All language subtitles for MAX 2024 WEB-DL 1080p 720p 480p-Bengali

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian Download
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

ধুর, চোদনা!

বস, একজনের জন্য এতজনের আদৌ দরকার আছে কি?

হয়তো, এতজন-ও যথেষ্ট হবে না।

একটা মানুষ-ই তো, তাই না?

মানুষের ছদ্মবেশে একটা রাক্ষস।

একজন নায়ক!

একইসাথে একজন খলনায়ক-ও বটে।

যারা যুদ্ধ শুরু করে, তাদের ঘৃণা করি।

তাদের-ও ঘৃণা করি, যারা যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যায়।

আমি সেইরকম লোক, যে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ি,

শত্রুর কলিজা বার করে আনি, চারিদিকে তার রক্ত ছিটিয়ে দিই।

তারপর, রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের পালিয়ে যাওয়া উপভোগ করি।

যখন আমি যুদ্ধের ময়দানে নামি,

কোনো দয়া, ক্ষমা বা সমঝোতার জায়গা নেই সেখানে।

আজকের রাতের জন্য, একবছর ধরে পরিকল্পনা এবং দুই হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি।

আমাদের রাজনৈতিক জীবনের জন্য এই রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষিণ ভারতের সব গ্যাংস্টার এখন গানির পার্টিতে যোগদান করছে।

যে চোদনা সাংবাদিকটা, আমাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানে,

তাকে গানি ধরেছে।

তোরা দুজন সেখানে যা।

আমাদের পরিকল্পনা বানচাল করার সাহস, যারা করছে, তাদের শেষ করে দে।

মুখ্যমন্ত্রীর খামারবাড়িতে আমরা একটা মিটিঙে থাকবো।

ফোন বন্ধ থাকবে।

বুঝেছিস?

যদি গুরুত্বপূর্ন কিছু ঘটে,

- নরসিংহার সাথে যোগাযোগ করিস। - ঠিক আছে।

- সাবধান থাকিস। - ঠিক আছো।

- বস, আটজনের মধ্যে সাতজন নিখোঁজ বিধায়কের লোকেশন বার করতে পেরেছি।

একমাত্র বিধায়ক ভেঙ্কটেশের খোঁজ এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।

তার ভাই আর শালাকে তুলে এনেছি।

নিশ্চিত কর, যেন সাতজন নিখোঁজ বিধায়ক,

সূর্যোদয়ের আগে আমার সামনে উপস্থিত হয়।

ঠিক আছে।

শাসক পার্টির অনেক বিধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে।

তারা বিরোধী দলের সাথে যোগাযোগ রাখছে।

আগামীকালের মধ্যে, মুখ্যমন্ত্রী হরিহর...

বাইরে এসে দেখো, বাবা।

দক্ষিণ ভারতের সব গ্যাংস্টার...

আমার ভাইয়ের জন্মদিন পালন করতে উপস্থিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হরিহর রাজাপ্পা সম্ভবত...

পার্টিতে তাদের মদ খাওয়া এবং স্বল্প পোশাকের মেয়েদের...

নির্লজ্জভাবে কোমর দোলানো দেখতে আসতে হবে নাকি?

আমার ছেলের জন্মদিনের পার্টিতে দক্ষিণ ভারতের...

সমস্ত রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীদের আসতে হবে।

তোমার ইচ্ছা পরের বছর সার্থক হবে।

দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন!

আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।

আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।

আমার কাছে থাকা সব প্রমাণ ত্যাগ করবো।

সব আপনাদের দিয়ে দেবো!

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

এখানে লুকিয়ে আছিস, বোকাচোদা?

তোর দলের সব সদস্যকে শেষ করেছি।

সকালের মধ্যে যদি আমাদের দলের প্রতি তোর সমর্থন না দেখাস...

তোকে কুপিয়ে মেরে ফেলবো।

এই, মুনি, এখনো এখানে?

আমার বাজেয়াপ্ত ট্রাকটা কখন ছাড়বেন?

সকালের মধ্যে যদি মাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছতে না পারি,

আমার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

তোমার ট্রাকের ধাক্কায় আহত ব্যক্তি এখন হাসপাতালে আছেন।

ড্রাইভারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তাকে বলো, অবিলম্বে আত্মসমর্পণ করতে।

অভিযোগ পাচ্ছি, রিচ রোডে কোনো পুলিস পেট্রল নেই।

স্থানীয় এসআই অবিলম্বে লাইনে আসুন। ওভার।

রিপোর্টিং, স্যার। ওভার।

দুই সপ্তাহ আগে, স্কুটার হারানোর রিপোর্ট করেছিলাম।

আমার মেয়ের পক্ষে কাজে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দয়া করে খুঁজে বার করুন।

স্যার, এটা খুঁজে বার করতে, এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিতে দেখতে পারেন না?

সিসিটিভি ক্যামেরা?

দেখতে পাচ্ছেন?

- লুরধ। - স্যার?

কতদিন হল, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো কাজ করছে না?

একমাস আগে সারানোর জন্য রিপোর্ট করেছিলাম। এখনো সারানো হয় নি।

এই হচ্ছে আমাদের থানা।

আপনি হয়তো সবজায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা দেখতে পাবেন। এইটুকুই।

ছয় মাস আগে, দুজন মেয়ে খুন হয়েছিল।

সেই জটিল কেসে, আমরা সবাই ব্যস্ত।

হারানো স্কুটার বা এইধরণের ফালতু কেসে...

মনোযোগ দেবার মত সময় আমাদের নেই।

- স্যার, এই কথা বলবেন না, প্লিজ। - এখন আসুন। পেলে জানাবো।

- তাকে নিয়ে যান। - ঠিক আছে, স্যার।

এই দাস, তাদের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো কেন?

তাদের যেতে বলো।

- তুমি কী করছো? - স্যার…

তোমার ইন্সপেক্টরকে আনতে যাওয়ার কথা ছিল না?

ট্রেন আসতে দেরী আছে।

আগামীকাল আপনার ফেয়ার ওয়েল পার্টির জন্য থানা সাজাচ্ছি।

- সাজাচ্ছো? - হ্যাঁ।

অবসর নেবার আগে, ইন্সপেক্টর কর্তৃক তিরস্কৃত হই, চাও নাকি?

এইসব স্টোর রুমে রাখো।

- যাও এখন। - ঠিক আছে, স্যার।

- স্যার। - এই, গোবিন্দ আর মীনা।

- স্যার? - তোমরা কী করছো?

ইন্সপেক্টর দায়িত্ব নেবার আগে জায়গাটা পরিষ্কার করছি।

- এই, ওটা আমাকে দাও। - স্যার?

জায়গাটা অত্যাধিক পরিস্কার দেখলে তিনি ক্ষেপে যাবেন।

- জায়গা পরিস্কার থাকা ঠিক নয় কি? - তাকে খুব ভালো করে চিনি।

- এই ফাইলটা এখানে কেন?

- স্যার... - ইন্সপেক্টরের কেবিনে রাখো।

ডিএসপি সর্বদা সময়ে টহল দেন।

তোমরা চালিয়ে যাও। আমি আসছি।

- মীনা - স্যার?

- আমার সাথে এসো। - দাস, ফাইলগুলো এখনো এখানে কেন?

এগুলো চেক করে ইন্সপেক্টরের টেবিলে রাখতে পারছো না?

এগুলো ওখানে রাখো।

ইন্সপেক্টরের তো আগামীকাল থেকে দায়ীত্ব নেবার কথা?

আজ এত হাইপ কিসের?

এর আগে দুই বছর, আমি তার সাথে কাজ করেছি।

তার মনোভাব সম্পর্কে অনুমান করা কারোর পক্ষে সম্ভব নয়।

শহরে পৌঁছে, যদি তিনি এখানে সরাসরি আসেন, কি হবে?

তখন তুমি কি করবে?

যে ব্যক্তির আগামীকাল আসার কথা,

নিজের ইচ্ছামত যদি হঠাৎ এখানে আসেন,

তাহলে আমার করার কিছু নেই।

তোমার "স্যার" প্রায়শই বরখাস্ত এবং স্থানান্তরিত হন,

এবং বাড়িতে আনন্দে আরাম করেন, তাই না?

তাকে বোলো, এইসব বন্ধ করে এখন থেকে সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করতে।

তুমি জানো, তিনি বরখাস্ত হয়েছিলেন, কেন জানো কি?

কাজ না করার জন্য তিনি বরখাস্ত হন নি।

প্রতিটা বরখাস্তকরণের পিছনে গল্প আছে।

এবং প্রতিটা গল্পের সাথে তার হত্যার কাহিনী জড়িয়ে আছে।।

এবং যতবারই তিনি হত্যা করেন, ততবারই একেকটা রাক্ষসের মৃত্যু হয়।

দাস, ফালতু কথা বলা বন্ধ করো।

যাওয়া যাক, স্যার।

হারানো ঘড়ি খুঁজে পেয়েছো?

- ওহ, সেটা? - হ্যাঁ।

এখনো খুঁজছি।

- এই... কি হয়েছে? - আমার সাথে আয়।

অর্জুন স্যার!

আপনার সাথে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগলো।

- ধন্যবাদ। - কখনো ভাবিনি, আপনাকে দেখতে পাবো।

আমি আলিয়া, স্যার।

শ্বেতা।

- হ্যালো, স্যার। - হাই, স্যার।

- তোমরা কি সবাই ট্রেনি? - হ্যাঁ, স্যার।

আমরা সবাই মাইসোর ব্যাচ থেকে এসেছি।

আপনার বন্ধু আমাদের ট্রেনিং দিয়েছেন।

- কোন বন্ধু? - ইন্সপেক্টর প্রভাকর।

- ওহ, প্রভাকর। - আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু শেয়ার করেছেন।

- ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো! - ধন্যবাদ, স্যার!

- স্যার, একটা সেল্ফি নিতে পারি?

- ঠিক আছে। - এই, আয়!

- ম্যাডাম, আমাদের সাথে যোগ দিন, প্লিজ। - এসো, মা।

প্রস্থুত?

হাসো।

- ডিপার্টমেন্টের গাড়ি এনেছো? - হ্যাঁ, ম্যাডাম।

তোমার বস এখনো ডিউটির জন্য রিপোর্ট করে নি। পুলিশের গাড়ি এনেছো কেন?

রাবণন স্যার পাঠিয়েছেন, ম্যাডাম।

সে আমার ছেলের সাথে আগেও কাজ করেছে।

- বুঝলো না কেন? - ঠিক আছে। আর যেন না হয়।

- ঠিক আছে, স্যার। - বুঝেছো? যাওয়া যাক।

- হ্যাঁ, স্যার। - এইসব নাটক ভালো পারিস।

ভীরা আর মাইকেলের ফোন বন্ধ আছে, বস।

তাদের থামানোর জন্য আমার সমস্ত প্রচেষ্টা তারা উপেক্ষা করেছে।

মনে হয়, তাদের কোনো পরিকল্পনা আছে।

তারা পাগলাটে, বস।

তাদের কাছে আমাদের অনেক ভিডিও আছে।

এমনকি, ওই সাংবাদিকের গলা কাটার ভিডিও তারা রেকর্ড করেছিল।

আমার একটা ধারণা আছে, বস। আমাকে খুঁজতে যেতে দিন।

এই!

লক্ষ্মণ।

তুমি তাদের খোঁজো।

- দাঁড়ান। - ড্রাইভিং লাইসেন্স কোথায়?

স্যার…

- আমাদের মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না, স্যার। - এক মিনিট।

- জগদীশ, স্যার। - টিউশন পড়তে গিয়ে আর ফেরে নি।

মাত্র তেরো বছর বয়স। আমাদের একমাত্র মেয়ে, স্যার।

তার ফটো, স্যার।

ইতিমধ্যেই তার বন্ধুদের এবং আমাদের পরিচিতদের ফোন করেছি।

সে কোথায়, কেউ জানে না।

- আমরা খুবই ভয় পাচ্ছি। - বিশ্বাস রাখুন।

কোথায় থাকেন?

সুভাষনগর, তৃতীয় মোড়, স্যার।

কিন্তু তার টিউশন ক্লাস, এই এলাকায়।

তাই, আমরা এখানে তাকে খুঁজতে এসেছি।

আপনার বাড়ি সুভাষনগর থানার অধীনে পড়ে।

সেখানে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করুন।

- তারা অবশ্যই আপনাদের সাহায্য করবে। - কিন্তু, স্যার...

স্যার, আপনার অভিযোগ আমরা নিতে পারবো না।

তাদের বলবেন, ইন্সপেক্টর জগদীশ আপনাকে পাঠিয়েছেন।

তারা আপনার অভিযোগ নেবে।

- স্যার। - ভয় পাবেন না, ম্যাডাম।

থানায় যান। বিশ্বাস রাখুন।

- রাবনন! স্যার এসেছেন। - হ্যাঁ, স্যার।

স্যার!

- স্যার, আমি জগদীশ। - হ্যালো, ম্যাডাম।

- হাই। - কেমন আছেন?

- মীনা কুমারী এবং গোবিন্দ। - ভালো আছি। তুমি কেমন আছো?

স্যার আগামীকাল ডিউটির জন্য রিপোর্ট করবেন। আর আমি অবসর নিচ্ছি, ম্যাডাম।

শুভকামনা রইলো।

- আমার একটা উপকার করতে পারবেন? - অবশ্যই, ম্যাডাম।

কাউকে পাঠান, যে ওর চুল ও দাড়ি কেটে দেবে।

এখনো তাকে দেখে মনে হচ্ছে না, ডিউটির জন্য রিপোর্ট করতে যাচ্ছে...

মনে হচ্ছে, বরখাস্ত-ই আছে।

- শুভ রাত্রি, স্যার। - শুভ রাত্রি।

এইসব রেকর্ড করছিস কেন, বোকাচোদা?

গালাগালি দিস না, ভীরা।

এইসব ভিডিও একমাত্র কোনো বোকাচোদাই রেকর্ড করতে পারে।

ফালতু বকিস না। বেশি বাড়াবাড়ি করছিস।

- কার সাথে কথা বলছিস, জানিস? - তোর সাথে।

- এই! - এই!

আরে!

আমাদের গাড়ি ছোঁয়ার সাহস হলো কি করে!

- তোকে ছোঁবো নাকি! - এই!

এই! কুত্তার বাচ্চা!

সাহস হয় কি করে!

এই! তুই!

আমাদের মুক্তি না দিলে, এই সেলে জ্যান্ত অবস্থায় তোর ছাল ছাড়িয়ে দেবো।

না, তোকে সাবধান করছি...

- রাবনন! - স্যার!

তারা কেবলমাত্র নেশার ঘোরে গাড়ি চালাচ্ছিল না,

একজন পুলিশের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়েছে।

তাদের থামানোর চেষ্টা করায় একজন মহিলা কনস্টেবলের শ্লীলতাহানি করেছে।

তাদের দুজনের উপর জামিন অযোগ্য পরোয়ানা তৈরি করো।

কৃতজ্ঞ থাক, তোদের জ্যান্ত ছেড়ে দিচ্ছি বলে।

আরেকটা ফালতু কথা শুনলে মেরেই ফেলবো।

স্যার!

তারা মন্ত্রীর ছেলে।

কী?

তারা মন্ত্রীর ছেলে, স্যার!

অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে নাক গলানোর চেষ্টা করার জন্য,

এফআইআরে ওদের দুজনের সাথে এর নামটাও যোগ কোরো, রাবনন।

আগামীকাল সকালে তিনজনকেই ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তুলবো।

স্যার!

- স্যার। - মনে করছে, মুখে মুখে কথা বলতে পারবে।!

পরিবার আমার উপর নির্ভর করছে। দয়া করুন, স্যার।

- কথার পিঠে কথা বলার জন্য দুঃখিত। - পোশাক পাল্টে এসো।

স্যার! আপনার ডিউটিতে রিপোর্টিংয়ের প্রথম দিনেই...

যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেই কারণেই বলেছিলাম।

স্যার।

ছেলেগুলো সম্পর্কে আপনার ইন্সপেক্টরকে বলা উচিৎ ছিল।

তিনি বাড়াবাড়ি করছেন।

তারা নেশা করে আছে।

তারা এখানে এলে, আমাদের মাথা কাটা যাবে।

দাস, এইমাত্র কি হয়েছে, তুমি বুঝতে পারছো না।

আপনি বুঝতে পারছেন না, কি হতে যাচ্ছে।

- আমাদের পুঁতে দিয়ে যাবে তারা। - এই।

আমরা কারা, তোমরা জানো।

দরজা খোলো।

মীনা, পোশাক পাল্টে এসো।

আমি তোমার সাথে যাচ্ছি।

ম্যাডাম, তাড়াতাড়ি আসবেন।

- গোবিন্দ, জীপ বার করো। - হ্যাঁ, স্যার।

- রাজীবনগর থানায় যাওয়া দরকার। - স্যার।

এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বেরোচ্ছেন কেন?

যা ভেবেছিলাম, তার তুলনায় ইন্সপেক্টর বেশি ভয়ঙ্কর।

কেস ফাইল অসম্পূর্ণ থাকলে, আমার বারোটা বেজে যাবে।

- জীপ বার করো, গোবিন্দ। দেরী হয়ে যাচ্ছে। - হ্যাঁ, স্যার।

এই, শয়তানরা।

তোদের মারবো না, যদি আমাদের মোবাইল দিস।

- এই, এফআইআর দায়ের করো। - জানিস তো, লুরধের কি হয়েছিল!

এফআইআর দায়ের করে, আমার পরিবারের মৃত্যুপরোয়ানা লিখবো কেন?

বরং ইন্সপেক্টরের নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের মুখোমুখি হবো।

- এফআইআর দায়ের করবো না। - কথা শোনো, দাস।

- ভুল করছো। - তাই নাকি?

যাইহোক, আগামীকাল যেহেতু আপনি অবসরে যাচ্ছেন ,

আপনাকে মালা এবং প্রশংসা সহকারে বাড়ি পাঠানো হবে।

আমাকে এখানকার ভোগান্তি ভুগতে হবে।

এই কেস এবং আপনার সম্পর্কিত কোনো কিছুই আমি করতে চাই না।

- উফ! - এই লোকটা!

তোদের কাউকে ছাড়বো না।

- এই বুড়ো, ফোনটা দে। - বলো।

কি হয়েছে?

কি হয়েছে, মহালক্ষ্মী?

সত্যিই?

এখনই আসছি!

- দাস! - এই!

- যা ইচ্ছা করো! - উফ!

- এই, এই! বুড়ো। - তোমরা দুজন মুখ বন্ধ করো।

এই, বোকাচোদা।

অন্য জায়গায় ধাক্কা না মেরে,

তোর পুলিশ গুলোকেই উড়িয়ে দেওয়া উচিৎ ছিল।

তখন তারা আমাদের ক্ষমতা বুঝতে পারতো!

আরেকবার গালাগালি দিলে তোকে এখানেই পুঁতে দেবো, ভীরা।

চুপ করো।

- মাথাব্যথার অন্য কারণ আছে। - যেহেতু আমাকে বোকাচোদা বলেছিস,

তোর বোনের সাথে একটা ভিডিও করেছি।

- আমার বোন? - হ্যাঁ।

তার বয়স মাত্র পনেরো বছর।

মনে তো হয় না।

- আর তুই ভিডিও করেছিস? - কি ছিঁড়বি তুই?

- কি করবি? - এই!

আমাকে বোকাচোদা বলেছিলিস বলে এটা করেছি।

- এই। - যা ইচ্ছা কর।

- এই, ভাই! - হ্যালো, অর্জুন।

- কি খবর? - কেমন আছেন, আম্মা?

- ভালো আছি। অনন্যা কেমন আছে? - খুব ভালো।

আমাদের তোমার বাড়িতে থাকতে দিচ্ছো। তুমি কোথায় যাবে?

- হ্যালো? - স্যার, মালপত্র?

- ভিতরে রাখো। - হাসপাতালের কাছে শিফ্ট করছি।

- অনন্যা আর আমার, দুজনের কাছেই হবে। - ওহ।

এই বাড়িতে খুব বেশি আসি না।

- কাঁদছিস কেন? - মনে ভালো নেই।

কেন?

আমার বাবাকে গ্রেপ্তার করো।

কি করেছে?

ফোনে গেম খেলতে দিচ্ছে না।

- ওহ! - ওহ!

- কেন, ভাই? - বাচ্ছাদের মোবাইল ঘাঁটা অনুচিৎ।

কিন্তু তুই তো খেলতে চাস, তাই না?

বাচ্ছারা গেম খেলা ছাড়া করবেটা কি?

খেলতে পারিস। আমি তোকে ফোন দেবো।

আম্মা। - হ্যাঁ?

অনন্যার কাজ শেষ হয়েছে। আমার নাইট শিফট আছে।

আমি হাসপাতালে গেলে, অনন্যা তাকে সেখানে নিয়ে নেবে।

রিষভা, যাওয়া যাক?

- আসছি, তাহলে। - আবার আসিস।

- দেখা হবে, অর্জুন। - বিদায়!

- বিদায়, ধন্যবাদ। - শুভ রাত্রি!

- এই, লুরধ! - স্যার?

- মায়ের ঘরে ফার্স্ট এইড বক্সটা রাখো। - ঠিক আছে, স্যার।

স্যার।

স্যার।

এরা আমার সন্তান, স্যার।

তারা তাদের মা-কে হারিয়েছে।

তিন বছর আগে, মান্ডিয়াতে ডিউটি করার সময়,

ইন্সপেক্টর এবং আমি...

মন্ত্রী ড্যানিয়েলের ভাইকে গ্রেপ্তার করি এবং তার উপর এফআইআর দায়ের করি।

ঠিক দশ দিন পর,

তারা ইন্সপেক্টরকে হত্যা করে।

এবং ঘটনাটাকে দুর্ঘটনা হিসাবে প্রমাণ করে।

তারা আমার স্ত্রীকে খুন করে।

এবং তার উলঙ্গ দেহ রাস্তায় ফেলে রাখে, স্যার।

মন্ত্রীর ছেলেদের গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

আমি খুব ভয় পাচ্ছি, স্যার।

তাদের ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

প্লিজ, স্যার!

এই, ছেলেগুলো কোথায়?

ভিতরে আছে।

তাদের ভিতরে বন্ধ করে রেখেছো কেন?

লিপিকার এবং হেড কনস্টেবল কোথায়?

দাস, তুমি কোথায় ছিলে?

ডায়াবেটিস আছে, স্যার। ডিনার খেতে গিয়েছিলাম।

থানায় তালা দিয়ে গেছো কেন?

হেড কনস্টেবল কোথায়?

রাবননের স্ত্রী বেহুঁশ হয়ে পড়েছেন।

আমাকে ফোন করে বলেছে, চাবি অভিযোগ বক্সের মধ্যে আছে।

এই, দরজা খোলো।

এই তো সে!

- দাস, অনেকবার ফোন করেছিলাম। - এই, রাবন।

- জবাব দাও নি কেন? - এই।

জবাব দিই নি তো কি হয়েছে? ছেলেগুলো এখনো ভিতরেই আছে, তাই না?

- তালা দিয়ে চলে গিয়েছিলে কেন? - ইন্সপেক্টর তোমাকে এফআইআর দায়ের করতে বলেছিলেন।

- করো নি কেন? - যেহেতু আমি...

স্যার! মন্ত্রীর ছেলেরা ভিতরে থাকা সত্বেও আপনি বেরিয়েছিলেন কেন?

আমি ডায়াবেটিক। ডিনার খেতে গিয়েছিলাম।

ওহ না!

- তারা কোথায়? - এই, রাবন! ছেলেগুলো কোথায়?

- হে ভগবান! - ওহ না!

- এখানেই ছিল!

- দরজা বন্ধ করো, রাবন! - দাস! উপরে দেখো।

- গোবিন্দ, তারা উপরে আছে কিনা দেখো। - সর্বত্র খোঁজো।

হে ভগবান!

- উপরে কেউ নেই।

উপরের দরজায় তালা দেওয়া আছে।

যদি সব দরজা বন্ধ থাকে,

- তারা কোথায় যেতে পারে? - কোথায় তারা?

- ভগবান! - অস্ত্রের ঘর!

ওহ না! ভিতরে একটা ৩০৭ বন্দুক এবং গুলি আছে।!

এই! সবাই লুকিয়ে পড়ো। যাও।

এই! দরজা খুলে গেছে।

মাইকেল! ভীরা!

বোকার মত কাজ কোরো না। বেরিয়ে এসো।

আমাদের বারোটা বেজে গেছে।

এটা কিভাবে হলো?

ভগবান! কি পোড়া কপাল আমাদের!

উফ!

এখন কি করবো আমরা?

আমি যখন বেরোলাম, দুজনে মারামারি করছিল।

উফ!

এই! বুড়ো ভাম!

পরিস্থিতির গুরুত্ব জানা সত্বেও তালা লাগিয়ে চলে গিয়েছিলে কেন?

ফোন এসেছিল, স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই...

তোমরা দুজন, থামো।

দুজনে ইতিমধ্যেই মারা গেছে।

তাদের সাথে যোগ দেবার পরিকল্পনা করছো কি?

এই! চুপ করো।

প্রচন্ড রাগ হচ্ছে, তাকে এখানেই...

শেষ করে দিতে ইচ্ছা করছে।

উফ! এই লোকটা!

সে আমাদের সবার জীবন ধ্বংস করেছে।

চ্যাঁচাচ্ছেন কেন, স্যার?

- কেউ শুনতে পাবে। - ওহ!

জনগন এটা জানতে পারবে না, ভেবেছো?

গানির জন্মদিনে দক্ষিণ ভারতের সব গ্যাংস্টার এসেছে।

যদি তারা জানতে পারে,

আমাদের টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে।

শুধুমাত্র আমাদের নয়। আমাদের পরিবারও ধ্বংস হয়ে যাবে।

- আমরা তাদের হত্যা করি নি। - ওহো!

মনে হয়, মন্ত্রী মশাই তোমাকে সেটা প্রমাণ করার মত সময় দেবেন?

অপদার্থ শালা…

আমার কথামত চললে...

সবাই এর থেকে বাঁচতে পারি।

তিনিই এই ছেলেগুলোকে গ্রেপ্তার করেছিলেন।

তাকেই এর জন্য জবাবদিহি করতে দাও।

সবকিছু আগের মত রাখো। থানায় তালা দিয়ে বেরিয়ে পড়ো।

চলো! চলো!

তোমরা আসছো না?

তাহলে এখানেই মরো।

- এই, দাস! - কেটে পড়ো।

- স্যার, রাবনন লাইনে আছে।

- হ্যাঁ, রাবনন? - স্যার…

থানায় একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।

- কি হয়েছে? - স্যার...

দয়া করে তাড়াতাড়ি আসুন, স্যার।

পাগল নাকি? সবাইকে ছেড়ে তাকে ফোন করতে গেলে কেন?

মনে হয়, তিনি আমাদের রক্ষা করবেন?

সবাইকে গুলি করে মারবেন।

- কিভাবে হল এটা? - সত্যিই জানি না, স্যার।

এই! তোমরা তাদের মেরেছো?

আমরা কেন তাদের মারতে যাবো?

ঠিক আছে, তোমাদের কোনো উদ্দেশ্য না থাকলে...

বাইরের কেউ এসে কি খুন করে গেছে?

না, স্যার। বাইরে থেকে তালা দিয়ে গিয়েছিলাম।

কোথায় গিয়েছিলে?

- স্ত্রী অসুস্থ হবার ফোন এসেছিল। - স্যার...

এই কারণেই গিয়েছিলাম।

- স্যার... - বাকিরা কোথায় ছিল?

- তার সাথে গিয়েছিলাম। - ডিনার করতে গিয়েছিলাম।

কি বলছো তোমরা? একজনও ছিলে না?

- না, স্যার। তাদের লক আপে রাখায় ভয় পেয়েছিলাম।

এখন ডিপার্টমেন্টের গুলিতে তারা মারা গেছে।

- কিভাবে বাঁচবো... - চোখের সামনে থেকে দূর হও।

এই। শান্ত হও।

যত অপদার্থ।

- দুঃখিত, স্যার। - চুপ করো!

- সিসিটিভি ফুটেজ দেখাও। - কাজ করছে না, স্যার।

কী?

বহুবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও,

যেহেতু থানা অন্য জায়গায় শিফ্ট করা হবে,

সারানোর জন্য তারা কোনো লোক পাঠায় নি।

ধারণা আছে, তুমি কি বলছো?

দুজন লোক মারা গেছে। সিসিটিভি কাজ করছে না।

কেউ থানায় ছিলে না... তাহলে কে করলো এই কাজ?

স্যার... - স্যার…

- স্যার... - আগেই সাবধান করেছিলাম।

কেউ শোনো নি।

শক্ত থাকো।

স্যার, আমরা এখন কি করবো?

এটা কিভাবে হলো, ম্যাডাম?

- স্যার… - চুপ করো!

- দরজায় তালা কে দিয়েছিল? - আমি, স্যার।

- রাবনন। - স্যার?

এফআইআর দায়ের করো।

- স্যার! - স্যার, প্লিজ, স্যার!

- দয়া করে করবেন না, স্যার। - এফআইআর দায়ের করবেন না।

- স্যার, আমার পরিবার আছে। - এই! ওঠো বলছি।

জানতে পারলে, তারা আমাদের ছাড়বে না।

টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে।

এই! এফআইআর দায়ের না করলে হবে কেন?

তাহলে তার বিরুদ্ধে এফআইআর করুন, স্যার।

দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে তালা বন্ধ করে...

কি বলছো? তুমি কোথায় ছিলে?

- ডায়াবেটিক... ওষুধ... - আমার নামে এফআইআর করুন, স্যার।

- তুমি কেন? - ভাবছো, এরপর তিনি আমাদের ছাড়বেন?

ছেলেগুলোকে গ্রেপ্তার হতে কেউ দেখে নি, স্যার।

আপনি যদি কেসটা চাপা দেন,

আপনি আমাদের প্রান বাচাবেন, স্যার। - কিছু করুন, স্যার।

তোমরা চাও, আমি একটা অপরাধ চাপা দিই?

- আপনি আমাদের বাঁচাতে পারেন, স্যার। - কি বলছো তোমরা?

- এফআইআর দায়ের করবো না কি করে? - স্যার।

আপনি সবকিছুর মুখোমুখি হতে পারেন।

তারা যাদের পাঠাবে, তাদের সাথে আপনি লড়তে পারবেন।

আপনি বেঁচে থাকলে, কেউ আপনার মায়ের গায়ে হাত তুলতে পারবে না।

কিন্তু আমাদের কি হবে, স্যার?

আমার দুটো দিদি, একটা বোন আছে, স্যার।

লুরধের স্ত্রীর মত তাদের উলঙ্গ করে রাস্তায় ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

আমার বাচ্চাদেরও মেরে ফেলবে, স্যার। - দয়া করুন, স্যার।

- আমাদের রক্ষা করুন। - এক মিনিটের জন্য চুপ করবে?

- হয়ে গেছে? - হ্যাঁ, স্যার।

- হাহাকারের শেষ নেই। - স্যার।

- স্যার, তাকে বোঝান।

আমাদের সকলের পরিবার শেষ হয়ে যাবে।

বাইকে চড়ে ৫০-৬০জন লোক আসছে। এখন কি করবো?

দেবরাজের রিয়াল এস্টেট অফিসের ঠিক পাশ থেকেই...

ছেলেগুলোকে গ্রেপ্তার করে আমাদের জীপে তুলেছিলাম।

নিশ্চয়ই আমাদের দেখেছে। - আমরা শেষ হয়ে গেলাম।

তারা অনাথ নাকি, যে ভাবছো তাদের মৃত্যু সহজেই চাপা দিতে পারবো?

এই!

তোমাদের সাহস হয় কী করে?

ভাবছো, মন্ত্রী মশাইয়ের ছেলেদের গ্রেপ্তার করতে পারবে?

দেবরাজ, ছেলেগুলো এখানে নেই।

- সিন ক্রিয়েট কোরো না। - কি?

জানি, তোমরা তাদের গ্রেপ্তার করেছো। এই কারণেই এসেছি।

তাদের না ছাড়লে, সবাইকে এখানেই কেটে ফেলবো।

দেবরাজ, এটা থানা। সিন ক্রিয়েট কোরো না। চলে যাও।

বস। তার সাথে কথা বলে সময় নষ্ট কোরো না।

এই! বুঝতে পারছো না? চলে যাও।

- এই! ধর শালাদের। - কাউকে ছাড়বি না।

থানার ভিতর ঢুকে পড়।

এই!

- থামো। - আমার কথা শোনো।

এই!

এই!

তাকে ভিতরে নিয়ে চলো। মীনা, সাহায্য করো।

এই!

এই! ওহ না!

চলে এসো!

- ওহ না, স্যার। - এখান থেকে যাওয়া যাক।

নরসিমহা, এটা কোরো না।

কী!

নতুন ইন্সপেক্টর...

ভীরা আর মাইকেলকে গ্রেপ্তার করেছে।

কুত্তার বাচ্চা!

এটা করার সাহস কে করেছে?

স্যার, বাস স্টপের কাছে দেবরাজ ফোনে কথা বলছে।

কে বলছিস?

তোর বাপ!

নরসিমহা বলছি।

তুই নরসিমহা হলে, আমি অর্জুন মহাক্ষয়।

ম্যাক্স নামেও লোকে চেনে।

ম্যাক্স!

তাড়াতাড়ি চল!

এখানে কবে এল মালটা?

নাম শুনেই কাঁপতে শুরু করেছিস, তাই না?

গ্রেপ্তারির কথা শুনেছিস, কিন্তু ছাড়ার কথা জানিস না।

যেকোনো চোদনাকে আশ্রয় দেবার মত...

ভবঘুরে আশ্রম থানা নয়।

এখন থেকে, আমার থানার আশেপাশে...

তোর দলের কাউকে যেন দেখতে না পাই। সাবধানে থাকিস।

ম্যাক্স!

আমি গন্ডগোল চাই না।

ধরে থাকলে, আমার ছেলেদের ছেড়ে দে।

ঠিক এই কারণেই, তাদের ছেড়ে দিয়েছি।

তাদের ছাড়াটা যদি সমস্যায় পরিণত হয়,

তোদের প্রত্যেককে আলাদাভাবে মারবো আর তোর বারোটা বাজাবো।

এখন রাখছি!

এই!

কারণ এবং পাত্র, জানা না সত্বেও অনেকসময় যুদ্ধ শুরু হয়।

এই যুদ্ধটাও সেইভাবেই শুরু হয়েছিল।

যোদ্ধা এবং কৌশলবিদরা যুদ্ধে জয়ী হন...

কিন্তু অবিবেচকভাবে যারা কাজ করেন, তাদের পক্ষে জেতা সম্ভব হয় না।

জ্ঞানত বা অজান্তে,

আমার উপর নির্ভরশীল লোকদের জন্য এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি।

আমিই এটা শেষ করবো।

তাদের দুজনের ফোনই বন্ধ।

সাধারণত, আমাদের ছেলেরা, ফোন বন্ধ করে না।

ম্যাক্স নিশ্চয়ই তাদের ছাড়ে নি।

তুমি তার ট্র্যাক রেকর্ড জানো।

এখান থেকে আমরা মাইকেল এবং ভীরাকে গ্রেপ্তার করেছিলাম।

এখান থেকে ওখান পর্যন্ত কতগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে?

চারটে, স্যার।

কিন্তু, যতদূর জানি, একটাও কাজ করছে না।

সারানো হয় নি, তাই তো?

এখানকার আর সেখানকার মধ্যে কি একই টেলিফোন টাওয়ার আছে?

দুটো টাওয়ার আছে, স্যার।

একটা হেজ্জালা থানার অধীনে এবং অন্যটা আমাদের।

তোমরা তাদের ফোন সেখানেই বন্ধ করে দিয়েছিলে।

থানায় যাবার মাত্র দুটো রাস্তা আছে, স্যার।

শিবাজী জংশন রোড, এবং প্যাটেল জংশন রোড।

- এই দুটো? - হ্যাঁ, স্যার।

- এখানে অন্য রাস্তাটা কিসের? - ওই রাস্তাটা...

একটা পরিত্যক্ত কারখানায় গিয়ে থামে। ওটা কানা গলি।

তার পরে আর কোনো রাস্তা নেই।

পিছনের পূরাতন বাড়িটা কী?

একটা পূরাতন চার্চ, স্যার। ওখানে পৌঁছানোর কোনো রাস্তা নেই।

হ্যাঁ, স্যার। ওটা একটা…

সঠিক, স্যার। থানায় পৌঁছানোর মাত্র দুটো রাস্তাই আছে।

এখানে ওই ছেলেগুলোর আসার মত নিশ্চয়ই কিছু আছে।

হ্যাঁ, স্যার।

জঙ্গলের অপর প্রান্তে মন্ত্রী ড্যানিয়েলের খামারবাড়ি।

ওই ছেলেগুলো প্রায়শই সেখানে পার্টি করতো।

- এটা কি জঙ্গলের এলাকা? - হ্যাঁ, স্যার।

তাদের লাশগুলো গাড়িতে করে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলের মধ্যে নকল গাড়ি দুর্ঘটনা করাতে হবে।

তারপর, স্যার?

আমি বলে দেবো।

এই জায়গাটা পরিষ্কার করে, লাশ দুটো বার করো।

- হ্যাঁ, স্যার। - ঠিক আছে, স্যার।

স্যার, কমিশনার স্যার ভিডিও কলে আছেন।

কী ব্যাপার, রাবনন?

তুমি কি অবসর নিয়ে শান্তিতে বাড়িতে থাকতে চাও না?

থানায় কি চলছে?

স্যার, আসলে...

ডিউটির জন্য রিপোর্ট করার আগেই ...

ইন্সপেক্টর অর্জুন থানায় তাণ্ডব চালাচ্ছে কেন?

কোথায় সে?

হ্যালো, স্যার। কেমন আছেন?

তুমি চুপচাপ থাকলে ভালো থাকতাম!

কমিশনার স্যার ফোন করেছেন। সবাই নমস্কার জানাও।

তোমাকে পুনর্বহাল করা উচিত হয় নি।

মন্ত্রীর ছেলেদের গ্রেপ্তার করে আমাকে সমস্যায় ফেলছো কেন?

পূরাতন হিসাব মেটাতে চাও নাকি?

পূরাতন হিসাব মেটাতে চাইলে, এতক্ষণে তাদের শেষ করে দিতাম, স্যার।

আমার চরিত্র হনন করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর ছেলে জানতে পারা মাত্রই, তাদের আমি ছেড়ে দিয়েছি।

- আগের তুলনায় ভালো হয়ে গেছি, স্যার। - ভালো?

তাদের মাঝপথে ছেড়ে দিয়েছো? আমার কথা ছাড়ো...

এমনকি নতুন ট্রেনিরাও এইকথা বিশ্বাস করবে না। সত্যিই বিশ্বাস করতে বলছো?

আতিপাতি কাউকে বোঝানোর জন্য এটা বলছি না, স্যার।

কাকে বলছো?

অবশ্যই আপনাকে, যেহেতু আপনিই শুনছেন।

যার সাথে ইচ্ছা করবে, শেয়ার করতে পারেন, স্যার।

- এটা নিয়মবহির্ভূত, অর্জুন। - এই!

দেখছো না, এখানে কথা বলছি?

নিয়মবহির্ভূত - এই ব্যাপারে কিছু বলছিলেন, স্যার।

যদি বলেন, আমি সীমা স্পর্শ করছি, নতুনদের ছাড়ুন,

বিভাগের বয়স্করাও, আপনার কথা বিশ্বাস করবেন না, স্যার।

আগামীকাল তোমার দায়ীত্ব নেবার কথা ছিল।

তুমি ইতিমধ্যেই থানায় কেন?

যদিও ছেলেগুলো থানায় নেই,

কিছু স্থানীয় কর্পোরেটর তাদের খুঁজতে এসেছিল...

একজন বলছিল, সে মন্ত্রীর শালা...

অনেক গুন্ডা থানায় এসেছিল...

রাস্তার কুকুর, শিয়াল ছাড়া, সবাই মুখ দেখাতে এসেছিল।

এখন আপনি, ভিডিও কলে এসেছেন।

এটা কাজ নয়, স্যার...

- এটাকে "গ্রাহক পরিষেবা" বলে। - অর্জুন।

থানা পরীক্ষা করতে চান, তাই না?

চলুন, দেখাই আপনাকে।

প্রথমে, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো লক্ষ্য করুন, স্যার।

দুই মাস আগে খারাপ হয়ে গেছে।

অভিযোগ করা সত্ত্বেও, সারানো হয় নি।

যখন বললাম, ওই অপদার্থগুলো...

আমাদের হেফাজতে নেই, বিশ্বাস করলেন না।

কি করে আপনার কাছে এটা প্রমাণ করবো, স্যার?

কথা বন্ধ করো। আমাকে লক-আপ দেখাও।

লক-আপ দেখতে চান?

ঠিক আছে।

দেখুন, স্যার।

- সন্তুষ্ট, স্যার? - অস্ত্রাগার দেখাও।

এত সন্দিহান, স্যার?

একে দেখুন, স্যার।

মন্ত্রীর ছেলেরা এর কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করেছিল।

- তাকে বলো। - হ্যাঁ, স্যার।

শুনেছেন, স্যার?

এটা অস্ত্র রাখার ঘর, স্যার।

দেখেছেন, স্যার? আপনাকে টয়লেট-টাও দেখানো যাক।

সেটা দেখবো বলি নি।

এটা টয়লেট, স্যার।

আরেকবার দেখুন, স্যার।

- আর কিছু? - আচ্ছা, অর্জুন...

গ্রেপ্তার হবার সময় থেকে ছেলেগুলোর ফোন বন্ধ আছে।

এখনো চালু হয় নি।

ওই অপদার্থগুলোকেই ছেড়ে দেওয়াই যথেষ্ট খারাপ হয়েছে।

এখন তাদের ফোন কেন বন্ধ আছে, সেটাও কি আমাকে তদন্ত করতে হবে?

তাদের বলুন, অভিযোগ দায়ের করে সেগুলো খুঁজে বার করতে। শুভ রাত্রি।

সে মিথ্যা কথা বলছে, বস।

দেখেছো? ছেলেগুলো তার হেফাজতে নেই।

সে আমাদের ঠকাচ্ছে।

যদি সে তাদের রাতারাতি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে...

এবং খবরটা বেরিয়ে যায়...

সেটা আগামীকালের ব্রেকিং নিউজ হবে।

আগামীকাল সকালের মধ্যে, দলের সামনে...

যদি নিখোঁজ বিধায়কদের হাজির করতে না পারি...

বিধানসভার সমস্ত ক্ষমতা হারাবো।

এই সমস্যা নিয়ে আটকে না থাকলে, সেখানে নিজেই যেতে পারতাম।

এই কাজের জন্য নিখুঁত স্নিফার হাউন্ডকে চিনি!

পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা যাক।

এখন থেকে গ্রাহক পরিষেবা বাড়ানো হবে।

- আরতি। - স্যার।

শিবাজি সার্কেলে গিয়ে, সেখানে যিনি আছেন, তার কাছে রিপোর্ট করে এসো।

- ঠিক আছে, স্যার। - মীনা।

- প্যাটেল সার্কেলে যাও। - ঠিক আছে, স্যার।

বাকিরা লাশগুলো বাইরে বার করে অপেক্ষা করো।

একমাত্র আমি বলার পরেই, সেগুলো জঙ্গলে নিয়ে যাবে।

যাও।

তাদের তোলো!

এদিকে থেকে একটা বড় গ্যাং আসছে, স্যার।

অন্য দিক থেকে আরেকটা গ্যাং আসছে।

স্যারকে এই ব্যাপারে জানানো যাক।

এই, কোথায় সে?

ছাদে।

ওই বাইকার-রা হেল গেট রাইডার নামে কুখ্যাত, স্যার।

শহরের সব গোপন অপরাধের জন্য তারা দায়ী বলে ধরা হয়ে থাকে।

কিন্তু কোনো রেকর্ড নেই।

তাদের থানা চেক করতে আসার একটাই অর্থ আছে।

রূপা এখানে আসছে।

- রূপা? - অপরাধ ইন্সপেক্টর।

সে একটা পুলিশ কুকুরের থেকেও ধারালো।

এতক্ষণ, সে ছেলেগুলোর গ্রেপ্তারের পর থেকে...

ঘটনাগুলির ক্রম একসাথে সাজাচ্ছিল।

সম্ভবত এখন আমাদের থানায় প্রবেশ করার পরিকল্পনা করছে।

যদি সে থানায় প্রবেশ করতে পারে,

অবশ্যই আমাদের গোপন সত্য জেনে ফেলবে।

থানায় আসার মাত্র দুটো রাস্তা আছে।

দুটো রাস্তা আটকাতেই লোক লাগিয়েছি।

রাস্তার শেষে থাকা কারখানাও চেক করেছি।

সেখানে কেউ নেই।

সব পুলিশ অফিসারই ভিতরে আছে।

- চা খাওয়া যাক? - হুহ?

চা!

তাড়াতাড়ি করো, লুরধ। রূপা আসার আগেই ভিতরে চলো।

স্যার… ম্যাডাম!

ম্যাডাম।

কী ব্যাপার, রাবনন?

খবর কী?

কেমন আছো?

ভালো আছি।

- এখানে এসেছেন কেন?

আজ থানা দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত, তাই না?

ধরে নাও, আমিও তাদের মধ্যে একজন।

আগামীকাল, অবসর গ্রহণ নিয়ে তোমার চাপ বুঝতে পারছি।

কিন্তু, তাদের কি ব্যাপার?

নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে।

- তুমি...? - মীনা কুমারী, ম্যাডাম।

আহ।

- থানার সবাই কি এখানেই আছে? - হ্যাঁ, ম্যাডাম।

- চা! - ধন্যবাদ, স্যার।

- চা নাও। - ধন্যবাদ, স্যার।

- চা, ম্যাডাম? - ধন্যবাদ, স্যার।

- চা নিন, স্যার। - না, ধন্যবাদ। ডায়াবেটিস আছে।

আমি বানিয়েছি। চুপ করে খেয়ে নাও।

এই নাও।

- এসো, মীনা। - স্যার।

ইনি কে? কোনো অভিযোগ লেখাতে এসেছেন?

- ক্রাইম ইন্সপেক্টর রূপা, স্যার। - ওহ!

তো, আপনি রূপা? হ্যালো।

- ইনি কে, চিনি না। - ইন্সপেক্টর অর্জুন, ম্যাডাম।

ডিএনএ টেস্টিঙের জন্য তিনি রক্তের নমুনা যোগাড় করেছিলেন।

আপনি আমাকে চেনেন না... আমিও আপনাকে চিনি না।

এখন দেখা হচ্ছে। সাদা না কালো?

সবসময় কালো।

আমি চা-এর কথা বলছি।

সাধারণত চা খাই না।

আচ্ছা। ঠিক আছে।

আপনার আগামীকাল ডিউটির জন্য রিপোর্ট করার কথা ছিল, তাই না?

হ্যাঁ।

আসছি, তাহলে।

রূপা থেমে গেলেন কেন?

ওহ! বৃষ্টি হচ্ছে।

বুঝতে পারছি, বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার কথা ভেবে সবাই চাপে আছো। ভালো।

কিন্তু রূপা এত চাপে আছেন কেন?

নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে।

- এই, লুরধ! - স্যার।

একটা চেয়ার দাও।

বৃষ্টি না থামাও পর্যন্ত আমরা তাকে সঙ্গ দেবো। ঠিক আছে?

- হ্যাঁ, স্যার! - ম্যাডাম!

বসুন, প্লিজ। আপনার সাথে আমরাও আছি।

বড্ড চুপচাপ চারিদিকে।

- তাই না? - হ্যাঁ, স্যার।

- একটা গল্প শুনবে? - দারুণ হবে, স্যার।

এটা গানের মত গাইতে পারবে?

গল্প বলার দরকার কি? তাকে বিদায় করলেই তো হয়।

নিশ্চয়ই কারণ আছে। চুপ থাকো।

- গাইবো নাকি? - হ্যাঁ, স্যার।

কিভাবে গাইতে হয়, জানি না। প্রথমে একটু শরীর গরম করা যাক।

পুলিশম্যান!

পুলিশ... উফ!

- পুলিশম্যান! - বাঃ!

- ঠিক আছে? - একদম, স্যার।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

- দাস। - স্যার?

দেখো, সে গেছে কিনা।

- বাকিরা, পরিস্কার করো। - হ্যাঁ, স্যার।

ফোন ধরছিলে না কেন?

- না জবাব দিলে বুঝবে, আমি ব্যস্ত। - কি হল, বলো!

ছেলেগুলো পুলিশ হেফাজতে আছে কি নেই?

আছে।

মনে হয়, ছেলেগুলোকে তারা মেরে ফেলেছে।

থানার মধ্যে রক্ত পেয়েছি।

আমাদের ছেলেদের রক্ত, নিশ্চিত হচ্ছো কি করে?

রক্তের নমুনা যোগাড় করার চেষ্টা করেছিলাম।

সে আমাকে একটা খেলার মাধ্যমে প্রতারিত করেছে।

অবশ্যই, করেছে।

- তুমি কি করেছো? - ভদ্রভাবে কথা বলো।

তোমার চাকর নই।

সকাল পর্যন্ত সময় দাও।

তাদের কেউ যেন থানা ছেড়ে যেতে না পারে।

তারা গেলে, তোমাকে জানাবো।

কোনোভাবেই তাদের যেতে দিলে চলবে না।

রূপা ওই লোকগুলোকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বলে চলে গেল, স্যার।

সে দেওয়ালে এই গুলির চিহ্নটা দেখেছে।

ওহ।

সব শেষ হয়ে গেল, স্যার।

ভারাদা আর গানি খানি বিশাল দল নিয়ে আসবে।

যদি ছেলেগুলোর ব্যাপারে সবকিছু না জানাই...

তারা আমাদের মেরে ফেলবে, স্যার।

তাদের ভয় পাওয়াতে পারবেন না।

তারা দেবরাজ বা রূপার মত নয়, স্যার।

স্যার! গোবিন্দ!

এই, গোবিন্দ! গোবিন্দ!

- কি হয়েছে? - থানায় গুলি চালানো হয়েছিল।

- ছেলেদের কি খবর? - বস, পুলিশরা ঠিক আছে কিনা জিজ্ঞাসা করুন।

- আমাদের ছেলেরাই নিশ্চয় গুলি চালিয়েছে। - সেটা হতে পারে।

হয়তো আমাদের ছেলেরাই গুলি চালিয়েছে।

এই কারণেই অর্জুন তাদের মেরে ফেলেছে।

গোবিন্দ! ওইদিকে যাও।

ছেলেদের হেফাজতে নেবার তিরিশ মিনিটের মধ্যে...

দেবরাজ থানায় গিয়েছিল।

তার কুড়ি মিনিট পরে,

কমিশনার ভিডিও কল করে...

পুরো থানা চেক করেন।

দশ মিনিট পরে, অ্যান্ড্রু থানার আশেপাশে চেক করেছে।

ততক্ষণে আমি সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলাম।

তার মানে…

ছেলেগুলো এখনো থানার মধ্যেই আছে।

এই, গোবিন্দ!

- থামুন, স্যার! - আমাকে যেতে দিন!

এই, লুরধ! এখানে এসো।

আমি যাবো।

যদি থানার মধ্যে ভীরা আর মাইকেলকে পাওয়া যায়,

সেখানেই সব কটা পুলিশকে মেরে ফেলবো।

এই, বাচ্ছা!

চুপ থাকো…

আমি এটা সামলাচ্ছি।

- লক্ষ্মণ। - বস।

তাকে নিয়ে যাও।

- গোবিন্দ। - আমাকে যেতে দিন!

আরে! যেতে দাও!

স্যার!

ভিতরে আমাদের একজন তথ্যদাতা আছে, তাই না?

ফোন করো।

ফোনটা দাও।

দাও আমাকে!

বস... সে অনেকবার ফোন করেছিল।

পার্টিতে এত শব্দ হচ্ছে, শুনতেই পাই নি।

একটা ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছে।

বস, নতুন ইন্সপেক্টর ভীরা আর মাইকেলকে গ্রেপ্তার করেছে।

তাদের লক-আপে রাখা হয়েছে।

অনেকবার ফোন করেছিলাম।

জবাব পাই নি।

এফআইআর দায়ের করে তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তোলা হবে।

তাড়াতাড়ি এসে, তাদের মুক্ত করুন।

স্যার!

শুধুমাত্র মেসেজ পাঠিয়েছি।

তাদের মৃত্যুর কথা বলি নি।

সেটাও বলতে পারতে।

বলো নি কেন?

সেটা করলে, আমাকে মেরে ফেলতো।

- তুমি গানির তথ্যদাতা? - স্যার...

- তাই কি? - মারবেন না, স্যার।

প্রতি থানাতেই তাদের একজন করে তথ্যদাতা আছে।

যদি আমি একথা বলি, ছেলেগুলো একে অপরকে মেরে ফেলেছে,

তারা আমাকে বিশ্বাস করবে না, স্যার।

আমাকে মেরে ফেলবে!

যে মুহূর্তে ভারাদা ফোন করেছে,

আমি জানি, আমিই তাদের প্রথম লক্ষ্য।

কেউ আমাদের বাঁচাতে পারবে না, স্যার।

সবাই পালিয়ে যাই, স্যার। প্লিজ, স্যার।

আমি এমন একটা জায়গা জানি, যা আর কেউ চেনে না।

পালিয়ে যাওয়া যাক, স্যার...

কোন জায়গা?

বস।

গোবিন্দ আমার ফোনের জবাব দিচ্ছে না।

- তাকে থানা থেকে তুলে আনছি। - এই! সে কোন হরিদাস পাল?

ছেলেগুলোকে নিয়ে এসো।

না পারলে, অর্জুনকে এনো।

যদি ছেলেগুলোকে পাও, তাহলেও অর্জুনকে ধরে নিয়ে এসো।

এই! না!

ছেড়ে দাও। আমার কথা শোনো।

এই! আমাকে বার করো।

দরজা খোলো।

- তাকে আটকে রাখো। - কেউ আমাদের বাঁচাতে পারবে না।

আমার কথা শোনো!

কখনও কখনও, শত্রুদের লড়াই শুরু করার অপেক্ষায় থাকা উচিৎ নয়।

বরং, আমাদের আক্রমণ করা উচিৎ।

এইভাবেই আমরা তাদের দুর্বলতা সম্পর্কে জানতে পারবো।

এবং তারা জানবে... আমাদের শক্তি সম্পর্কে।

এই!

গানি আর ভারাদার লোকেরা এসে গেছে।

তারা আমাদের ছাড়বে না। সবাইকে মেরে ফেলবে।

- লুরধ! - স্যার?

কাঁচা রাস্তা ধরে জীপ চালাও। এটা একটা কানা গলি।

ধরা যাক, তোমাকে তাড়া করে হত্যা করতে তাদের ১০ মিনিট সময় লাগবে।

- আমার সেই দশ মিনিট সময় দরকার, লুরধ। - ঠিক আছে, স্যার।

- যাও! জগদীশ! - স্যার!

থানায় আসার পথে মুবারক পাংচার দোকান আছে।

লোকগুলোর অজান্তে ছেলেগুলোর গাড়িটা ওখানে রেখে এসো।

সেখানে থাকা কাঠের সেতুই এখানে আসার একমাত্র রাস্তা।

সেতু এবং গাড়ি দুটোই ছয় ফুট চওড়া।

সামনে এগোতে, তোমাকে একটা চাকা তুলে গাড়ি চালাতে হবে।

অসম্ভব ভাবলেও, এটা তোমাকে করতেই হবে, জগদীশ।

থানায় থেকে বেরোবার দুটো রাস্তাই আটকে দিয়েছি।

কোনো পুলিশ বেরোয় নি।

সেখানে পৌঁছানোর পর, একটা চাকা পাংচার করবে এবং এই ফোনগুলোর একটা খুলে দেবে।

বোর্ডে থাকা নম্বরে ফোন করে বলবে, এসে পাংচার ঠিক করতে।

- ঠিক আছে, স্যার। - সবকিছু পাঁচ মিনিটের মধ্যে করতে হবে।

তোমাদের বাঁচানোর জন্য এই পাঁচ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জগদীশ।

হ্যাঁ, স্যার!

এই!

হে ভগবান!

গাড়ি চালু করো।

মালটা কে রে?

তাড়াতাড়ি ভিতরে না এসে অজুহাত বানাচ্ছে!

মটকা গরম হয়ে গেছে। তাদের সবাইকে খুন করবো। এখনই গাড়ি চালু করো।

- স্যার, সে গাড়ি থামিয়ে দিয়েছে। - কেন?

- লুরধের নির্দেশ শুনেছো? - হ্যাঁ।

তাহলে, তার সাথে যাও।

তাদের বাইরে পাঠাচ্ছেন, স্যার। তাদের কি ছাড়বে?

টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে।

সেটা কি হতে দেবো, রাবনন?

একবার লোকগুলোকে তাদের তাড়া করার জন্য ডাইভার্ট করতে পারলে,

লাশসহ গাড়িটা এখান থেকে সরাতে পারবো।

এগোও।

- আরতি! মীনা! - স্যার!

লাশ সরানোর পরিকল্পনাটা মনে আছে তো?

- হ্যাঁ, স্যার। - এখনই করো!

- স্যার! - স্যার!

একটা ভ্যান গাড়িটাকে আটকে দিয়েছে। যেতে পারছি না।

- বাইরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখো। - স্যার।

বস!

আমাদের আসতে দেখে তারা ছেলেদের সরিয়ে দিচ্ছে।

গাড়িটা নিয়ে যাও। - স্যার,

সেতুটার উপরে, গাড়ি চালাতে পারবো না। দুঃখিত, স্যার।

তুমি ওই দিকটা দেখো।

- হ্যাঁ, স্যার। - তুমি এই দিকটা লক্ষ্য রাখো।

লাশগুলো এখানেও নেই!

দাসকে ফোন করো।

পাঁচ মিনিটের মধ্যে পৌঁছাতেই হবে।

ধাক্কা মারো।

বস, ছেলেগুলো এখানে নেই। যাওয়া যাক।

তাড়াতাড়ি!

দৌড়ান, স্যার!

সাইবার ক্রাইম থেকে সক্রেটিস বলছি, ম্যাডাম।

ভীরার ফোন চালু হয়েছে। সবেমাত্র একটা ফোন করেছে।

কাকে ফোন করেছে?

কোন এলাকায়?

এত দেরী হচ্ছে কেন?

ভাই…

তাকে ছেড়ে দে, বোকাচোদা।

বলছি, ছেড়ে দে।

তার জীবন রক্ষা করলাম। এখনো মরে নি।

আমাকে সেখানে যেতে বাধ্য করিস না।

- গেলে তোকে কুপিয়ে মারবো। - এই।

কোন বোকাচোদা তোকে আটকাচ্ছে?

আমাদের ছেলেরা কোথায়?

তাকে ছেড়ে দে।

মাথায় ঢোকে নি? তারা এখানে নেই।

আরেকবার জিজ্ঞাসা করলে, তোকে শুধু মারবোই না, কেটে ফেলবো।

- বলো।

- ছেলেগুলোর গাড়ি একটা পাংচার দোকানের কাছে রয়েছে।

ভীরা দোকানের মালিক-কে তার ফোন থেকে ফোন করেছিল।

তুমি আমাকে বলেছিলে, ছেলেগুলো থানায় আছে।

এবং আমাদের লোকেরা বাইরে পাহারা দিচ্ছে।

তোমার কথায় বিশ্বাস করে আমার ভাইকে সেখানে পাঠিয়েছি।

তাদের গাড়ি কিভাবে পাংচারের দোকানে এলো?

মোবাইল চালু হল কিভাবে? তুমি ওখানে সময়ে পৌঁছালে কি করে?

- জগদীশ। - স্যার?

রূপা হয়তো সাইবার ক্রাইমকে বলেছে, ছেলেগুলোর ফোন ট্র্যাক করতে।

একবার সেখানে পৌঁছালে, ভীরার ফোন চালু করবে,

এবং পাংচার শপে ফোন করবে। তারা মোবাইলটা চিহ্নিত করবে।

রূপা খবর পেয়ে সেখানে আসবে।

সেটা আমাদের অনুকূলে কাজ করবে। বুঝতে পেরেছো?

- ঠিক আছে, স্যার। - গন্ডগোল কোরো না। যাও।

অর্জুন।

বিশ্বাস করছি, আমাদের ছেলেরা তোমার সাথে নেই।

আমার ভাইকে ছেড়ে দাও।

এই! তোর আদেশে তাকে ধরিও নি, ছাড়বোও না।

আমি তোর পোষা কুকুর নই।

ভালো করে শোন। তুই না চাইলেও আমি তাদের খুঁজবো।

আমি তাদের পাওয়ার আগে, তুই পেলেই ভালো।

কারণ আমি আগে পেলে...

তোর ভাইয়ের সাথে তাদের দুজনকেও শেষ করে দেবো।

রাখলাম।

দাস! স্যার কোথায়?

ভারাদার লোকদের থেকে বাঁচিয়ে তিনি আমাদের থানায় ফিরত পাঠালেন।

পরিকল্পনা কী?

লাশগুলো কোথায়?

- কোথায়? - লাশগুলো?

- এসো। - ওখানে।

এই! ছেলেগুলোর গাড়িটা কোথায়?

গাড়ির কথা ভুলে যাও। লাশগুলো কোথায়?

সবার অজান্তে, স্যার গাড়িটাকে এখানে পার্ক করেছেন।

গাড়িটার ডিকিতে লাশগুলো লুকাতে পারি।

যেহেতু রূপা থানায় এসেছিল,

আমরা তাদের গাড়িতেই লাশগুলো রেখেছিলাম।

কি বলছো তুমি? পাগল হয়েছো নাকি?

কি করেছো, গাধা?

- আমি… - এই!

স্যার, গাধাগুলো পাংচার শপের কাছে ছেলেগুলোর গাড়ির ডিকিতেই...

লাশগুলো রেখেছে।

এখন আমরা কি করবো, স্যার?

তুমি তোমার ভাইকে ম্যাক্সকে মারতে পাঠিয়েছিলে।

সে তাকে মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে।

কি করছো, আমার জানার দরকার নেই,

কিন্তু আগামীকাল সকালের আগে, ছেলেগুলোকে ফিরত চাই।

- লক্ষ্মন। - বস?

- আমাদের টীম প্রস্তুত করো। - ঠিক আছে, বস‌।

যুদ্ধে সেনাপতির পিছনে থাকা প্রতিটি সৈনিক...

তার মতো সাহসী বা বুদ্ধিমান হবে না।

যদি তাই হতো, যুদ্ধ ততটা আকর্ষক হতো না।

এটা ইতিহাসে খোদিত হতো না।

কাঁচা রাস্তা ধরে জীপ চালাও। এটা একটা কানা গলি।

ধরা যাক, তোমাকে তাড়া করে হত্যা করতে তাদের ১০ মিনিট সময় লাগবে।

- আমার সেই দশ মিনিট সময় দরকার, লুরধ।

লুরধের নির্দেশ শুনেছো?

তোমাদের বাঁচানোর জন্য এই পাঁচ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জগদীশ।

একবার লোকগুলোকে তাদের তাড়া করার জন্য ডাইভার্ট করতে পারলে,

লাশসহ গাড়িটা এখান থেকে সরাতে পারবো।

লাশ সরানোর পরিকল্পনাটা মনে আছে তো?

ছেলেগুলোর গাড়িটা কোথায়?

স্যার, গাধাগুলো পাংচার শপের কাছে ছেলেগুলোর গাড়ির ডিকিতেই...

লাশগুলো রেখেছে।

- স্যার...

অজান্তে একটা ভুল করে ফেলেছি, স্যার।

ছেড়ে দাও!

পিছনের রাস্তা দিয়ে লুরধের সাথে মেকানিকের দোকানে যাও।

গাড়িতে লাশগুলো কেউ খুঁজে বার করেছে কিনা, দেখো।

সেখানে কি হচ্ছে, আমাকে সবকিছুর খবর দিতে থাকো।

ঠিক আছে, স্যার।

তোমার রিপোর্ট যেন সঠিক এবং সংক্ষিপ্ত হয়।

হ্যাঁ, স্যার! আরে, আসুন।

এখনো এখানে কি করছেন?

আমার মেয়ে খুবই অল্পবয়সী, স্যার।

মাত্র তেরো বছর বয়স।

দয়া করে, তাকে খুঁজে বার করুন, স্যার।

- প্লিজ। - দয়া করে, তাকে খুঁজে দিন।

এই ধরনের নিখোঁজ শিশুদের অনেক মামলা অমীমাংসিত আছে।

হয়তো সে কারোর সাথে পালিয়ে গেছে।

অভিযোগ করার আগে সেটা নিশ্চিত করুন।

না। আমার মেয়ে এইসব কাজ করার মত নয়, স্যার।

- সত্যি বলছি, স্যার। - দয়া করে এমন কথা বলবেন না।

সব বাবা-মাই এরকম বলেন।

আগামীকাল সকাল নটার সময় এসে ইন্সপেক্টরের সাথে দেখা করবেন।

- আমার মেয়ে খুব ভালো, স্যার। - যান এখন।

- স্যার! - স্যার!

- তুমি ঠিক আছো? - এক মিনিট দাঁড়াও।

সোনা?

কী হয়েছে?

কী হয়েছে, ম্যাডাম?

তাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে। কি হয়েছে?

আমাদের মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না।

এখানে অভিযোগ দায়ের করতে এসেছিলাম।

এই বদমাইশগুলো অভিযোগ নিতে অস্বীকার করছে।

এখানে অনেক ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছি।

কিছু বলো!

তার নাড়ির গতি হ্রাস পাচ্ছে। হাসপাতালে নিয়ে চলুন।

আমার সাথে চলুন, স্যার। তাকে এখনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার।

আমার স্বামী কাছের থানায় কাজ করেন।

আপনাদের সেখানে পরে নিয়ে যাবো। আসুন।

জগদীশকে ফোন করে বলো...

মাইকেলের ফোন চালু করতে, এবং মাইসোর রোডে গাড়ি চালাতে।

তুমি বলেছিলে, তোমার লোকেরা থানায় পাহারা দিচ্ছে?

তাহলে, অর্জুনের হেফাজতে থাকা গাড়ি সেখান থেকে বেরোলো কি করে?

যদি ছেলেদের ফোন চালু হয়ে থাকে,

তাহলে তোমার লোকেদের থানা পাহারা দিয়ে লাভ কি?

এত লোক তোমার ভাইয়ের অধীনে থাকা সত্বেও...

সে ঠিক কি ছিঁড়েছে?

- এই! - আরে!

ওহ, আল্লাহ!

গা থেকে হাত সরাও।

বস!

শুধুমাত্র টায়ার ফেঁসে গেছে।

তার জন্য এত লোক কেন এনেছেন, বস?

আপনার গাড়ির টায়ার সারিয়ে দেবো।

দয়া করে, আমার দোকানটা ধ্বংস করবেন না।

- তোমাকে এখানে কে ডেকেছে? - ভীরা, স্যার। মন্ত্রী মশাইয়ের ছেলে।

কি করে জানলে, ভীরা-ই ফোন করেছে?

সঠিক জানি না...

সম্ভবত তিনি দোকানের বোর্ডে লেখা নম্বরটা ডায়াল করেছিলেন।

আমি এখনই ফেঁসে যাওয়া টায়ার টা সারিয়ে দিচ্ছি।

- তাড়াতাড়ি করো। - নিশ্চয়ই, স্যার।

স্যার, তারা এখনো গাড়ির ডিকি খোলে নি।

গানি-ও এখানেই আছে।

বস, ভারাদাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি।

গানির ভাইকে এতটাই মারধর করা হয়েছে যে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে...

কেউ যেন এই ব্যাপারে জানতে না পারে।

যদি এই খবর বেরিয়ে যায়...

ভাই হলেও...

আমি তোকে খুন করবো।

স্যার, আরেকটা সমস্যা হয়েছে।

পাংচার শপের মালিক...

অতিরিক্ত টায়ারের জন্য গাড়ির ডিকি চেক করতে যাচ্ছে।

সে ডিকি খোলার চেষ্টা করছে।

খুলে ফেলেছে, স্যার।

লাশগুলো দেখতে পেয়েছে।

আমরা গেলাম।

এটা শুধুমাত্র আকস্মিক সাফল্য ছিল, ভাই।

আমার হাতেই তার মরণ লেখা আছে।

- এই। - আমি কিছু দেখি নি, বস।

- আমি কিছুই দেখি নি।

কি বিড়বিড় করছো যে কিছুই দেখতে পাও নি?

অতিরিক্ত কোনো টায়ার এখানে নেই, বস।

- এখনই ফেঁসে যাওয়া টায়ার টা ঠিক করো। - ঠিক আছে, বস।

সে যা দেখেছে, নিজের কাছেই রেখেছে, স্যার।

কখন?

শয়তানগুলো দুটো লোককে খুন করে...

তাদের লাশগুলো ডিকিতে ভরে নিয়ে যাচ্ছে।

ওহ, আল্লাহ!

বাঙ্গালোরের দক্ষিণে মাইকেলের ফোন চালু এবং বন্ধ হয়েছে।

এর মানে, ম্যাক্স কোনো পরিকল্পনা করছে!

সে এইসব করছে কেন?

মাথায় ঢুকছে না।

এখানে থেকে কোনো লাভ নেই।

থানা আক্রমণ করে...

তাকে টুকরো টুকরো করে কাটবো,

এবং ছেলেগুলোকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনবো।

সে এটাই চায়।

সে এমন পরিকল্পনা করেছে, যাতে তুমি এই পরিস্থিতিতে পড়ো।

স্যার! তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যেতে গিয়েও গানি দাঁড়িয়ে গেছে।

আমাকে এখন কি করতে বলছো?

কেবলমাত্র তাকে থানা থেকে বার করতে হবে।

কিভাবে?

দাস! তুমি আর লুরধ, তোমাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে...

তাদের সুকুমারের হাসপাতালে যেতে বলো।

- কেন, স্যার? কি হয়েছে? - স্যার।

পরিবারের লোকদের ফোন করে সুকুমারের হাসপাতালে পাঠিয়ে দাও।

- জগদীশকেও জানাও। - ঠিক আছে, স্যার।

কেন? কি হয়েছে?

আমার পরিবার শহরের বাইরে আছে, রাবনন।

তোমার হাসপাতালে আমার কিছু লোককে পাঠাচ্ছি, সুকুমার।

সকাল পর্যন্ত তাদের নিরাপদে রেখো।

কোনো সমস্যা হয়েছে, অর্জুন?

প্রশ্ন কোরো না। তাদের নিরাপদে রেখো। বাই।

- আমার কথা শোনো। - যা বলছি, তাই করো।

পরে সবকিছু ব্যাখ্যা দেবো। এখন ছাড়ো।

- ঠিক আছে, চলো। - গাড়ি এসেছে?

রাবনন, বৌকে হাসপাতালে পাঠিয়েছো?

- না, স্যার। - কেন?

- তাকে বললাম, কাছেই তার বন্ধুর বাড়িতে চলে যেতে।

- আমার বাবা-মা চলে গেছে, স্যার। - আমার পরিবার-ও।

- মা? - অর্জুন!

কেউ দরজায় ধাক্কা মারছে।

- দাঁড়াও, ভিডিও কল করছি। - ঠিক আছে।

হ্যালো।

এতদিনে এইসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছো। তাই না, মা?

- তোমার ঘরে ফার্স্ট এইড বক্সটা খোলো। - ঠিক আছে।

- একটা বন্দুক?

- চাপ নিও না। বার করো।

এখন লিভিং রুমে যাও।

দরজা খুলো না।

পাশের ঘরে যাও।

জানলাটা দেখতে পাচ্ছো?

ছায়ার মধ্যে থেকে বিচক্ষণতার সাথে এটা খোলো।

ঠিক আছে।

পিছনের ক্যামেরা চালু করে আমাকে দেখাও, কে এসেছে।

ডাক্তারবাবু, দরজা খুলুন।

আমার বন্ধু ছুরিকাহত হয়েছে।

প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে।

দয়া করে দরজা খুলুন।

তারা সুকুমারের খোঁজে এসেছে।

চিন্তা কোরো না, লিভিং রুমে ফিরে যাও।

দরজা খুলো না।

তাদের সাথে জানালা দিয়ে কথা বলো। তোমার সাথে লাইনে আছি।

ম্যাডাম, ডাক্তারবাবু বাড়িতে নেই?

ডাক্তার এখন এখানে থাকে না।

সে অন্য জায়গায় চলে গেছে।

হাসপাতালে যাও। তাকে সেখানেই পাবে।

বলেছিলাম, আমাদের হাসপাতালে যাওয়াই উচিৎ। সেখানেই চলো।

মা, তাদের ফোনটা দাও।

হ্যালো?

আমার ছেলে একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর।

তোমাদের সাথে কথা বলতে চাইছে।

শুভ সন্ধ্যা, স্যার।

দুঃখিত, স্যার। আমাদের বন্ধু ছুরিকাহত হয়েছে।

- ডাক্তারবাবুর কাছে এসেছিলাম... - ঠিক আছে।

- একটা উপকার করবেন? - হ্যাঁ, স্যার।

- আমার মাকে আপনাদের সাথে সুকুমারের হাসপাতালে নিয়ে যান।

- অবশ্যই, স্যার। - সাবধানে। কোনো ঝামেলা চাই না।

- হ্যাঁ, স্যার। - মাকে ফোনটা দিন।

এই নিন, ম্যাডাম।

তাদের সাথে সুকুমারের হাসপাতালে যাও।

সেখানে আরো কিছু লোক আছে। তাদের দেখভাল করতে পারবে। বুঝেছো?

কোনো সমস্যা হয়েছে?

বন্দুকটা তোমার সাথে নিয়ে যেও।

গোবিন্দের পরিবারকে এখনো জানানো হয় নি, তাই না?

স্যার... স্যার! আমি দুঃখিত।

- ভুলে গিয়েছিলাম। - যা বলা হয়, করো না কেন?

- দুঃখিত, স্যার। - এটা তাকে দাও।

- বলো, দাস। - রূপা তিনটে এবং...

গানি চারটে সিগারেট খেয়েছে।

তারা কোনো পরিকল্পনা করছে, স্যার।

তোমার পরিবারকে ফোন করে...

তাদের ডাক্তার সুকুমারের হাসপাতালে যেতে বলো। এটা জরুরী।

কেন? কি হয়েছে?

লাশগুলো এখনো গাড়ির ডিকিতে আছে।

গানি যেন আমাদের পরিবারকে ধরতে না পারে। ফোন করো।

যদি ধরা পড়ে, গানি আমার পরিবারকে...

- ছাড়বে না। - তাড়াতাড়ি ফোন করো।

- ওহ, না। - এই, গোবিন্দ। কি হয়েছে?

যেটা ভয় পাচ্ছিলাম, সেটাই হয়েছে।

তোমাদের সতর্ক করেছিলাম। আমার পরিবারকে মেরে ফেলবে, স্যার।

আপনি তাদের সবার পরিবারকে রক্ষা করছেন।

ফোন বন্ধ করে, তুই বাঁচতে পারবি না।

তোর বৌ এবং বাচ্ছাকে অপহরণ করা হল।

এখন কোথায় যাবি?

ঠকবাজ! তোর ফোন সবসময় বন্ধ ছিল।

তোর বৌ এবং সন্তানকে অপহরণ করার পর এটা খুলেছে।

তিরিশ মিনিটের মধ্যে এখানে না এলে, দুজনকেই শেষ করে দেবো।

শুনতে পেয়েছেন, স্যার?

তারা কাউকে ছাড়বে না।

ছেলেগুলো মারা গেছে, জানতে পারলে...

আমার পরিবারকে কুপিয়ে মেরে ফেলবে।

বস, ফেঁসে যাওয়া টায়ার ঠিক করে দিয়েছি।

বস, রূপার লোকেরা গোবিন্দের পরিবারকে অপহরণ করেছে।

আমি আমার লোকদের নিয়ে প্রস্তুত।

হয় গোবিন্দ বেরিয়ে আসবে,

নয়তো অর্জুন বেরোবে।

Our men have surrounded the station.

- কিভাবে বেরোবে? - ঠিক যেভাবে, ফোন আর গাড়ি বেরিয়েছে।

সে আমাদের খোঁজে আসবেই।

তখনই আমাদের লোকদের থানায় পাঠাতে পারবো। অপেক্ষা করো।

- লক্ষ্মণ। আমার বাইক আনো। - ঠিক আছে, ম্যাডাম।

তুঘলক! ছেলেদের গাড়িটা আনো।

স্যার! ওটা শুনেছেন?

দেখেছেন ওটা? আমার পরিবারকে মেরে ফেলবে।

- হ্যাঁ, দাস! - তারা সবাই চলে গেছে...

আর নিজেদের সাথে লাশসহ গাড়িটা নিয়ে গেছে, স্যার।

অনুসরণ করো। লাইভ লোকেশন শেয়ার করো।

- দয়া করে বুঝুন, স্যার। - রাবনন।

স্যার, আমি একজন তথ্যদাতা।

বিশ্বাসঘাতক।

কিন্তু আমার পরিবার নির্দোষ, স্যার।

সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

এক মিনিট, আম্মা।

ইনি ইন্সপেক্টর অর্জুনের মা।

বুঝতে পারছি না, কি চলছে।

পুলিশের পরিবারের সাথে এইসব হয়েই থাকে, তাই না?

ভয় পাবেন না।

সাহস রাখুন।

হাতীর যুথের মুখোমুখি হতে হলেও আমার ছেলে আমাদের রক্ষা করবে।

কী হয়েছে?

সেবাস্টিয়ান মেসেজ পাঠিয়েছে।

সে একটা পুলিশের গাড়ির মধ্যে লুকিয়ে আছে।

ম্যাক্স থানা থেকে বেরিয়েছে।

এইভাবেই তোমার ছেলেরা থানা পাহারা দিচ্ছে?

- হ্যালো। - অর্জুন বেরিয়ে গেছে।

তোমরা কী করছো?

অসম্ভব। সবাই এখানেই আছি।

এখান দিয়ে কেউ যেতে বা আসতে পারবে না।

সে কিভাবে গেল?

সে বলছে, থানার পিছনে একটা গোপন রাস্তা আছে।

জানতাম!

তাকে লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে বলো।

অর্জুন থানা থেকে বেরিয়েছে।

কিন্তু ছেলেগুলো তার গাড়িতে নেই।

তাহলে সে বেরোলো কেন?

তাকে লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে দাও।

একবার সে থানার চৌহদ্দির বাইরে চলে গেলেই...

আমাদের লোকদের ভিতরে পাঠাবো।

উফ!

কি হয়েছে, স্যার?

স্যার।

- রবানন। - স্যার?

- ভীরা আর মাইকেলকে আদালতে...

- হাজির করানো যাক, কি বলো? - স্যার!

- সেটাই করা যাক, স্যার। - হুমম।

যতক্ষণে তারা বুঝতে পারবে,

ততক্ষণে বাইরে থাকা রূপার লোকজন থানায় প্রবেশ করবে।

এবং গানি গোবিন্দ-র পরিবারকে হত্যা করবে। তাই না?

যদি আপনার পরিকল্পনা অনুসরণ করি?

ছেলেগুলোকে শেষ করে দেওয়া যাক।

শুনতে পেয়েছো?

সে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে।

ম্যাক্সকে অনুসরণ করো।

ছেলেগুলোকে বাঁচাতে হবে।

লাইভ লোকেশন অনুসরণ করো।

সে আমাদের দিকেই আসছে।

গাড়ি থামাও। হেডলাইট বন্ধ করে রাখো।

অনুসরণ করো। হেডলাইট বন্ধ করে রাখো।

অজান্তেই সে আমার এলাকায় এসে পড়েছে।

জ্যান্ত বেরোতে পারবে না।

যদি এটা করতে পারো,

বুঝবো, তোমার সাহস আছে।

- রাবনন, ওই কারখানাটার নাম কি? - মিনার্ভা, স্যার।

সেখানে থাকা ভীরার খেয়াল রেখো।

আমি এখানে থাকা মাইকেলের দেখভাল করবো।

- গাড়িটা নাও। - স্যার...

স্যার!

একাই গানির এলাকায় যাচ্ছেন। দয়া করে সাবধানে থাকবেন।

আমি রাবননকে অনুসরণ করছি।

তুমি ম্যাক্সকে অনুসরণ করো।

এই, আয়!

তোরা ওইদিকে যা।

স্যার, গানির এলাকার দিকে যাচ্ছেন কেন?

রূপা আর তার লোকজন...

লাশ রাখা গাড়িতে করে রাবননকে অনুসরণ করেছে।

গাড়িটা অনুসরণ করো।

আমার সাথে ফোনে যোগাযোগ রাখো।

রাবনন, রূপা তোমাকে অনুসরণ করছে।

কারখানায় পৌঁছাতে তোমার পাঁচ মিনিট সময় লাগবে। দশ মিনিট লাগাও।

- পৌঁছেই ভিতরে ঢুকে যাবে। - ঠিক আছে, স্যার।

দাস, তুমি আর লুরধ লাশগুলো গাড়ি থেকে সরিয়ে...

তোমার জীপে তুলবে, এবং থানায় নিয়ে যাবে।

সবকিছু যেন দশ মিনিটের মধ্যেই হয়।

- এই দশ মিনিট আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - স্যার! আমরা কি এইসব কাজ...

লাশগুলোকে থানা থেকে বার করার জন্য করছি না?

যা বলছি, তাই করো, দাস।

এই! তোরা উপরে যা। বাকিরা আমার সাথে আয়।

জগদীশ, তোমাকে একটা লোকেশন পাঠিয়েছি।

- অবিলম্বে সেখানে এসো। - হ্যাঁ, স্যার।

সে ওইদিকে গেছে।

এই!

এই!

বস, তাকে সর্বত্র খুঁজলাম।

কোথাও পেলাম না।

আমাদের ছেলেদের লোকেশন এখন জানি।

যেখানেই থাকুক, তাকে খুঁজে বার করে টুকরো টুকরো করে ফেলো।

ঠিক আছে, বস। এই, চল সবাই।

- বস? - একটা ছবি পাঠাচ্ছি।

যদি লোকটা ওখানে আসে, যেন জ্যান্ত বেরোতে না পারে।

বস, ছবিটা পাঠান শুধু।

হ্যালো, গোবিন্দ-র পরিবারকে অপহরণ করা হয়েছে।

সবাই সাবধানে থেকো।

ম্যাডাম, গোবিন্দ-র পরিবারকে অপহরণ করা হয়েছে।

ওহ, না!

তার স্ত্রী গর্ভবতী।

চিন্তা কোরো না।

পুলিশদের পরিবারের সাথে যারা ঝামেলা পাকাচ্ছে, তাদের চিন্তিত হতে দাও।

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

আমার সাথে এসো।

আমাদের এলাকায় সে আমাদের নিয়ে খেলা করছে, বস।

তার সাথে আপনার বাবা আছেন।

এই!

- ছেলেগুলোকে মেরে ফেলেছিস নাকি? রূপা। - তাকে ধরো। যাও।

আমাদের ছেলেদের মেরে ফেলেছে।

এখন লাশ সরাচ্ছে। দেখো।

- রূপা! রূপা! - দাঁড়াও। থামো।

রূপা!

র… রূপা!

স্যার, ফোনটা তুলুন।

ফোনটা কাটুন।

মারুন, শালাকে।

বাবা?

বাবা!

বাবা?

সে কি তোমাকে মেরেছে?

আমাকে মারবে কেন?

ইতিমধ্যেই তোকে আহত করেছে।

যে লোকটা তোমার সাথে সেল্ফি তুলতে পারে...

কোথায় সে?

বললো, সে তোর তথ্যদাতা।

তোর জন্য ওখানে কিছু রেখে গেছে।

- বলো। - অর্জুন আমার বাড়িতে এসেছিল।

আর বাবার কাছে, আমার জন্য দুটো বুলেট রেখে গেছে।

মনে হয় না, ছেলেদের খোঁজে এখানে এসেছিল।

নিশ্চয়ই অন্য কোনো খেলা খেলছে।

সেখানেই তাকে পুঁতে দাও।

এই! সে এখানেই কোথাও আছে। শেষ করে দাও।

ভিতরে ঠেলে দিন, স্যার।

তিনি আমাদের লাশগুলো এই বাসের মধ্যে রাখতে বলেছিলেন।

তাদের জ্যান্ত ঝুলিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু তোমাদের মেরেই ফেলবে।

আমি আসছি।

সবাই চলো। তাড়াতাড়ি।

স্যার…

ওই লাশগুলোর নিষ্পত্তি করা দরকার।

কিন্তু আপনি আমাদের বলেছিলেন, সেগুলো থানায় ফিরত আনতে।

আপনার পরিকল্পনা বুঝতে পারছি না।

কোনো একটা নির্দিষ্ট লোকের প্রতি আমার লক্ষ্য নেই, রাবনন।

এই যুদ্ধটা অকারণে শুরু করিনি……

কারণ ছাড়া শেষও করবো না!

ফোনটা বেজে যাচ্ছে।

- উত্তর দেবে না? - স্যার…

আমার স্ত্রী, স্যার।

জানি না, ফোন করছে কেন।

- পরিবার গুরুত্বপূর্ণ।

- তার সাথে কথা বলো। - ঠিক আছে।

লাশগুলো নিরাপদে রাখা হয়েছে, স্যার।

তাদের নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছি, স্যার।

- কিন্তু ম্যাডাম অত্যন্ত চিন্তিত। - আমার অবস্থা বোঝার চেষ্টা করো!

বারবার ফোন করছো কেন?

বললাম তো, আমি আসবো!

স্যার, ইনি রাবননের স্ত্রী।

সে বললো, তার শরীর ভালো নেই। তাহলে কাজ থেকে ফিরছেন কি করে?

- হ্যালো, স্যার। - হ্যালো।

এই মানুষটি নিকটস্থ থানার কাছে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন।

এখানে নিয়ে আসার আগে...

তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাই।

গতকাল রাত থেকে, তাদের মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না।

ওই থানায় তাদের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করা হয়েছে।

সেই কারণে, আমি তাদের এখানে নিয়ে এসেছি।

মাত্র তেরো বছর বয়স।

একদমই বাচ্চা। তাদের সাহায্য করুন, প্লিজ।

- প্লিজ! - খুঁজে দিন, স্যার!

আপনার মেয়েকে খুঁজে বার করার দায়িত্ব আমি নেবো।

- জগদীশ! - স্যার!

- তাদের থেকে সমস্ত তথ্য নিয়ে নাও। - হ্যাঁ, স্যার।

আপনার স্বামীকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে। যাবার আগে কথা বলে নিন।

ঠিক আছে, স্যার।

- রাবনন। - রাখো, বলছি।

- আসছি, স্যার। - দেখো, কে এসেছেন।

তুমি বলেছিলে, তার শরীর ভালো নয়। কথা বলে, তাকে নিরাপদে বাড়িতে পাঠাও।

তার সাথে কথা বলুন।

সবাই ভিতরে চলো।

অটোতে অপেক্ষা করুন।

এখানে এসেছো কেন?

কাজের পর, হাসপাতালে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম তো?

এত ক্লান্ত লাগছে কেন?

কিছু না। তুমি যাও।

বাড়ি যেও না।

- বন্ধুর সাথে থাকো। - কেন?

অন্তত এখন, যা বলছি, তাই করো। যাও।

মিথ্যা কথা বলেছিলে কেন?

বলেছিলে, তোমার স্ত্রী অসুস্থ।

কাজের পর তাহলে এখানে এলেন কি করে?

তাহলে, এখনো পর্যন্ত, আপনি সবকিছুই মিথ্যা বলেছেন, স্যার?

- কেন মিথ্যা কথা বলেছিলেন, স্যার? - কেন, স্যার?

বলো। কেন তালা বন্ধ করে চলে গিয়েছিলে?

- রাবন! কেন এটা করেছিলে? - তোমার বলা কোনো কথাই বিশ্বাস করা যায় কি?

ভালো মানুষ সেজে দাঁড়িয়ে থেকো না। কিছু বলো।

- মিথ্যা বলেছিলে কেন, রাবনন? - কথা বলুন, স্যার।

তাদের বলো, তুমিই খুন করেছো, রাবনন।

তুমিই তাদের মেরেছো...

আমাদের সামনে ভালো মানুষ সাজলে কেন?

- কেন করলেন এইসব, স্যার? - এই! কিছু বলো।

তাকে ছেড়ে দাও, দাস।

এমনভাবে দাঁড়িয়ে আছো, যেন কোনো অন্যায় করো নি।

- মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে... - দাস!

তাকে ছেড়ে দাও।

যখন তুমি বললে, ছেলেগুলো নিজেদের মধ্যে লড়াই করে একে অপরকে মেরেছে,

তোমার কেন মনে হল, আমি তোমাকে বিশ্বাস করবো, রাবনন?

কি মনে হয়, তোমার স্ত্রী এখানে নিজের ইচ্ছায় এসেছিলেন,

অথবা, আমিই তাকে এখানে নিয়ে এসেছি?

জানি, খুন করার মত মানুষ তুমি নও, রাবনন।

ঠিক কি হয়েছিল, আমি জানতে চাই।

আপনি যাবার পর, সবাই বেরিয়ে গিয়েছিল, স্যার।

দাস-ও এই বলে চলে গিয়েছিল, যে সে এফআইআর দায়ের করবে না।

ছেলেগুলোর গাড়ির বাজেয়াপ্তকরণ রিপোর্ট লিখতে চেয়েছিলাম।

তাই, থানায় তালা দিয়ে তাদের গাড়ির কাছে যাই, স্যার।

এবং তখন...

আমাকে বাঁচাও, বাবা!

একটা তেরো বছরের বাচ্চা, স্যার।

তারা তার বয়স-টাও বিবেচনা করেনি...

তাকে ছিঁড়ে ফেলেছিল, স্যার।

তার জন্য আমার হৃদয় টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল।

বাবা!

সোনা…

- তোকে মেরে ফেলবো। - এই!

তোকে মেরে ফেলবো, ভীরা!

এই!

হারামীগুলো!

ছাড়! বাচ্চাটার সাথে কি করেছিস?

কি করেছিস? বল আমাকে।

ছোট্টো মেয়েটার সাথে কি করেছিস?

তোর মেয়ে নাকি? তোকে মেরেই ফেলবো।

- গুলি কর। - এই, বুড়ো।

ওহ না!

ভীরা!

ওহ না! এই!

ভীরা! ভীরা! এই!

- তাকে মারলি কেন? - আমি মারি নি। যেতে দে।

আমার করা অপরাধটা এমনভাবে সাজিয়েছি...

যেন এটা নিজেই ঘটেছে...

ডিকিতে থাকা মেয়েটাকে আমার পরিচিত একটা ক্লিনিকে ভর্তি করেছি...

সবার আসা পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছিলাম...

তারপর থানায় ফিরে এসেছিলাম, স্যার।

" মেয়েটার অবস্থা গুরুতর।

আইসিইউতে ভর্তি না করালে সে বাঁচতো না।"

কম্পাউন্ডার বারবার আমাকে তাই জানাতে ফোন করছিল।

৩৭ বছর ধরে সৎভাবে পুলিশের চাকরি করার পর...

অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে...

পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনে...

আমি কখনো কোনো অন্যায় করি নি, স্যার।

সবকিছু আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঘটেছে।

ওই মুহূর্তে, কি করবো বুঝতে পারি নি।

এখনো বুঝতে পারছি না, স্যার।

যদি আমার জায়গায় থাকতে...

তুমি কী করতে?

আমি সবকিছু স্বীকার করে জেলে যেতে পারতাম...

কিন্তু স্ত্রীর কথা মনে পড়েছিল, স্যার।

আমরা নিঃসন্তান...

একে অপরের জন্য শুধুমাত্র নিজেরাই আছি।

এই মামলায় আমি জেলে গেলে...

আমার স্ত্রীর খেয়াল কে রাখবে, স্যার?

আমার জায়গায় থাকলে, ছেলেগুলোকে পিটিয়ে...

হয়তো আপনি মেয়েটাকে উদ্ধার করতে পারতেন, স্যার।

আমি পারতাম না।

একটা বাচ্ছাকে আমরা দেখতে পেয়েছি...

এইরকম কত বাচ্ছার খবর আমরা জানি না, কে জানে?

আমাকে ক্ষমা করে দিতে বলছি না,

কিন্তু সবকিছু জানার পরে,

দয়া করে তাদের ক্ষমা করবেন না...

যারা এই বদমাইশদের হয়ে কাজ করছে।

এই! উঠে পড়ো!

ওঠো!

দাস…

ডঃ সুকুমারের হাসপাতালে ফোন করে একটা অ্যাম্বুলেন্স চাও।

হ্যালো?

ম্যাক্স এখানে শুধুমাত্র গোবিন্দ-র পরিবারকে উদ্ধার করতেই আসে নি।

কার রক্ত এটা?

- রূপা! রূ...

আমাদের ছেলেদের।

- আরতি, মীনা! - স্যার!

গোবিন্দ কোথায়?

- স্যার, ব্যাপারটা... - গোবিন্দ কোথায়?

বস... আসলে...

বস, প্লিজ…

গোবিন্দ অনুরোধ করেছিল, স্যার।

বলেছিল, তাকে ছেড়ে দিলে, পরিবারকে বাঁচাতে সে গানির কাছে ভিক্ষা করবে।

জানতাম না, আপনি তাদের উদ্ধার করতে গেছেন।

এই কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। ক্ষমা করে দিন, প্লিজ।

তার স্ত্রী ও বাচ্ছাকে খুব ভালো করেই চিনি।

এই কারণেই তাকে যেতে দিয়েছিলাম।

সব শেষ হয়ে গেছে। গোবিন্দ গানিকে সবকিছু বলে দেবে, স্যার।

এই! সর!

- ছেলেরা কোথায়? - বস, তারা…

- ভাস্করকে বল, সব বিধায়ককে পাওয়া গেছে। - ঠিক আছে।

সকাল পর্যন্ত সময় চেয়েছিলে।

এখন সকাল হয়ে গেছে। ছেলেগুলো কোথায়?

সবেমাত্র তাকে ধরেছি। কথা বলতে বাধ্য করবো।

সত্যি কথা না বলা পর্যন্ত তাকে ছাড়বে না।

আমার পরিবারের ক্ষতি কোরো না। আমাকে ছেড়ে দাও।

এটাকে কে সংযুক্ত করেছে?

বস, আমি করেছি।

নতুন তথ্যদাতা আপনার বাবাকে একটা ভিডিও কল করেছে।

আপনার বাবা এখানে সংযুক্ত করতে বলেছেন।

আরে!

মহারাজ!

আপনিও সেখানে।

রাজনীতি ছেড়ে, তিনিও ছেলেদের খুঁজছেন।

দুইজন মন্ত্রীর সুন্দর থোবড়াগুলো আমাকে দেখাও। দেখতে দাও।

ছেলেগুলোকে মারলি কেন?

শশশ!

ম্যাক্সের সাথে কথা বলছিস। চুপচাপ থাক।

তোদের এলাকায় গিয়ে আমি কনস্টেবলের...

অপহৃত স্ত্রী এবং বাচ্ছাকে উদ্ধার করেছি।

এখনো তোরা সেই অপদার্থ লোকটাকে ধরে রেখে, তার উপর চিৎকার করছিস।

সাহস থাকলে এখানে আয়।

ভোর হবার আগেই, তোর মাথা কেটে ফেলবো।

একাকী সিংহ!

অপেক্ষায় থাকলাম।

আসছি!

গোবিন্দকে বাঁচাবার জন্য সবকিছু করলাম।

তোমাদের সমস্যায় ফেলতে চাই না। তোমরা যেতে পারো।

স্যার!

- না, স্যার। - স্যার!

আপনাকে ছেড়ে আমরা যাবো না।

হ্যাঁ, স্যার। আমিও যাবো না।

এটা আমার-ও লড়াই।

আপনার হাতে তাদের কষ্ট পেতে দেখতে চাই।

আমি চাই, আমার স্ত্রী আমার মাধ্যমে এটা দেখে খুশি হোক।

বাচ্চাদের এই গল্প বলে তাদের আনন্দ দিতে চাই, স্যার।

আপনাকে একা ছাড়বো না, স্যার।

আপনি আমাদের বাঁচানোর জন্য কথা দিয়েছেন। আমরা আপনাকে বিশ্বাস করি।

কেউ আপনাকে ছেড়ে যাবে না।

আপনি আমাদের জন্য লড়ছেন। ছেড়ে যাবার প্রশ্নই নেই।

কী করতে হবে, আমাদের বলুন।

এত দিন, ডিউটিতে রিপোর্ট করার পরে সাসপেন্ড হতাম।

তোমাদের সাথে দেখা হবার পর...

জীবনে প্রথমবার...

ডিউটিতে রিপোর্ট করার আগেই আমাকে সাসপেন্ড করা হবে।

এখনো পর্যন্ত তোমরা নায়কোচিত কাজ করেছো।

এবার খলনায়ক হবার জন্য প্রস্তুত হও।

আজ রাতে…

কর্পোরেশনের সাফাইকর্মী হও!

যারা এখানে আসছে... তারা কেউ সমাজসেবী নয়।

সম্পূর্ণ নতুন করে সাজানো যাক!

স্যার, বাম অথবা ডানদিক থেকে কেউ আসছে না।

পিছনের কাঠের সেতু দিয়ে একটা দল আসছে।

গ্যাংস্টাররা থানা ঘিরে ফেলেছে, স্যার।

কি বলেছিলাম, মনে আছে তো? সেটা করো।

এই, দাস!

স্যার, বুলেট শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এই!

ভিতরে ঢুকে পড়ছে, স্যার।

একাকী সিংহ কোথায়?

তাকে ডাক!

সিংহ এসে গেছে!

সাহস থাকলে আমাকে ছুঁয়ে দেখা!

ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।

আমাদের ছেলেরা কোথায়?

- এখানে লক্ষ্য করে জিজ্ঞাসা করো। - এই।

তোমার সমস্ত পৃষ্ঠপোষকরা এখানেই আছে।

এখন বলো, তোমার ছেলেরা কোথায়।

খেলা করা বন্ধ কর।

- স্যার? - এইসব কি?

তুমি লাইভ টেলিকাস্টে গুন্ডামি করছো।

সে আমাদের ছেলেদের মেরে ফেলেছে, স্যার।

এসব বন্ধ করো।

আমি তোমাদের দুজনকে মন্ত্রী বানিয়েছি।

এখন তোমরা আমার সরকারকে ফেলার চেষ্টা করছো।

অর্জুন ইতিমধ্যেই আমাকে সমস্ত প্রমাণ পাঠিয়েছে।

প্রমাণ? কোন প্রমাণের কথা বলছেন?

কী প্রমাণ?

ভিডিও প্রমাণ।

তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের পালাতে সাহায্য করে এখন অকারণে সমস্যা সৃষ্টি করছো।

সে আমাদের বাচ্ছাদের হত্যা করেছে।

তোমাদের দুজনকেই আমার মন্ত্রীসভা থেকে বরখাস্ত করেছি।

- কি বলছেন? - গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছি।

- স্যার! - ফোন রাখো।

স্যার!

মন্ত্রীর ছেলেদের গ্রেপ্তার করেছিলেন কেন?

মন্ত্রীরা গুন্ডাদের নিয়ে থানা আক্রমণ করেছিলেন কেন, স্যার?

আমাদের কর্তব্যরত অফিসাররা এই প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

- রাবনন! - স্যার।

- স্যার। - তাদের কিছু প্রশ্ন আছে।

কি হয়েছিল, স্যার?

মন্ত্রী পরশুরামের ছেলে ভীরা এবং মন্ত্রী ড্যানিয়েলের ছেলে মাইকেলকে...

মদ্যপান করে গাড়ি চালানো এবং মাদক দ্রব্য রাখার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাদের মোবাইল ফোনে তাদের অপরাধের প্রমাণ রয়েছে।

কি ধরণের প্রমাণ?

কমিশনার সাহেব এর উত্তর দেবেন।

গানি এইসবের সাথে কিভাবে জড়িত?

- বলুন, স্যার। - বিভাগীয় সদস্যরা এর সাথে জড়িত আছে।

কি ব্যবস্থা নেবেন?

সাংবাদিক শিবুর মাথা কাটার জন্য গানি এবং তার ভাইকে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এইসব বদমাইশদের সাহায্য করার জন্য ইন্সপেক্টর রূপাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাতজন বিধায়ককে অপহরণ করা এবং তাদের পরিচিতদের হত্যা করার জন্য...

নরসিমহাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্ত্রীরা থানা আক্রমণ করেছিলেন কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিচ্ছি।

তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া প্রমাণ ধ্বংস করার জন্য,

তারা থানা আক্রমণ করেছিলেন।

অফিসে এসে কফি খাবেন, আশা করেছিলেন কি?

মন্ত্রীর ছেলেদের গ্রেপ্তার করেছিলেন তো?

কমিশনার সাহেব এই প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

মন্ত্রীর ছেলেরা কোথায়?

তারা চেয়েছিল, মিডিয়া এবং জনগন বিশ্বাস করুক, ম্যাক্স মন্ত্রীর ছেলেদের ক্ষতি করেছে।

মন্ত্রীরা এইসব সাজিয়েছিলেন।

ওই ছেলেগুলোর খোঁজ করার জন্য আমরা একটা স্পেশাল টীম বানিয়েছি।

এখন, আমার কিছু বলার আছে।

শুধুমাত্র কমিশনার স্যারের সহযোগিতার কারণে...

থানার সবাই আজকের সূর্যোদয়...

দেখার জন্য বেঁচে আছি। আমি তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

তিনি একজন ভালো নেতা।

আপনার রাজনীতিতে আসা উচিৎ, স্যার।

ভেবো না, সব শেষ হয়ে গেছে।

তোমাকে তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে।

আমিও তদন্তের অপেক্ষায় আছি।

ছেলেগুলোর ফোনের ভিডিওতে, আপনার জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি।

এখন, সেগুলো আমার কাছেই আছে।

কমিশনার এবং ইন্সপেক্টর অর্জুন এই বিবৃতি দিয়েছেন।

মন্ত্রী পরশুরাম এবং ড্যানিয়েল এবং তাদের সহচর নরসিমহা...

হ্যালো, স্যার। এখানে ড্রাইভারকে সারেন্ডার করাতে নিয়ে এসেছি।

সর্বত্র আগুন ধরে গিয়েছিল।

অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যাসিড লরি ছিল। প্লিজ, ছেড়ে দিন, স্যার।

- কী ব্যাপার? - গতকাল একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতালে একজনের চিকিৎসা চলছে।

ড্রাইভার নিখোঁজ ছিল।

সেই কারণে আমরা লরিটাকে বাজেয়াপ্ত করি।

একটা ভুল করে ফেলেছে, স্যার।

লরিটা এখন ছাড়লে, ডেলিভারি দিতে দুই দিন লাগবে।

দয়া করে ছেড়ে দিন, স্যার।

জগদীশ, লরিটা ছেড়ে দাও।

- আমার মন পাল্টাবার আগেই নিয়ে যাও। - স্যার।

আমার সাথে এসো।

ধন্যবাদ, আরতি। তোমাকে পরে পাঠিয়ে দেবো।

স্যার…

লাশগুলোর কি হল, স্যার?

কোন লাশগুলোর?

ছেলেগুলোর লাশ, স্যার।

কোন ছেলেগুলো?

মন্ত্রীর ছেলেগুলো, স্যার।

কোন মন্ত্রী, রাবনন?

ঠিক আছে, স্যার।

বুঝতে পেরেছি। দিন ভালো কাটুক, স্যার।

- কেমন আছো? - আমি ভুল করেছিলাম।

দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন।

ঠিক আছে।

বাচ্ছাটা ভালো আছে।

যদি সামান্যতম দেরী হত,

সে বাঁচতো না।

হারামজাদাগুলো তার উপর ভয়ানক অত্যাচার করেছিল।

আমারও একটা মেয়ে আছে।

তার বাবা মায়ের মুখ দেখে সহ্য করতে পারছি না।

তুমি সত্যিই নায়ক, ভাই।

বাচ্ছাটা কোথায়?

ইনি অর্জুন, স্যার।

কেমন আছো, সোনা?

তাদের...

ছাড়বেন না, কাকা।

খুব ব্যথা করছে।

তাদের সাথে কি করা উচিৎ?

তাদের জ্বালিয়ে দিন, কাকা।

সাবটাইটেল ভালো লাগলে সাবসোর্সে রেটিং এবং ফিডব্যাক দেবেন। সবাই ভালো থাকবেন।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.