনিক গল্প।
হিবিস্কাস ফ্লাওয়ার্স ব্লুম!
ওয়েলকাম, মিস্টার পিয়ের জিন।
দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বাগতম।
- ফ্রেঞ্চও বলতে পারো? - আপনি কোরিয়ানও জানেন?
আমার অনুবাদকের দরকার নেই।
বাঁচলাম, খুব টেনশনে ছিলাম।
স্প্যানিশ জানি তাও সামান্য।
আর কোরিয়ান ভাষা জানি।
- কোরিয়ান জানলেই যথেষ্ট। - থ্যাংক ইউ, স্যার।
ইনি মিস লি মি-না, এই প্রদর্শনীর দায়িত্বে আছেন।
আমি লি মি-না।
পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।
আমারও ভালো লাগলো।
আপনি কি ধরনের প্রদর্শনী চান?
খুবই স্পেশাল হবে এমনকিছু।
কারণ এই প্রথম আমার সন্তানদের দেখাতে আনব।
কোনো সাজেশন দিতে চান কি?
আপনার অনুরোধের ভিত্তিতে তদারকি আর প্ল্যান করব, পিয়ের জিন সাহেব।
তোমার হাসবেন্ড কী করে?
সে একজন কমিক আর্টিস্ট।
আর্টিস্ট তাহলে...
সে অনেক হ্যান্ডসামও বটে।
কী যে বলেন...
লেউরা শালা।
- "লেউরা" আবার কী? - এটা ফ্রেঞ্চ শব্দ।
মানে হলে "পুরাই জোশ"।
এটা তাহলে ফ্রেঞ্চ। আমি তো ভেবেছিলাম...
প্রদর্শনী এরিয়া এদিকে।
মিস হে-ইন। মিস হে-ইন! এখানে!
- অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছেন বুঝি? - না, সবে তিন ঘন্টা হয়েছে।
জলদিই এসে গেছেন।
ব্যায়াম করছিলাম, টাইমই দেখিনি।
ব্যায়াম করা তো ভালো, নারীদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
বাইরে ঠান্ডা ছিল তাই জ্যাকেটটা পরেছিলাম।
ধুয়ে সাফ করেছি কিন্তু আবার পরলাম, রাগ করেননি তো?
এনেছেন এতেই খুশি, রাগ করব কেন।
থ্যাংক ইউ, মিস হে-ইন।
টয়লেটটা...
ঠিক ওদিকে।
- এক্ষুণি আসছি। - আচ্ছা।
জলদি আসবেন, আচ্ছা!
প্রফেসর চিয়ন দেওক-কিউ?
আরে শালা পাগলা প্রফেসর...
আপনার সাথে প্রতিটা মুহূর্ত কাটাতে অনেক ভালো লাগে।
ক্ষমা করবেন।
গপগপিয়ে খেলে ঢেকুর আসে।
আপনি আসলেই মজার।
একটু দাঁড়ান।
টা-ডা!
বলেছিলাম আপনাকে একটা টাই পছন্দ করে দেব।
ওহ, হ্যাঁ...
ঘাড়টা এদিকে আনুন।
আচ্ছা।
মিস হে-ইন!
ওহ, মিস্টার চোল।
এখানে কী করছেন?
প্রায়ই এখানে আসেন নাকি?
আপনি হঠাৎ এখানে যে?
মদ খাব এখন মিডনাইট। মাঝেমধ্যেই এখানে আসা হয়।
- চলুন একসাথে পান করি! - অবশ্যই।
কোনো আপত্তি আছে?
সমস্যা নেই।
আপনি স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করছেন, তাই না?
হ্যাঁ, ডক্টরেট থিসিসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আপনি অনেক জোশ।
এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে, আপনিও খুব পরিশ্রম করেছেন, তাই না?
হ্যাঁ, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করা মোটেও ছেলেখেলা নয়।
জরুরি কল রিসিভ করতে হবে।
- আচ্ছা। - আচ্ছা।
- সাবধানে যান। - সাবধানে।
সবসময় তো সস্তা সজু পান করিস, হারামি। দামি মদ খাওয়ার টাকা পেলি কই?
আমরা তো দু'জনেই সৈনিক, তাই না?
নিজেকে কী বলেছেন, একজন প্রফেসর?
আমার হেডার প্রফেসর!
কাজের সময় সম্মান দেব, ভালোবাসায় কোনো ছাড় নাই।
ওরে হারামি, লোকেশন ট্র্যাক করছিস?
দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজের স্বার্থকে বড় মনে করলি!
কোথায় মানবতা? কোথায় সততা?
তোর বাবা-মা এসব দেখলে ঘৃণা করত!
সেটা আমি বুঝব!
আমার জানপাখিকে আপনার মতো শয়তানের হাত থেকে বাঁচাচ্ছি ব্যস।
আহারে, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকাই মনে হয়!
কী বললি নিমকহারাম?
আপনার মতো বুইড়া বেডার লগে তাকে কীভাবে মানায় বলেন?
ভালোবাসা অন্ধ হয় বুঝলি!
আমার ভালোবাসা চাই। বয়স অলরেডি ৪০ এর বেশি হয়েছে!
বুড়ো ধামড়ার ভালোবাসা লাগবে!
এতদিনে বিয়ে করলে, তার মতো একটা সুন্দরী মেয়ে থাকতো।
বাঘ বুড়ো হলেও শিকার ছাড়ে না, বুঝলি?
তুই কী বাল ফালাইছোস জীবনে?
ওহ, এসে গেছেন!
ওমা, আপনাদের দু'জনকে দেখতে প্রায় একই রকম লাগে।
- সত্যি? - সত্যি?
- একই রকম লাগে? - একই রকম লাগে?
জন্ম তো ব্যস ক্ষণস্থায়ী!
কর্ম চিরকালের জন্য।
আমি পারবই।
অতীত মুছে ফেলে, ভবিষ্যৎ আঁকব।
কলম পুরো দুনিয়া বদলাতে সক্ষম।
কলম পুরো দুনিয়া বদলে দেবে।
ওদের একজন হয়ে ভাবলে কী দাঁড়াবে?
নতুন এক যুগের সূচনা হবে।
এমন এক দুনিয়া যেখানে কেউ প্রতিপক্ষ হবার সাহস করবে না।
তবে টাকার কারণে করবে।
বড় বড় কোম্পানির নতুন পণ্যের গোপন তথ্য ফাঁস...
টোপ হিসেবে কাজে লাগাবে।
সরকারি বা বেসামরিক সংস্থার তুলনায়, টার্গেটকৃত কোম্পানির বেলায় সমস্যা কম হবে।
অস্ত্রশস্ত্র সহ ডাকাতিই ভালো হবে।
দক্ষিণ কোরিয়াতে অস্ত্র কমই দেখা যায়, অস্ত্র থাকলে জয় নিশ্চিত।
মোটেও আকর্ষণীয় লাগছে না।
সবাইকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
প্যাকেজের মধ্যে টাইম বোমাটা রেখে উড়িয়ে দেবে!
একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল।
আরেকটা উপায় আছে।
ফায়ার অ্যালার্ম বেজে উঠলে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের ট্রাক মোতায়েন হবে।
তাই...
এতে অনুপ্রবেশ করা সহজ হবে।
এভাবে বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করলে কেউ সন্দেহ করবে না।
কারণ তারা দমকলকর্মী।
ডেটা কপি করে সার্ভার ধ্বংস করবে...
তারপর চড়া দামে বিক্রি করবে...
জুন দেরি করে ফেলেছে...
সন্ত্রাসীরা এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।
খাতাম!
এইতো, এবার হয়েছে "এজেন্ট জুন" এর মতো জব্বের গল্প।
জোশ, পুরাই ফর্মে ফিরেছ।
ভালো হয়েছে!
[ এডিটর ইন চিফ– পার্ক কিউ ]
যাইহোক, একটা কথা জানতে চাই।
গল্পের পুরোটাই কি কাল্পনিক?
ন্যাড়া বেলতলায় কিন্তু একবারই যায়!
১০০% কাল্পনিক।
সত্যি? ভয়ই পেয়ে গেছিলাম।
এই গল্পটা অনলাইন দুনিয়াকে পুরাই কাঁপিয়ে দেবে।
ক্যারেক্টারগুলো বাস্তব লাগছে।
পাঠকদের খুব ভালো লাগবে।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
এবার জমবে খেলা!
চটকদার হয়েছে, তাই না?
পুরাই পাঙ্খা হয়েছে।
সত্যি বলছিস?
জানিস আর্টিস্টদের সবচেয়ে বড় ইচ্ছা কি?
কী, স্যার?
তারা কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে চায়।
- লেখক অবশেষে ঘিলু খাঁটিয়েছে। - লেখক কিন্তু কমেন্টস পড়ে।
- কিম বদ্দা, আমরা ফিরে এসেছি। - পুরাই স্যাটা ভাঙ্গা হয়েছে দাদা!
যে শালা গু বানায় তারও গু-ই পছন্দ।
এক টাকাও আয় করতে পেরেছে কি? কখনো কি প্রেম করেছিস?
আমি ফেরারি চালাই। দিনে কয়েক লক্ষ টাকা কামাই।
তোর বাবা-মার জন্য খারাপ লাগছে। দেখা করতে মন চাচ্ছে।
তারা নিশ্চয়ই তোর উপর হতাশ। শালা পোঁদমারানির ছোল!
প্রতিভা না থাকলে, আগে শিখ শালার পুত। ভিউ পাবার জন্য ভিক্ষা চাইবি না।
বেহেনচোদ, আমার বাবা-মা মারা গেছে।
তাদের টেনে আনতেছিস কেন!
দাঁড়া আমি আসতেছি!
একবার ঠিকানা খুঁজে পেলে, তোর কেচ্ছা খতম!
ভেরি হ্যান্ডসাম গাই?
তোর খেল খতম এবার।
দাঁড়া আসতেছি।
ভেরি হ্যান্ডসাম গাই, আজেবাজে কমেন্ট করিস!
তুমি "ভেরি হ্যান্ডসাম গাই" না?
লেখক কিম সু-হুক?
কেউ পরোয়া করে না।
না আছে ভালোবাসা, না আছে বন্ধু...
তোমার বাবা-মা কোথায়?
দু'জনেই সারারাত কাজ করে ভোরে বাসায় ফিরেন।
তারাও আপনাকে টিটকারি মারে।
খেয়াল করেছেন হয়তো, কমেন্টে যখন কেউ...
টিটকারি মারে তখন কেমন লাগে।
এমনকি এমনও...
তবুও ছদ্মনাম ব্যবহার করে কারো নিন্দা করতে পারো না।
অন্যেকে এভাবে উত্যক্ত করা অমানবিক কাজ।
পিলিজ খমা করে দিন।
আমার ভুল হয়েছে!
- কিন্তু লেখক আংকেল... - কী?
এখানে কি শাস্তি দিতে এসেছেন?
বাবা-মা আসার আগেই বরং চলে যান।
- আচ্ছা তাই? - হ্যাঁ।
গেলাম তাহলে।
আংকেল...
আপনি তো বড় মানুষ, দরজা দিয়ে যান।
- আচ্ছা তাই? - হ্যাঁ।
থ্যাংক ইউ, ছোট।
- একটু দাঁড়ান। - হ্যাঁ?
রাস্তায় খেয়ে নিয়েন।
থ্যাংক ইউ, ছোট।
"এজেন্ট জুন" গল্পটি আমার ছোটবেলা থেকেই খুব পছন্দের।
নতুন পর্বটা সত্যিই ভালো হয়েছে।
মন থেকে বলছি...
অযথা সময় নষ্ট করার চেয়ে সবচেয়ে ভালো কী জানো?
নিজের জন্য সময় ব্যয় করা।
- বাইরে যাও। বন্ধু বানাও। - আচ্ছা।
কিছু করে দেখাও, টাকা কামাও।
- কিন্তু আমার তো... - কী বললেন?
বাদ দাও, গেলাম।
আচ্ছা।
পজিশনে আছি, বস।
তৈরি হও।
ভাগো!
ডাইনলোড কমপ্লিট।
আজকের আগুন কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ইচ্ছাকৃত বোমা হামলা।
পুলিশ জানতে পেরেছে সন্ত্রাসীরা উন্নত এআই প্রযুক্তি হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী উন্নত এআই প্রযুক্তি চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে যাওয়া আগুন ২০ মিনিট পর নিভানো সম্ভব হয়েছে। এই হামলায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
লেখক কিম কি আদৌও আর্টিস্ট নাকি একজন সন্ত্রাসী?
ওয়েবটুনের গল্পের সাথে হামলা মিলে যাচ্ছে। খুবই কাকতালীয়, তাই না?
লেখক কিম?
হ্যাহ?
গা-ইয়ং! জরুরি কথা...
কী হয়েছে?
আমার মতে, লেখক কিমই এই হামলার মূল হোতা।
সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেছে সে।
ক্যাপ্টেন, এসবের পেছনে কি জুন ভাইয়ের হাত আছে?
জুন একটু তারছিঁড়া, তবে পাগল না।
জুন জানে এজেন্সির ক্ষতি হলে, একূল ওকূল দুই কূলই হারাবে।
ধ্যাৎ মাদারচোদ!
জুন, জুন! শাউয়ার বেটা!
খানকির পোলা জুন! ওই।
শালাকে ওয়ান্টেড লিস্টে রাখো, তারপর এখানে টেনেহিঁচড়ে আনো।
রিলাক্স, বস। একটু ঠান্ডা হোন।
ওকে ধরব তবেই রিলাক্স করব!
বসুন! শান্ত হোন, বস!
নিঃশ্বাস ছাড়ুন, নিঃশ্বাস নিন।
ছাড় শালা!
ঘিলুটা কাজে লাগাও।
এই ঘটনা থেকে জুন সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে, তাই না?
ওয়েবটুনটা প্রচুর দর্শকপ্রিয়তা পাচ্ছে।
তোমরা বুঝতেছ না ক্যান বাড়া?
আসলে...
পরের বার রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস হলে দর্শক আরো বাড়বে।
এখন আর ফাঁস করার মতো কোনো গোপন তথ্য নেই,
তাই সন্ত্রাসীদের সাথে হাত মিলিয়ে চটকদার কন্টেন্ট তৈরি করতেছে!
পাঁকড়ো ওকে! জলদি যাও!
- গ্রেফতার করো শালাকে! - বস...
এইযে ভাদাইম্মা। জলদি উঠো...
- কী হয়েছে? - উঠো বলছি!
কী হলো আবার?
গল্পটা তো তোমার, কী আঁকছ এসব?
কী হয়েছে খুলে বলবে কি?
- ধ্যাত্তেরি... - বাবা, তোমার ওয়েবটুন।
- আমার ওয়েবটুন? - কই দেখা তো।
আকর্ষণীয় নতুন ভার্সন হয়েছে, তাই না?
এই বোকাচোদা...
সফল হতে অসাধু উপায় বেছে নিলে কীভাবে?
কিন্তু তবুও তো সফল, তাই না?
এত বকবক করো কেন।
এটা দেখো।
চলুন একসাথে দেখি।
গল্পটি আপলোড হওয়ার ৩ ঘন্টা পর, সেম একটি ঘটনা ঘটেছে।
বাস্তব মানুষ, বাস্তব ঘটনা ঘটেছে।
হুয়াদ্দা ফাক?
এই গল্প কোথা থেকে আসলো?
এসব কী তুমি আঁকোনি?
গা-ইয়ং, গিয়ে দেখ তো...
হামলার ব্যাপারে সে আগে থেকেই জানতো...
আবার মাল খেয়ে টাল হয়ে এঁকেছ?
এরপর, সে প্ল্যান করে যে...
আমার স্বামীকে বিরক্ত করছেন কেন? সে নতুন এক জীবন শুরু করেছে।
এখন সফল কমিক আর্টিস্ট, আর বিখ্যাতও বটে।
বুঝতে পারছেন না কেন?
- সফল কমিক আর্টিস্ট? - হ্যাঁ!
স্বামীর সম্পর্কে অনেককিছুই জানেন দেখছি, হ্যাহ?
"এজেন্ট জুন" কমিকের কারণে সে সফল হয়েছে।
তারপর বাড়ি কেনার জন্য আমরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলাম...
অ্যাপার্টমেন্টটি বন্ধক রেখে যে জুয়া খেলেছে...
মিথ্যে দোষ চাপিয়ে দিবেন না।
কীসের মিথ্যে দোষ!
এআই প্রযুক্তি চুরি করেছিস যাতে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নিতে পারিস, তাই না?
দাঁড়ান, মাত্রই কী বললেন?
এআই প্রযুক্তি বিক্রি করতে চুরি করেছে!
তার আগে যে বললেন!
অ্যাপার্টমেন্টটি বন্ধক রেখে জুয়া খেলেছে...
আমাকে বিরক্ত করবি না শালা।
- আরে থামো। - শান্ত হও।
ঠিক আছে, উত্তেজিত হয়ো না।
চুপ করে বসো।
সাফ সাফ বলুন।
কী বোঝাতে চাইছেন?
আপনার গুনধর স্বামী অ্যাপার্টমেন্টটি বন্ধক রেখে..
ক্রিপ্টোকারেন্সি আর স্টকে বিনিয়োগ করেছে।
তারপর পুরাই ফতুর হয়ে গেছে।
সত্যি বলছি...
এই শালা চোদনাটাও ফতুর!
আপনি এত নিষ্ঠুর কেন! শয়তানের বাচ্চা!
- ঘটনা কি সত্যি? - না...
- পুরোটাই হারিয়েছ? - মোটেও না...
- কতটুকু হারিয়েছ বলো? - আসলে...
- ৬০%, ৭০%... - জলদি বলো!
বলেন না...
৯০%।
- দেখিয়েন না। - এই বোকাচোদা!
শালা আবাল!
সাধু সাজার ভান করছিস, হ্যাহ? শালা বাইনচোদ!
অতীত নিয়ে মিথ্যা বলেছিস, এখন ভবিষ্যত নিয়েও মিথ্যা বলছিস!
শালা খাংকির পোলা!
খুব মজা লাগছে, হ্যাহ?
- আসলেই মজার। - দাঁত ক্যালাতে লজ্জা লাগে না?
ও না হয় অতীত লুকিয়েছে...
আপনিও কমে কিসে, দু'জনেই জোচ্চোর।
হ্যাহ, কী জানেন আপনি?
- মিস লি মি-না! লি মি-না! - হ্যাঁ?
নোংরা অতীত লুকিয়ে রেখেছেন!
কীসের নোংরা অতীত?
তদন্তের টোপলাটা খোলো তো!
মিস লি মি-না।
আগের নাম ছিল লি সুন-গিউম।
সিউল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ম্যাগাজিনের মডেল ছিলেন।
ডাকনাম ছিল "সিক্সটি সেকেন্ডস"।
কারণ ছেলেরা ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে তার জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলতো।
সে এখনো বিখ্যাত ক্লাবগুলিতে একজন লিজেন্ড।
সিক্সটি সেকেন্ডস?
গ্রামের মেয়ে হয়ে নাইট ক্লাবে!
- ওই শালা কে? - চুপ করো তো!
এই ছবিগুলো কোথায় পেলেন?
সোশ্যাল মিডিয়া, স্কুল ও ক্লাব থেকে তদন্ত করে জেনেছি।
সব নিখুঁতভাবে ক্লিয়ার করেছি, খুঁজে পেলেন কীভাবে?
এটা জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা!
মি-না, তুমি বদলে গেছ...
চেনা মানুষ তবুও অচেনা লাগছে।
এই মুখ নিয়ে আবার বকবক করতেছে...
আমি অনেক সেক্সি ছিলাম, একটু নষ্টিফষ্টি করে বেড়িয়েছি, তাতে কী?
করেছি তো কী হয়েছে, হ্যাহ? ডিভোর্স চাও?
- না... - হোগার পো হোগা...
এটা একটা বেআইনি তদন্ত, তাই নয় কি?
ঠিক বলেছেন।
ঠিক বলেছি, তাই না?
লোকজনকে ধরে এনে এখানে হয়রানি করা হচ্ছে!
- এসব দেখানোর মানে কি? - এমন করলি কেন চোদনা?
শালা পুরোনো কাসুন্দি ঘেঁটে বের করে আনতেছিস কেন?
- ঠিকই তো! - কী বললে?
গান্ডুচোদা, অন্যের পরিবার ধ্বংস করছিস!
গান্ডুচোদা? তোমার জামাই গান্ডুচোদা।
- তোকে আমি ভয় পাই না! - আরে ছাড়ো!
তাকে বাইরে নিয়ে যাও!
- এটা আমার বউ! - ছাড়ো!
ছাড়ো! যাচ্ছি তো।
এরকম ব্যবহার কি মানা যায়?
তোকে তো পরে সাইজ করব, হাবাচোদা।
কী দেখছিস শালা?
চুদির ভাই আমার!
চুদির ভাই?
শালা ফকিন্নি।
বালছাল সাজিয়ে রাখছে।
- সাবধানে যাবেন। - সোজা বাসায় যান।
- কী আজব মহিলা... - ধুর বাল, আমাকে মেরেই ফেলবে।
- শান্ত হোন ভাই। - সত্যি মরে যাব।
সংসারটা ভাঙলেন, দায়ভার কে নেবে?
কী?
এটা কেমন গোয়েন্দা সংস্থা? পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট করে?
মরণের চুলকানি উঠছে নাকি, হাবাচোদা?
এর চেয়ে মরাই ভালো! নে মার শালা!
- জাউরামি করিস না বে! - গুলি কর চুতমারানি!
ছাড় শালা! গুলি খাবি?
বস, শান্ত হোন।
- মাথা ঠান্ডা করে বসুন! - বাইঞ্চোদ!
ওই হামলায় কি সত্যি জড়িত ছিলে?
ধ্যাত, এমন করছেন কেন?
- প্রমাণ কই? - কী?
প্রমাণ কর যে এটা করিসনি।
করিনি তো, প্রমাণ পাব কই থেকে?
- আলিবি প্রমাণ। - আলিবি?
সেদিন কোথায় ছিলি আর কী করছিলি সব বল?
সেদিন...
দেখলে, চোদানির পোকে?
স্বীকার না করে নাটক চোদাচ্ছে!
সেদিন এই লোকটা কি তোমার সাথেই ছিল?
কেন ছিল?
ইন্টারনেটে তাকে কটুক্তি করে কমেন্ট করেছিলাম।
আমাকে শায়েস্তা করতে এসেছিলেন।
তবে গায়ে হাত তুলিনি।
এই ছোকরা।
এই লোকটা কি তোমাকে মারার চেষ্টা করেছিল?
না।
এইযে জলজ্যান্ত মানুষ এখানে।
এই ছোকরা, মিথ্যে বললে কিন্তু ঝামেলায় পড়বে!
- কী করছিলে তোমরা? - খোশগল্প।
- জীবন নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছিলেন। - কী?
- পমাণ দাও? - এটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে।
- একটু বেশিই বাড়াবাড়ি... - আছে।
প্রমাণ আছে।
কী?
হ্যাহ?
- কই? - প্রমাণ আছে?
- সত্যি? - হ্যাঁ।
- কই? - প্রমাণ আছে?
বাস্তব প্রমাণ আছে।
- প্রমাণ? - কীভাবে সম্ভব?
[ ০৫/০৬/২০২৪ ]
এটা রেকর্ড করেছ কেন?
যদি প্রয়োজন হয় তাই।
জানেনই তো সাবধানতার মাইর নাই।
ছেলেটার প্রশংসা করব নাকি বকবো বুঝতে পারছি না...
আগেই বলেছি আমি নির্দোষ!
কলিজা ঠান্ডা হয়েছে?
ভিতরে এসো।
একটু দাঁড়ান।
আপনিই তাহলে এজেন্ট জুন...
এটা রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা।
আচ্ছা।
- আবার দেখা হবে কেমন। - আচ্ছা।
কোনো সন্দেহভাজন নেই?
আসলে, এমন কিছু আছে যা তোমাকে বলিনি...
কোথায় যাচ্ছি, ক্যাপ্টেন?
চলো, পরে জানতে পারবে।
- কী ব্যাপার রে? - গেলেই দেখতে পাবেন।
জুন!
গান্ডুগুলো এখানে কী করছে?
ভক্তরা তোমায় শোক জানাতে এসেছে।
সব বাধা পেরিয়ে আমাকে খতম করতে এসেছে?
একদম ঠিক।
আগে বলেননি কেন?
তোমার নতুন জীবনটা নষ্ট করতে চাইনি।
আপনি আর এখন এজেন্ট জুন নন।
স্রেফ একজন কমিক আর্টিস্ট, একজন বাবা।
ঠিক বলেছিস।
ক্যাপ্টেন...
চোল...
বড় ভাই...
আহ! কিছুই মাথায় খেলছে না।
এর পেছনে কে?
সাধারন কোনো ভিলেন না।
আমরা ব্যস একটা জিনিস জানি।
কী সেটা?
শালা আমার গল্পের নকল করতেছে।
তো?
বড় মাছ ধরতে বড় টোপ ফেলতে হবে।
বড় টোপ?
ক্যাপ্টেন...
পরের পর্ব আঁকি কী বলেন?
আমাদের প্ল্যান সম্পর্কে খুলে বলছি।
অপরাধীটা জুনের গল্পের নকল করছে।
তাই আগেভাগেই সময় ও স্থান নির্ধারণ করব।
ওরা যখন হাজির হবে আমরা অতর্কিত হামলা চালাব।
হাঁ করে কী দেখিস, জলদি আঁক।
কোন কোম্পানি বেছে নেব?
ছদ্মনামের কোনো কোম্পানি বেছে নেবে নাকি?
কম পরিচিত কোম্পানি বেছে নিয়েছি।
এটা করলে ফাঁস হয়ে যাবে না?
তারা জিজ্ঞাসা করবে, বিশেষ কোম্পানি বেছে নিলাম কেন।
সাধারণ একটা কোম্পানি নেই।
চুপ কর, মামুলি ইনসান।
আর ব্যাংক কোনটা বেছে নেব?
ব্যাংক?
ব্যাংক...
এবার বুঝতে পেরেছি।
ব্যাংক ডাকাতি করবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো লক্ষ্য অর্জন আর দ্রুত টাকা হাতিয়ে নেওয়া।
একদম নড়বি না কেউ।
জলদি চলো!
গাঁড় মেরেছে!
ব্যাংক ডাকাতি একটা বড় লুট, তারা পুরো বাহিনীকে কাজে লাগাবে।
মূল মাস্টারমাইন্ডকে ধরার এটাই সুবর্ণ সুযোগ।
যদি আমি হতাম, সময় বাড়াতে বিভ্রান্তি তৈরি করতাম।
ব্যাংকের সব পুলিশকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতাম।
তারপর, ব্যাংক ডাকাতি করতাম।
মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর প্ল্যান করতাম।
একদম নড়বি না কেউ।
[ ১৯৯ ইমার্জেন্সি ]
ট্রাফিক জ্যাম, পৌঁছাতে পারব না!
বালের রেড লাইট!
সাধারণ পাবলিককে সমস্যায় ফেলো না।
গ্রামের শেষে থাকা গুদামটি ব্যবহার করব কি?
ওটা এখনো ভেঙ্গে ফেলা হয়নি।
৩ কিমি-এর মধ্যে থাকা ব্যাংকগুলি চেক করে জানাচ্ছি।
সুতরাং, বিল্ডিংটিকে গুদামে পাল্টে দিলাম।
বোমাটা বিস্ফোরিত হয়েছে।
পুলিশও এসে গেছে।
একদম নড়বি না কেউ।
সবাই হাত উপরে তুল!
থাম বলছি!
ঠিক সেই মুহূর্তে... জুন হাজির হবে!
কাছে আসবি না।
কে রে শালা?
গুলি কর শালারে!
দাঁড়াও...
ওই, সব টাকা পুড়িয়ে ফেলবে নাকি!
প্রতিশোধের আগুনে স্মৃতি পুড়ে ছাই হয়। আর টাকা সব এখনো অক্ষত আছে।
ডায়লগটা ঝাক্কাস ছিল!
লেখক কিম...
আগের ঘটনায় জড়িত ছিলে না, তাই না?
চিন্তা করবেন না।
গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ফোন করলে গল্পটি আপলোড করে দিবেন।
ঠিক আছে, নিজের খেয়াল রেখো।
ওহ...
অনেক দিন হয়ে গেছে আমরা একসাথে কোনো মিশন শেষ করেছি।
গত মিশনে সেই মজা হয়েছে!
মিশন যাই হোক না কেন, তুই কেবল সাপোর্টিং অ্যাক্টর।
লাস্ট মিশন শেষ করার পর, আমি ফেমাস হয়ে গেছি।
ভালো কাজ করেছিস।
জাতির মর্যাদা রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত।
এখানেই তোর কাজ শেষ।
- কী? - কেন?
মিশন শেষ না হওয়া অব্দি এখান থেকে যেতে পারবি না।
কিন্তু...
বস, জুন এই মিশনের মূল হাতিয়ার।
ও স্রেফ একজন আর্টিস্ট!
মামুলি একজন মানুষ।
- বস... - চুপ কর ব্যাটা!
জুন, তোর যোগ্যতা জানি।
কিন্তু তোকে আর অর্ডার দেব না।
যদি হস্তক্ষেপ করিস, সব ভেস্তে যাবে।
তাই সটকে পড়।
তোর আর তোর পরিবারের জন্য যা ভালো হবে তাই চাই।
সমস্যা নেই, জুন। আমরা তোমার পাশে আছি।
অনেক মিস করব আপনাকে, বড় ভাই।
ঠিক আছে।
- তোমরা দু'জনও মিশনের বাইরে। - হ্যাহ?
তোমরা দু'জনও মাথা ব্যথার কারণ। কখন কী করে বসো কে জানে।
বস। এমনটা করছেন কেন?
সমস্যাটা কোথায় জানো?
তোমরা হলে... ভোদাই নাম্বার তিন... ভোদাই নাম্বার দুই...
নাম্বার ওয়ান ভোদাই!
এক্ষুণি ভাগ শালারা!
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই মিশন নিয়ে খুবই চিন্তিত।
ওদের ভুলই আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে।
এমন কেন?
শিল্ড প্রজেক্টের ভোদাইরা কিছুই না করেও বেশ বাহবা কুড়িয়ে থাকে।
এবার আমি জ্বলে উঠব!
মানে, আমরা জ্বলে উঠব।
মিশন কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকুন।
এরকম কি করতেই হবে?
আমি মামুলি একজন মানুষ।
ব্যস অর্ডার ফলো করছি।
আর খাবার দেবে না?
আপনার ক্যাফেটেরিয়াতে খাওয়ার অনুমতি নেই।
- আপনাকে রামেন খেতে হবে। - বালের রামেন খাব না।
আমার জন্য ব্ল্যাক নুডলস অর্ডার করো।
ওখানটা পরিষ্কার করো।
- আচ্ছা। - থ্যাংক ইউ।
হুমম?
কিছুদিন বাসায় যেতে পারব না।
কেন কী হয়েছে?
আরে কিছুই হয়নি।
গোয়েন্দা সংস্থার আমার হেল্প লাগবে।
কেন থাকবে? বাসায় চলে এসো।
তাদের সাথে থেকে কী লাভ?
অবসর নিয়েছ বলেছিলে।
স্যরি, জান।
ক্রাইম সিনে যাব না তো।
তাদের কেবল বুদ্ধি দিয়ে হেল্প করব।
চিন্তা করো না।
কোনো ঝামেলায় জড়িয়ো না।
আমাদের মেয়েকে মানুষ করতে হবে।
স্বার্থপর মনোভাব কমাও।
ঠিক আছে, সাবধান থাকব।
বাদ দাও।
এই কাজে কত মাইনে দেবে?
দেশের জন্য করছি এজন্য...
পেটে নাই দানা, গিয়েছে বিলাইতে, হ্যাঁ?
তো কী করার প্ল্যান করছ?
কমিকেও তো ব্যর্থ হয়েছ, বোকাচোদা।
ক্ষমা করে দিও।
ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলে, কিছু টাকা চাইব।
সাবধানে বলবে!
ভুলভালিয়ে তাকে পটিয়ে ফেলবে! বুঝেছ?
ঠিক আছে বলব নে।
মনে থাকে যেন!
শালা হাবাচোদা...
প্লিজ...
হ্যালো?
আপলোড করুন।
জি, বুঝেছি।
গা-ইয়ং, নতুন এপিসোড এসেছে।
কী?
দেখাও তো।
নতুন এপিসোড রিলিজ হয়েছে।
এবারও কি তাই ঘটবে? এ যেন সিনেমার মতো...
আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সম্মান এই মিশনের উপর নির্ভর করছে।
সব এজেন্ট, চলো!
জি, স্যার!
[জানু হে-ইন] ফ্রী থাকলে দেখা করুন, কিছু দেখাব।
[জানপাখি হে-ইন] ফ্রী থাকলে দেখা করুন, কিছু দেখাব।
দেখা হবে জলদিই!
ক্যাপ্টেন, আমার একটু কাজ আছে।
হ্যাঁ, আমারও...
ওরে শয়তানের বাচ্চা...
হ্যাহ?
- ওই... - ওহ?
তুই এখানে কেন?
কই থেকে আসলেন? কাজে না গিয়েছিলেন?
জানু হে-ইন আমাকে ইনভাইট করেছে।
জানু হে-ইন?
হ্যাঁ।
সবকিছু জানা সত্ত্বেও একটুও লজ্জা নেই আপনার?
কোনো জ্ঞান নাই, অভিজ্ঞতার নাই, আয়ছে ভাব দেখাইতে।
ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা।
আর্ট সম্পর্কে কী জানিস যে এসেছিস, বলদা?
মানি আমার চেয়ে আপনার অভিজ্ঞতা বেশি।
তবে ক্যাপ্টেন, এই মাঝের চুলের স্টাইলটা তো ট্রেন্ডিং চলছে।
কেমন লাগছে?
হ্যান্ডসাম, তাই না?
- একগাদা চুল পড়ে গেছে... - ঠিক করে দে তো।
আঁচড়ে দে...
- একটু দাঁড়ান... - এদিকে করে দে।
মিস হে-ইন!
কেমন আছেন, মিস বিউটিফুল?
দু'জনেই এসে গেছ তাহলে।
নিন।
দু'জন দু'জনকে অনেক জ্বালিয়েছ।
আজ কী হলো আপনার?
ক্যাপ্টেন চিয়ন।
এজেন্ট চোল।
অনেকদিন পর দেখা।
জাং চোল-রিয়ং!
এসব কী?
এক, দুই, তিন, চার... পুরো দলবলসহ এসেছে?
তুই তো মরে গিয়েছিলি, তাই না?
জুনের মতো আমিও মরার ভ্যান করেছিলাম।
ওরে শালা।
সত্যিই তো তুই!
পুরানো স্মৃতি মনে করিয়ে দেব?
নাকি সোজাসাপটা কথা বলব?
না থাম, মেয়েটাকে যেতে দে।
মিস হে-ইন...
এতো কঠিন খিলাড়ি।
- ভালো করেছেন। - বন্দুকটা আমাকে দিন।
মিস হে-ইনের কোমল হাতে কেবল ফুল মানায়।
- বন্দুক হাতে মানায় না। - কোথায় যাচ্ছেন? মিস হে-ইন!
- মিস হে-ইন। মিস হে-ইন। - মিস হে-ইন।
- এসব কী করছেন! - মিস হে-ইন। মিস হে-ইন।
- মিস হে-ইন। মিস হে-ইন। - তাহলে আমি কে?
চুম্মাচাটি করতেছে কেন।
- মিস হে-ইন! মিস হে-ইন! - কেউ আমারে মাইরালা!
- মিস হে-ইন! - না!
- মিস হে-ইন। মিস হে-ইন। - না, করো না।
এই মিশনটা..
শুরু থেকে শেষ অব্দি আমি সামলাব।
কী চাস তুই?
বদলা নিবি?
সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।
জুন আর এজেন্ট নেই।
এসব করার মানে কী?
যা ছিনিয়ে নিয়েছিস, তা ফেরত নিতে এসেছি।
তার মানে...
'দ্য গেট অফ হেল'?
'দ্য গেট অফ হেল'? সেটা আবার কী?
স্রেফ 'দ্য গেট অফ হেল' পাবার জন্য এতকিছু করেছিস।
তোকে এর চরম মূল্য দিতে হবে!
দাঁড়াও। কীসের মূল্য দিতে হবে?
'দ্য গেট অফ হেল' আবার কী?
কোন ভাষায় কথা বলছে, ক্যাপ্টেন?
জুন যদি 'দ্য গেট অফ হেল' চুরি না করতো,
আমার পরিবার মারা যেত না।
কী?
ক্ষমা করে দিস আমায়।
আর কোনো উপায় ছিল না।
নাটক চোদাস আমার লগে?
থামো বলছি!
জানতাম না এতকিছু ঘটবে।
আমরা ব্যস রাষ্ট্রের আদেশ পালন করেছি।
হ্যাঁ।
রাষ্ট্রের পাচাটা কুত্তা।
'দ্য গেট অফ হেল' কোথায় লুকিয়ে রেখেছিস?
জানি না।
আমাদের ব্যস চুরি করার অর্ডার দেওয়া হয়েছিল।
চিয়ন দেওক-কিউ...
তুই যদি শয়তান হোস, আমি তাহলে শয়তানের বাপ।
একদা আমরা নাম্বার ওয়ান এজেন্ট ছিলাম।
এই শালা সহজে স্বীকার করবে না।
দাঁড়া।
একটু দাঁড়া ভাই।
একটু দাঁড়া...
কোথাও ভুল বুঝতেছিস।
কোরিয়ার নাম্বার ওয়ান এজেন্ট হলো জুন...
আমি না।
আমার ডাকনাম হলো 'শয়তান', কারণ শত্রুদের নির্যাতন করি বলে না।
বরং আমার দ্বায়িত্বে থাকা ছেলেপেলেদের নির্যাতন করি বলেই।
'দ্য গেট অফ হেল' কোথায়?
বললাম তো জানি না।
ভুলে গেছি মনে নেই।
জানি না! অনেক মনভোলা আমি।
এমনকি কাল কী করেছি তাও ভুলে গেছি।
জানি তুই স্বীকার করবি না।
খুব অন্যায় হচ্ছে আমার সাথে।
জানলে তো স্বীকার করব।
ধ্যাৎ বেহেঞ্চো...
খালি আমাকেই মারতেছিস কেন?
দেখ, ওই ছোকরাটা আরাম করছে! ওকে জিজ্ঞেস কর।
হয়তো ও জানে কিন্তু লুকাচ্ছে।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ?
- তুই জানিস তাহলে? - জানি না।
আমি কিছুই জানি না।
তখন তো শিল্ড প্রজেক্টে জয়েনই করিনি।
- সত্যিই তাই কি? - হ্যাঁ।
এই শালা নাছোড়বান্দা। থোবড়ায় মারলে তবেই গড়গড়িয়ে বলবে।
ওরে চোদানির পোলা।
নিজেকে একজন এজেন্ট বলিস? লজ্জা করে না তোর?
আমার হেডার এজেন্ট, জান বাঁচলে বাপের নাম, বুঝলি চোদনা?
ওরে জাউরা চোদা, কী বললি?
কাছে আয় মজা দেখাচ্ছি!
- আয় শালা। - তুই আয় গন্ডারুচোদা। আয়।
বেশ বিনোদন পাচ্ছি, আরো কেলানি দে।
তুই এটারই যোগ্য। ও ভাই, গাইরালা হারামিরে।
এমন উদোম কেলানি দে যাতে তার মাও চিনতে না পারে।
চেহারার নকশা পাল্টে দে।
- তোর জাতের মারে সুদি! - চুদে চাঙ্গে তুলে ফেল শালাকে।
খেপাচোদা, থাম বে!
সব ঠিকঠাক আছে, তাই না?
লেখক কিমের গল্পগুলো সবসময় সুপারহিট হয়।
কিন্তু সবসময় ঝামেলায় জড়ায় কেন!
তুই কি "এজেন্ট জুন" গল্পের প্রধান সম্পাদক?
জি?
হ্যাঁ। কী হয়েছে?
আপনি কে?
এখনো স্বীকার করছে না?
শয়তান চিয়ন দেওক-কিউ!
বললাম তো জানি না।
'দ্য গেট অফ হেল' খুঁজে পেয়েছি।
জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বেসমেন্টের নিচে।
কীভাবে জানলে?
এটা অনেক গোপন তথ্য।
- ক্যাপ্টেন! - তো জানিস না বললি কেন?
ডেটা সিস্টেম হ্যাক করেছি।
আমি সুন্দরী কিন্তু বলদ না, বুঝলি?
- তুই একটা খানকি মাগি...! - চুপ কর হালা।
নাঙচুন্নির ছোল।
মন প্রাণ উজাড় করে দিয়েছিলাম! তবুও ভালোবাসলে না।
ওলেলে বাবুটা...
চলো শুরু করো।
কীভাবে ঢুকবি ওখানে?
সব জায়গায় আমাদের প্রশিক্ষিত এজেন্ট আছে, বুঝলি?
এজেন্টরা যখন জড়ো হয়ে, ব্যাংকে গ্রেফতারের অপেক্ষায় থাকবে তখন।
এবার আয় শালার।
- শুনছ বাবা। - জি?
বাথরুমটা কোথায়?
সোজা গিয়ে ডানে যাবেন।
- থ্যাংক ইউ। - আচ্ছা।
তাহলে, একটা খালি জায়গায় তোদের ঘাঁটি।
তাই না?
কোরিয়ায় এটাকে "প্ররোচনা" কৌশল বলা হয়ে থাকে, তাই না?
শুরু থেকেই সিস্টেমে ঢুকিসনি কেন?
হমুন্দির পুতকে পোঁদ মারব, তারপর ক্ষান্ত হবো।
ক্যাপ্টেন, 'দ্য গেট অফ হেল' কী?
- ওটা একটা পারমাণবিক বোমা। - কী?
আমাদের দেশের পারমাণবিক বোমা আছে?
উত্তর কোরিয়ার তৈরি এক ধরণের সামরিক বোমা এটা।
সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে।
কারণ এটা সহজেই বহন এবং পরিবহন করা যায়।
এটা যেকোনো জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
এজেন্ট জুন এই বোমাটি চুরি করেছিল?
যখন গুজব ছড়িয়েছিল যে উত্তর কোরিয়া...
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারকে দমাতে 'দ্য গেট অফ হেল' ব্যবহার করছে।
সরকার তখন এটা উদ্ধারের জন্য...
সেরা স্পেশাল ফোর্স টিম মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়।
এজেন্ট জুনই এই মিশনটির দ্বায়িত্বে ছিল।
কিন্তু উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া হঠাৎ শান্তিচুক্তি করলো।
সরকার এই মিশনটি বাতিল করে দেয়।
যাইহোক, জুন সেই সময় মিশনটি কমপ্লিট করেছিল।
এজেন্ট জুন তো বুদ্ধিমান ছিল, তবুও সবকিছু বেকাবু হলো।
'দ্য গেট অফ হেল' চুরি হয়ে গেছে জানতে পেরে,
উত্তর কোরিয়ার সরকার ঘাবড়ে যায়,
আর জড়িতদের সমূলে সাফ করার মিশনে নামে।
কেবল স্পেশাল ফোর্সের টিমই নয়, জাং চোল-রিয়ং এর পরিবারও খুন হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকলকেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
জুন নিজেকে দোষী মনে করেছিল।
ভেবেছিল ওর কারণেই সবাই মারা গেছে।
'দ্য গেট অফ হেল' বোমাটা ফাটলে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে।
কী?
আমাদের এটা থামাতে হবে।
নড়তেই পারছি না, কীভাবে এটা থামাব শুনি?
সিরি! সিরি!
হ্যাহ? কী হলো?
- সিরি! - কী হয়েছে?
- সিরি! - কী করছেন?
চুপ থাক তো।
সিরি!
জাইঙ্গার ভিতরে ফোন কেন?
কানেক্ট হচ্ছে না কেন?
আহ, উদোম কেলিয়েছে, মুখটা ফুলে গেছে।
ফোন কোথায় রেখেছে দেখো!
সিরি!
সিরি!
হ্যাঁ?
সিরি, কিম বং-জুনকে কল করো!
কিম বং-জুন!
হ্যালো?
- এজেন্ট জুন? - ক্যাপ্টেন?
- ক্লিয়ার শুনতে পাচ্ছি না। - জুন! বিপদে পড়েছি।
আমাদের হেল্প লাগবে।
ফোনের কাছে এসে কথা বলুন।
ওই, এদিকে আয়।
- আমি? - এদিকে আয়।
জলদি আয়।
এখন বল!
বড় ভাই, সমস্যায় পড়েছি।
কী হয়েছে?
জাং চোল-রিয়ং এসবকিছু ঘটাচ্ছে।
এসবের পেছনে জাং চোল-রিয়ং রয়েছে।
জাং চোল-রিয়ং?
'দ্য গেট অফ হেল'?
হ্যাঁ, 'দ্য গেট অফ হেল'!
তোমার গল্প নকল করে এজেন্টদের বিভ্রান্ত করাই হলো ওর কৌশল...
আপনার গল্প নকল করে এজেন্টদের বিভ্রান্ত করাই হলো ওর কৌশল...
- বিভ্রান্ত করবে মানে? - বিভ্রান্ত করবে...
- মানে কী? - বিভ্রান্ত রে, বোকাচোদা!
বড় ভাই, ওরা 'দ্য গেট অফ হেল' চায়।
'দ্য গেট অফ হেল' ধ্বংস করা হয়েছিল না?
এখনো না।
যেখানে আছ, সেখানকার বেসমেন্ট হলো হেডকোয়ার্টারের বিশেষ স্টোরেজ রুম।
এখন যে বিল্ডিংয়ে আছেন এটা তার বেসমেন্টে আছে...
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ ওরা জানে না তুমি সেখানে আছ।
বড় ভাই, আপনিই শেষ ভরসা।
আপনাকেই এটা থামাতে হবে।
তোরা কোথায় আছিস?
প্রদর্শনীর বেসমেন্টে আটকে আছি।
ওহ, প্রদর্শনীর পরিচালক...
ওই মাগি ধোঁকা দিয়েছে!
ওই মাগি আমাদের কুত্তার মতো এখানে বেঁধে রেখেছে।
ক্যাপ্টেন, নতুন আরেকটা এপিসোড পোস্ট হয়েছে।
নতুন এপিসোড এঁকেছ?
না! এটা আমি আঁকিনি।
তাহলে কে করেছে?
আঁকার স্টাইল ঠিক আমার মতোই লাগছে।
- জরুরি অবস্থা! - গ্যাংনামে হামলা হয়েছে...
সিউলের উত্তর ও দক্ষিণে একই সাথে বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে।
আমরা বসে বসে কী করছি?
আজ...
দক্ষিণ কোরিয়ার নাম-নিশানা মুছে ফেলব।
যখন 'দ্য গেট অফ হেল' ফাটবে, সবাই দেখবে ধ্বংসের লিলা।
চারিদিকে লাশ আর লাশ!
এটা বিস্ফোরিত হলে, সবাই মারা পড়ব।
জুনকে এক্ষুণি কল করো!
এজেন্ট জুনকে খুঁজছিস নিশ্চয়ই?
সেই ঘাতক যে স্বপ্ন পূরণের জন্য পালিয়েছিল।
যে বাচ্চাটিকে কিলিং মেশিন হিসেবে বড় করা হয়েছিল।
না! বরং ওকে কমিক আর্টিস্ট কিম সু-হুক বলা উচিত, তাই না?
তুই কীভাবে জানলি?
আজ থেকে কমিক আর্টিস্ট কিম সু-হুক...
বা এজেন্ট জুন থাকবে না।
এখন থাকবে কেবল...
সন্ত্রাসী জুন।
জুন!
এমন করছ কেন...?
কেউ আমাকে থামাতে পারবে না।
না!
অবশেষে সে স্বীকার করলো।
যেমনটা সন্দেহ করেছিলাম লেখক কিমই হলো এজেন্ট জুন।
সবাই দেখেছেন কি?
সে এবার সিউলে পারমাণবিক বোমা ফাটাবে।
এখন কী করব আমরা?
আমরা সবাই মরতে যাচ্ছি।
একবার বোমাটা ফাটলে, সবাই মায়ের ভোগে।
আমার মার কী হবে?
দেখ, সে ঠিকই বলেছিল।
লেখক কিমই হলো সন্ত্রাসী এজেন্ট জুন!
সত্যি কি পারমাণবিক বোমা আছে?
ধুর বাল, এটা ফাটলে সবাই মরব।
এতো পুরাই পাগলামি।
বাবা...
ওগো, আবার মাল খেয়ে টাল হয়ে ওয়েবটুন এঁকেছ?
আমি আঁকিনি তো!
তাহলে কে?
ঠিক তোমার মতোই আঁকার স্টাইল!
বিশ্বাস করো, আমি না...
পরে সব খুলে বলব।
কোথায় তুমি?
প্রদর্শনী রুমে আছি।
কী হয়েছে?
জানু...
তোমার একটা হেল্প লাগবে।
কী? কী হয়েছে?
- ওরা ব্যাংকে টার্গেট করছে না। - হ্যাহ?
ডিরেক্টর ছাকে এক্ষুণি কল করো।
বস এখন অন্য কাজে ব্যস্ত আছেন।
কিয়েক্টা অবস্থা!
হ্যালো।
- হাই। - হ্যালো।
কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
বাচ্চার জন্য সঞ্চয় একাউন্ট করব।
আচ্ছা।
পাঁচ নাম্বার টেবিলের সামনে বসে অপেক্ষা করুন, ওকে?
থ্যাংক ইউ।
- থ্যাংক ইউ, আংকেল। - বাই, বাবু।
- কোনো সাসপেক্ট? - এখনো না।
আরামসে, অসতর্ক হবে না।
হ্যালো, পিচ্চি বাবু।
আংকেল! কয়েন এক্সচেঞ্জ করতে চাই।
এদিকে, বাবু।
- টয়লেটটা কোথায়, ভাই? - ওদিকে।
থ্যাংক ইউ।
শুরু করো।
[ ক্যামেরা ০১ ] উত্তরে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
সবাই রেডি হও।
বেসমেন্টে প্রবেশের পর টার্গেট থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে থাকব।
ওই কিরে? মাতাল মহিলা?
লোকগুলোকে অদ্ভুত লাগছে?
বিদেশি মাল। খাবে একটু?
চলো মাল খেয়ে টাল হই! কী বলো?
অন্য কোথায় গিয়ে মাল খা, মাগি।
সাউয়ার বেটা...
- মেয়ে মানুষের গায়ে হাত তুলিস! - কী বললি?
কেমন লাগে! এই নে শালা।
আমার স্বামী কিম বং-জুন আজ ৫ বছর ধরে...
ঘুষি মারা শিখাচ্ছে আমাকে। ছুতমারানির পুলা!
- মিস মি-না! - স্যার!
ওই ছোটলোকের বাচ্চারা...
একটু দাঁড়াও, হয়ে গেছে।
ঠিক আছে, উঠো!
জলদি করো!
চলো! জলদি করো!
দাঁড়ান!
সিগন্যালে ব্যাঘাত ঘটাও।
সার্ভারের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
বহির্গামী যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। কেউ সিগন্যালে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।
সব লাইন কেটে দিয়েছি।
চলো!
এটা কোন জায়গা জানিস?
এটা জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। [এনআইএস– NIS]
অভ্যন্তরীণ সব সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি দেখা।
জি, আচ্ছা...
[ সিকিউরিটি জোন ]
এবার তোমার পালা।
কেউ কল ধরলো না।
কেউ না?
লড়াই করতে পারে এমন কোনো এজেন্ট আছে কি?
আমি আছি।
কী?
বন্দুকটা দাও।
না, বস বলেছেন কাউকে বিশ্বাস না করতে।
আরে আমি এজেন্ট জুন।
এটা নিরাপদ।
আমি ওদের মনোযোগ ঘুরাব। গিয়ে ডিরেক্টর ছা'র কাছে হেল্প চাও।
আমি আপনাকে হেল্প করব।
বাঁচতে চাইলে, আমার পথের বাঁধা হয়ো না।
বস, এটা দেখুন।
বিন বুলায়ে মেহমান এসেছে।
এবার জমবে খেলা!
অভিনন্দন ভাইলোগ, তোমরা সবাই এখন মুক্ত।
তোমাদেরকে দ্বিতীয় সুযোগ দেব।
জুন এখন আশেপাশেই আছে।
যা খুইয়েছ তার বদলা নিবে না?
আমার চোখ।
আমার আঙুল।
আমার চাঁদবদন মুখটা।
তুমি কী খুইয়েছ?
সবকিছু খুইয়েছি।
জুন এখন এই বিল্ডিংয়েই আছে।
ওর লোকেশন জানিয়ে দেব।
জুন!
- জুন! - জুন!
দেশের পেলে পুষা এক খুনি।
এখন দেশের উপর প্রতিশোধ নিতে ফিরে এসেছে।
শুনতে বেশ আকর্ষণীয় লাগছে।
গুদমারানির পোলা...
নতুন এপিসোড তুই এঁকেছিস?
হয়, আমিই এঁকেছি।
গল্প বেশ চটকদার হয়েছে।
এসবে অতীত টেনে আনবি না, শালা বেশ্যারপোলা!
এখন আমাকে বুঝতে পারবি।
এজেন্ট জুনকে সন্ত্রাসী বানালি কেন?
দেশকে রক্ষায় আমিও জীবন বাজি রেখেছিলাম।
প্রতিদানে এই দেশ কী দিয়েছে?
একটুও লজ্জা বোধ হয় না তোর?
দেশকে রক্ষা করতে সবকিছু করতে হয়েছিল।
আমার প্রিয়তমা বউ,
প্রিয় কুত্তা,
আমারও পরিবার ছিল।
যতক্ষণ না তোর কারণে আমার পুরো পরিবার খুন হয়।
তোর পরিবারের মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী।
আমাকে মেরে বদলা নে।
'দ্য গেট অফ হেল' বিস্ফোরিত হলে লাখ লাখ নির্দোষ মানুষ মারা যাবে।
আমার পরিবারও নির্দোষ ছিল, তাই না?
তোদেরকেও কষ্ট দিয়ে মারব, যেমনটা আমি ভোগ করেছি।
কষ্টের মজা লুট!
শাউয়ামারানির পোলা!
ওরে হমুন্দির পুতেরা..
শালাগো বের করলে কে?
এত সহজে ওকে মারব না।
তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে মারব।
ওরে পিছে যা।
চলো।
ওরে মাদারিচোদা...
মরণের চুলকানি উঠছে?
এখনো আসছে না কেন?
ব্যাংকের অফিস টাইম শেষ হয়ে গেছে, স্যার।
আরে, একটু দাঁড়ান...
বাপ রে!
ওই ধোনচোদা, একা এসেছিস কেন। জুন কোথায়, হ্যাহ?
বস, হেডকোয়ার্টারে আক্রমণ হয়েছে।
কী বললি?
সবাই মারা গেছে।
জাং চোল-রিয়ং...
থাম শালার পুত!
- নটির পোলারে ধর! - ওকে বস।
পছন্দ হয়েছে?
চখাম আছে...
আরো জোরে!
জানু, লোকগুলো পাগল নাকি...
জুন, অপেক্ষা করো!
আমরা আসতেছি!
আমরা আসতেছি!
জাং চোল-রিয়ং!
খেল খতম, আত্মসমর্পণ কর...
কোথায় পালাবি এখন?
ধুর শাউয়া।
শালা বাইনচোদেরা!
তিনজনের বিপক্ষে একজন, এতো না-ইনসাফি।
ক্যাপ্টেন...
ক্যাপ্টেন!
আরে!
ধুর বাল!
শালারা গুলি করতেই আছে।
উল্টাপাল্টা গুলি চালিয়ে বুলেট ফুরিয়ে ফেলেছে, চুদির ভাইয়েরা!
ধোন চালাও রেন্ডিচোদারা... একটাও লাগে নাই।
গাইরালা বেশ্যার পোলাগো!
সাওয়ারবেটারা আয়!
আমার পুরো কাহিনিই পাল্টে দিয়েছিস,
তোরে ছেড়ে দেব কীভাবে। খয়রাতির বাচ্চা!
এজেন্ট জুনের অপারেশন ধ্বংস করাই আমার লক্ষ্য।
আগেপিছে তোর মরণ আমার হাতেই হবে।
এজেন্ট জুন তোর সামনে দাঁড়িয়ে।
পারলে আমার বাল ছিঁড়ে দেখা।
এবার জমবে খেলা।
তোকে আমার দিল দিয়েছিলাম, ধোঁকা দিলি কেন।
ভালোবাসা এত সস্তা না। ঝুটা ভালোবাসায় বিশ্বাস রাখি না।
দিল খানখান হয়েছে?
নারী তুই অনেক ছলনাময়ী...
জানু দেওক-কিউ, আমাকে মারতে পারবে?
দিল ভাঙা দেবদাস হয়ে...
তোর মতো খানকি মাগিকে পোঁদ মারব পারব না?
মেয়ে মানুষের গায়ে উঠালি?
মুড দেখে মনে হচ্ছে যেন আস্ত পু্ঁতে ফেলবি, শালা।
তোর জাতের মারে সুদি!
শ্বাস তো নিতে দে, মটকু শালা!
আহ...
কিছুই হলো না?
ফাক, চুদছে!
তুই যেখানে বেহুদা কমিকসের জন্য পালিয়েছিলি।
আমাকে যুদ্ধের ময়দানে যেতে হয়েছে।
কী-বা জানিস তুই?
গোয়ামারা সাড়া! শালার বিচি এত বড় কেন!
ভাভাগো ভাভা! এত শক্ত বিচি!
ক্যালাচ্ছিস শালা?
না!
কেন...
কারণ...
আমি পাগল দিওয়ানা...
জানু দেওক-কিউ...
উঠে এসো...
ওরে কুটনি মাগি...
ওহ ফাফ...
এবার দেখ মজা...
কী?
ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেন!
- এখনো ক্লান্ত হোসনি মাগি? - মর চুদির ভাই!
কী ভালুবাসা রে, এখনই মরতেন!
একটু হলে ধোনটাই কেটে ফেলত।
অনেক পাজি হয়ে গেছিস।
দাঁড়া মজা চাখাচ্ছি।
দাঁড়া, শয়তানের খাড়া ঝিলকি!
'দ্য গেট অফ হেল' বন্ধ কর।
কেন?
ভর লাগতেছে?
নরকে দেখা হবে আমাদের।
- এটা শীগ্রই বিস্ফোরিত হবে! - একদম সময় নেই।
এটা প্লেনে উঠিয়ে সমুদ্রে নিয়ে উড়িয়ে দিতে হবে।
ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে জমিন থেকে ৩০ কিমি দূরে নিয়ে যেতে হবে।
- বড় ভাই, হেলিকপ্টার কে চালাবে? - ওটা...
ক্যাপ্টেন।
রাখো আমার হেডার ক্যাপ্টেন!
আমি এখনো বিয়ে করিনি।
দেশের সেবায় না নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন?
আরে দেশকে মারো গুল্লি।
ফাক! চুদছে...
চোল...
পারব না!
আমি এখনো ভার্জিন বাল।
আপনি তাও প্রেম করেছেন।
আর আপনার বউ-বাচ্চা আছে।
আমি এখন পর্যন্ত কাউকে কিসও করিনি।
- তাহলে এখন কী হবে? - কী করব তাহলে?
ক্যাপ্টেন।
জুন...
দেখো এই মালগুলোকে!
আমার পরিবার আছে।
এটা যেকোন সময় বিস্ফোরিত হবে।
শিল্ড প্রজেক্টের প্রধান হিসেবে...
কেবল কাপুরুষেরাই ভয়ে পালাবে।
ক্যাপ্টেন...
অন্য কোনো পথ নেই?
হুমম।
আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম, চিচিং ফাক!
চিচিং ফাক।
চিচিং ফাক।
চিচিং ফাক।
ধুর শালা!
পুরুষদের আত্মত্যাগ করতেই হয়।
ক্যাপ্টেন।
জুন...
আমার বউ-বাচ্চার খেয়াল রাখবেন প্লিজ।
জুন...
বড় ভাই!
- থ্যাংক ইউ, বড় ভাই! - জুন...
- বড় ভাই... - জুন...
- বড় ভাই... - জুন...
- বড় ভাই! - জুন!
জানু!
- ওগো, কোথায় তুমি? ঠিক আছ? - হ্যাঁ, ঠিক আছি!
- গা-ইয়ং কোথায়? - মার কাছেই আছি, বাবা।
চিন্তা করো না, এখানেই আছে।
তোমার জন্য চিন্তা হচ্ছে আমাদের।
বাবা, এটা কীসের শব্দ?
- বাবা একটা হেলিকপ্টার চালাচ্ছে। - হেলিকপ্টার?
একটি পারমাণবিক বোমা পাওয়া গেছে, কিন্তু টাইমার বন্ধ করা যাচ্ছে না।
কী বলছ এসব?
এটা নিয়ে কী করতে যাচ্ছ?
এটা সমুদ্রে নিয়ে গিয়ে উড়িয়ে দেব।
তোমাকেই কেন করতে হবে? আরো লােক আছে না?
অন্যরাও তো করতে পারে, বাবাকেই কেন করতে হবে?
নিরাপদে বিস্ফোরণ ঘটাতে হলে, আমাকেই করতে হবে।
ওগো, এমন করো না।
জানু...
জানি তুমি আমার জন্য কষ্ট করেছ।
অনেক ভালোবাসি তোমাকে।
গা-ইয়ংকে মানুষের মতো মানুষ বানিয়ো।
এমন কথা বলো না।
গা-ইয়ং, সবসময় মায়ের কথা শুনবি।
আর মানুষের মতো মানুষ হবি।
বাবা...
তুই আমাদের সাত রাজার ধন।
ক্ষমা করে দিও, বাবা।
ক্ষমা চাইছিস কেন?
সবসময় তোমাকে জ্বালিয়েছি।
সমস্যা নেই, বাবা রাগ করেনি।
মোটেও মন খারাপ করিনি।
সত্যি বলছি।
বাবা...
গা-ইয়ং, তোকে অনেক ভালোবাসি।
জানু...
তোমাকে আর গা-ইয়ংকে পাওয়া...
আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহুর্ত।
অনেক ভালোবাসি তোমাদের।
এমন বলো না। ভয় লাগতেছে।
বাবা!
ভেবেছিলাম এসব শেষ হলে তোমাদের প্রতি আরো যত্নশীল হবো।
সেটাই চেয়েছিলাম।
তোমাদের কষ্ট দেওয়ায় স্যরি।
বস বলেছে এবার এটা সুপারহিট হবে।
চাই না ওসব আর। ফিরে এসো ব্যস।
ব্যস তোমাকে চাই। ক্ষমা করে দিও সোনা।
অনেক ভালোবাসি তোমাদের।
- ভালো থেকো। - বাবা, যেও না!
তোমাকে বাঁচতেই হবে!
বড় ভাই!
জুন...
- ওগো! - বাবা...
- বাবা! - সোনা!
এজেন্ট জুন ওদিকে উড়ে গেছে।
জুন...
হ্যালো?
ক্যাপ্টেন।
জুনের মতো কন্ঠ লাগছে কেন?
কে কল করেছেন?
কীসব বকছেন?
ক্যাপ্টেন, এটা আমি, জুন!
- জুন! - শুনতে পাচ্ছেন কি?
- কিম বং-জুন! কিম বং-জুন! - জুন...
সত্যি কি তুমি? কোথায় আছ?
এখনো বেঁচে আছ?
আমি হলাম শিল্ড প্রজেক্টের লিজেন্ড, ব্যাঙের মতো সাঁতরাতেও পারি।
এ তো মামুলি ব্যাপার।
তা না, হেলিকপ্টারের কী হলো?
হেলিকপ্টার?
অটো পাইলট মুডে সেট করছিলাম।
অটো পাইলট মুড আছে?
আছে কি?
ঠিক আছে, জলদি এসে নিয়ে যান।
জুন! ইয়াহু!
ওইতো বাবা!
- ওগো! - জুন!
- ওগো! - বাবা!
জানু।
জানু। গা-ইয়ং।
- ঠিক আছ? - হ্যাঁ ঠিক আছি।
ভেবেছিলাম তুমি মরে গেছ।
এমন বউ, বাচ্চা রেখে মরব কেন!
এত জলদি মরব না।
তোমায় মিস করেছি, বাবা।
খুশি থাকতে, ভালোবাসা পেতে...
বিয়ে করে ছোট্ট সংসার সাজা।
মেয়েদের প্রতি আর ফিলিংস জাগে না।
দেশের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেব।
ঠিক বলেছিস।
দেশের সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেব।
কারো মায়া নিজের উপর ভারি হতে দেব না।
আমরা হলাম শিল্ড এজেন্ট, ভালোবাসা দুচি না!
একদম ঠিক!
ঠিক আছেন? মনে হচ্ছে ব্যথা পেয়েছেন।
লড়াই করার সময়, সব ব্যথা ভুলে যাই।
আমার চিকিৎসা দরকার...
আমার চিকিৎসা করুন। নাকটা ভেঙে গেছে হয়তো।
দেখি কী হয়েছে।
- কী হয়েছে। - ক্যাপ্টেন।
- তার প্রেমে নিজেকে সঁপে দিতে চাই। - দেশের না সেবা করবি বললি?
মনটা কখন সঁপে দিলি, হারামজাদা!
তাকে আমার এই হৃদয়ের রাজকুমারী বানাব।
তার প্রেমে দিওয়ানা আমি।
পথের কাঁটা হোস না।
আই লাবিউ, জানেমান।
এই ছোকরাটা...
চলে গেল...
— BANGLA SUBTITLE BY — RAJU TALUKDAR
- হ্যালো? - লেখক কিম।
লাস্ট এপিসোড কতদূর আগালো?
- প্রায় শেষের দিকে। - সত্যি?
তোমার জন্য একটা সুখবর আছে।
"এজেন্ট জুন"কে একটি অ্যানিমেটেড ছবিতে রূপান্তরিত করা হবে! ইয়াহু!
সত্যি?
তোমাকে টিজার পাঠিয়েছি। জলদি দেখো।
পুরাই পাঙ্খা হয়েছে!
আচ্ছা, ঠিক আছে!
জানু! গা-ইয়ং!
কী?
আমার গল্পটাকে একটি অ্যানিমেটেড ছবিতে রূপান্তরিত করা হবে।
সত্যি?
মিস্টার পার্ক টিজার পাঠিয়েছেন।
সত্যি? ওপেন করো।
এই দেখো!
ইয়েস!
অনুবাদকের কাজ ভালো লাগলে ডোনেট করতে পারেন– [Bkash- 01739973768 Rocket- 017399737688]
অনুবাদকের কাজ ভালো লাগলে ডোনেট করতে পারেন– [Bkash- 01739973768 Rocket- 017399737688]
বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক: রাজু তালুকদার
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.