Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
সমুদ্র।
এই মহাসাগরের গভীরে মিশে আছে আমার সমস্ত অনুভূতি।
জলের উপর প্রতিফলিত অসংখ্য ছবির মতো, উঁকি দেয় আমার স্মৃতিগুলো।
Translated By HABIB SIAM HASAN SHUVO MR.X
এই সমুদ্র আর বিশাল আকাশের মাঝে যে দূরত্ব,
ঠিক তেমনই দূরত্ব রয়েছে আমার আর তার মাঝে।
হ্যাঁ, চিরকালের মতো, আমার ভালোবাসার সাথে এক দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ আমি।
দেখুন।
ওই যে ও।
সন্তানের জন্য নেয়া প্রতিজ্ঞার কথা মনে আছে আমার।
ডিসেম্বরে ছুটি নিব।
তোমার কথামতো তিরুপাতিতেই ওর মাথায় টিকলি করাব।
বাবা শীঘ্রই বাড়ি ফিরে তোমাকে গান শোনাবে, বাবু।
- এখন মায়ের কথা শোনো আর ভালোভাবে থাকো। - কী?!
ফটো স্টুডিও?
মা, ফটো স্টুডিও না, ফটোশপ!
কোনো প্রকার আটা ময়দা না মেখে ওই মেয়েকে একটা ছবি দিতে বলো।
ভাগ!
এটা আপেলের মৌসুম না।
আপেলের মৌসুম এলে অবশ্যই নিয়ে যাব।
- খাবার তৈরি হয়নি, ৩০ মিনিট পর এসো। - আচ্ছা, শোনো...
বাবার খেয়াল রেখো, প্লিজ, উনি ভালো নেই।
অপেক্ষা করতে পারবে না? তাহলে বাবার পছন্দের ছেলেকেই বিয়ে করো।
এমনটাই হবে।
একটা কথা জানো?
নেট খারাপ...নেট খারাপ।
পরে কল করব।
হ্যাল...হ্যালো?
হেই, সুইটহার্ট।
মিস করছি তোমাকে।
ছোট মেয়ে অসুস্থ বললে।
সবসময় জানিয়ে রাখতে পারো না? কল দিয়ে জিজ্ঞেস করতে হবে?
এখন কেমন আছে?
- ওকে বলো, আমি শিগগিরই আসছি। - এই, মাইকেল।
- আয়...আয়। - কী?
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকুন্দ স্যার! মুকুন্দ স্যার!
মুকু--
সোলজার্স, যাও, যাও, যাও!
যাও, অস্ত্র নিয়ে এসো।
ইনকামিং নাকি আউটগোয়িং?
- মিঠুন স্যার, আমরা পারব। - হ্যাঁ।
বয়েজ, হামলাকারীদের খুঁজে বের করো, পজিশন নাও।
রেডি, রেডি!
জলদি, বেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো।
শুটার আমার ডানে।
বামেও শুটার আছে।
পূর্বদিকটা কভার করো।
- ওয়াহিদ? - ইয়েস, স্যার।
- কাউকে দেখতে পেয়েছ? - না, স্যার।
- সোর্স? - চারিদিক থেকে গুলি আসছে।
আমার বন্ধু আমার ভাই
স্যার, বাম দিকে, আউট।
মেজর মুকুন্দ আহত হয়েছেন! মেজর মুকুন্দ আহত হয়েছেন!
- স্ট্রেচার! - দুটো স্ট্রেচার নিয়ে এসো!
দু'জন স্যারই আহত হয়েছেন!
ইনকামিং ফায়ার, কাম অন। ইনকামিং বুলেট, স্টপ!
- দ্রুত! দ্রুত! - স্ট্রেচার নিয়ে এসো!
তোলো!
আস্তে, সাবধানে।
মুকুন্দ স্যার। এসে গেছি, প্রায় এসে গেছি।
স্যার, প্রায় এসে গেছি।
- স্যার? - যাও! যাও!
মেজর মুকুন্দ, মেজর মিঠুন।
কিছু হয়নি, আপনারা ঠিক হয়ে যাবেন।
এটা কী?
রক্ত না এটা।
অন্য কিছু এটা।
আমি না...আমি না, আমি কিছু করিনি।
তোমাদের নতুন কমান্ডার মেজর মুকুন্দের প্র্যাঙ্ক ছিল এটা।
প্র্যাঙ্ক?
প্র্যাঙ্ক ছিল না, স্যার।
প্র্যাকটিস ড্রিল।
তব্দা খেয়ে আছ কেন?
তোমাদের সুবিধা অনুযায়ী উগ্রবাদীরা হামলা করবে না।
অঘোষিত আক্রমণের ক্ষেত্রে এই বেজ খুবই দূর্বল।
তাই সতর্ক থাকবে, সবসময় প্রস্তুত থাকবে।
প্রতিটা পোস্টে ছয়জন থাকার পরও কেউ পাহারা দিচ্ছিলো না কেন?
ফেন্সিংয়ে এতো সমস্যা কেন? স্যান্ডব্যাগ মাটিতে পড়ে আছে কেন?
স্যান্ডব্যাগ, ধেয়ে আসা বুলেট থেকে বাঁচার জন্য।
- হাবিলদার পালানি। - স্যার।
- এলার্ম কাজ করেনি কেন? - স্যরি, স্যার।
জ্যোতি, ম্যাগাজিন বদলাতে এতো সময় লাগলো কেন?
দুই সেকেন্ড, প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য হাতে শুধু দুই সেকেন্ড সময় থাকবে।
এজন্যই আমরা QRT
কুইক রেসপন্স টিম।
গেট গার্ড, সবসময় বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরবে।
আর তুমি, শুধু বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরলেই হবে না।
মাথায় পটকাও পরতে হবে।
একজন সৈনিকের
ছোট্ট একটা ভুল পুরো টিমকে শেষ করে ফেলতে পারে।
শুধু আমরা আর.আর সেনারা-ই কেন
লম্বা চুল, দাড়ি রাখতে পারি, নিয়ম-নীতি নেই কেন?
কেবল জনগণের সাথে মিশে যাওয়ার জন্যে না...
যাতে সময় নষ্ট না হয় তার জন্য।
আমাদের সময়, চিন্তা-ভাবনা হবে কেবল সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করার ব্যাপারে।
স্ত্রী, সন্তান, খাবার, ঘুম সব পরের ব্যাপার।
নিজের জীবন ঝুঁকিতে থাকলেও, ভাইদের জীবনের জন্য তুমিই দায়বদ্ধ থাকবে।
একটা ভুলও করবে না।
- ওয়াহিদ? - জি, স্যার।
- স্ট্রেচারের কাজটা ভালো করেছ। - ধন্যবাদ, স্যার।
- শংকর? - স্যার?
- সেরা। - ধন্যবাদ, স্যার।
আর সন্ত্রাসীরা বিক্রমের মতো এতো ভেবে গুলি চালাবে না!
বিক্রম, এসো!
এখন বলো, কে আমরা?
রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
আমরা কারা?
রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
মজা পেয়েছ?
বিক্রম, ভাই।
এতো নিখুঁত!
মুকুন্দ স্যার, ভাই আমার।
আপনার পেয়ারের রাইফেলম্যান।
কোনো ভুল ছাড়াই প্ল্যান সফল করতে পেরেছ।
আচ্ছা, এখন হবে আসল প্র্যাঙ্ক।
শুভ জন্মদিন, মিঠুন স্যার!
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!
মুকুন্দ স্যার, কমান্ডিং অফিসার ফোন করেছেন, স্যার।
হ্যাপি বার্থডে…
- স্যার, মুকুন্দ বলছি। - ম্যাডি।
পার্লামেন্ট অ্যাটাকে অভিযুক্ত আফজাল গুরু আর নেই।
আজ সকালে ফাঁসি হয়েছে।
পার্লামেন্ট অ্যাটাকে অভিযুক্ত আফজাল গুরুর ফাঁসি আজ তিহার জেলে সম্পন্ন হয়েছে।
- স্যার। - হাজারও--
জইশে মোহাম্মদ কমান্ডার আর বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ওর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আসবে।
তোমার লক্ষ্য আলতাফ বাবাও আসতে পারে।
ধন্যবাদ, স্যার।
- ওয়াহিদ? - স্যার।
ওয়াচম্যানকে বলো স্পটে আসতে।
- আজই সেই দিন। - কপি, স্যার।
বার্থডে বয়।
আজ হয়তো শ্রেষ্ঠ উপহারটা পেতে চলেছেন।
আলতাফ বাবা?
শহীদ আফজাল গুরু।
ম্যাডি টু স্কাউট ১, ২।
- স্যার। - টার্গেটকে দেখা গেছে?
- না, স্যার। - নজর রাখো।
রজার, স্যার।
টার্গেট স্পটেড। আলতাফ বাবা বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে।
আবার বলছি, আলতাফ বাবা বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে।
আলতাফ বাবা আর আব্বাস নাঙ্গারু দ্বিতীয় গাড়িতে আছে।
সেনাবাহিনী!
টার্গেট দ্বিতীয় গাড়িতে আছে।
পেছনে যাও, পেছনে যাও, জলদি!
সেনাবাহিনী!
সেনাবাহিনী!
সেনাবাহিনী!
জলদি পেছোও!
ফোর্স, কাম অন!
পাথর নিক্ষেপকারীরা এগোচ্ছে, স্যার।
- আলতাফ বাবা পালাচ্ছে, স্যার! - পেছোও, পেছোও!
পেছান, স্যার!
গুলি করবে না, এরা আম জনতা।
গুলি করবে না!
- মাইকেল, সিআরপিএফ আর জেকে পুলিশকে খবর দাও! - পেছোও!
- চলো! - সবাই পেছোও!
গাড়িটাকে ঘিরে রাখ।
বেরিয়ে আমার সাথে আসুন।
বাবা, জলদি আসুন!
আসুন, দ্রুত!
আলতাফ বাবা পালাচ্ছে!
কিছুই করার নেই, ওয়াহিদ! ঘাঁটিতে ফিরে চলো।
অপারেশন স্থগিত হয়েছে, ঘাঁটিতে ফিরে চলো।
আবার বলছি, ঘাঁটিতে ফিরে চলো।
আমরা কী চাই?
স্বাধীনতা!
আমরা কী চাই?
- স্বাধীনতা! - আমরা কী চাই?
পেছন দিকে যান, ওখানে গাড়ি অপেক্ষা করছে।
আলতাফ ভাই!
আমি মোহাম্মদ লতিফ।
আপনি আমার নায়ক, আমার গুরু।
লতিফ, আব্বাস নাঙ্গারুকে ডাকো, কেমন?
- ঠিক আছে, ভাই। - সাবাশ।
যাও, দ্রুত।
লতিফ, তুমি বর্ডার পার করে চলে যাও, চলো আব্বাস।
- চলো! - ৯ ফেব্রুয়ারির এই দাঙ্গায়,
ভারতীয় সেনা কর্মকর্তাদেরকে চারিদিক দিয়ে...
কাশ্মিরের সোপোর জেলার পাথর নিক্ষেপকারীরা ঘেরাও করে রেখেছিল।
পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় জেকে পুলিশ আসে এবং...
টিয়ার গ্যাস মেরে ভীড় কমিয়ে দেয়।
আবার মিস করলাম ওকে।
- আলতাফ বাবা! - স্যার, হতাশ হবেন না।
আজ এখানে আমার শেষ দিন।
কিন্তু আমার বদলে আপনি থাকায় আমি খুশী।
আমার আশা ভরসা সব আপনার ওপর।
অবশ্যই, স্যার।
স্মাইল, স্যার।
মেজর মুকুন্দ।
ওখানকার অনেক বড় একজন কমান্ডার হলেও
আমার কাছে…
সবসময় একজন বাচ্চা হয়েই থাকবে।
আমাদের ছোট ভাইয়ের নাম কী, বাবা?
বাচ্চার নাম...
মুকুন্দ।
মুকুন্দ সোনা।
মুকুন্দ।
Edited By H A S A N S H U V O (M R. X)
যদিও মুকুন্দের জন্মের ঠিক সাত মাস পর আমার জন্ম।
কিন্তু ওর দেখা পেতে ২১ বছর সময় লেগে যায়।
মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ।
আমি আজীবন এই কলেজের কাছে ঋণী হয়ে থাকব।
কারণ এই কলেজই মুকুন্দকে আমার জীবনে নিয়ে আসে।
বিজয়ী হলেন...
এমএ কমিউনিকেশন।
বাহ! দারুণ!
- আমি? - যা! যা!
- যা। - অভিনন্দন।
- শুভ কামনা। - ধন্যবাদ।
আচ্ছা, যাও যাও।
তুমি!
এদিকে এসো তো।
তোমাকে নিয়ে জিপমার আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় যাব।
র্যাম্প ওয়াক কম্পিটিশন।
- হায়হায়! র্যাম্প? - হ্যাঁ।
ম্যাম আমি র্যাম্প ওয়াক জানি না।
স্টেজ ভীতি আছে আমার। আমাকে এসবে জড়াবেন না, ম্যাম।
- রঞ্জিত, ওকে ছেলেদের কাছে নিয়ে যাও। - অবশ্যই ম্যাম।
ওয়ান, টু, থ্রি, ফোর।
- মুকুন্দ। - কী?
ম্যাম স্টেলার বদলে জুনিয়র এক মেয়েকে সিলেক্ট করে পাঠিয়েছে।
সেবারই ছিল মুকুন্দের সাথে প্রথম দেখা।
মডেল?
- কোথায়? - এই তো
চেক শার্ট পরা ভাইটা!
কী?
গেয়ো ভূতের মতো লাগছে আর তুই মডেল বলছিস!
এই! দাঁড়া!
- স্টেলা কোথায়? - অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।
ওকে প্রথম দেখার সেই অভিব্যক্তিটা মনের মাঝে গেঁথে রেখেছিলাম।
এতো রূঢ় কেউ হতে পারে?
ম্যামকে বলেছিলাম আমি সঠিক চয়েস না, চেটা (ভাইয়া)।
- ম্যাম বলেছে-- - "চেটা"?
- কষে চড় মারব। - আপনি আমার সিনিয়র না?
সম্মান দেখিয়েই বললাম।
- নাম কী? - ইন্দু।
ইন্দু রেবেকা ভার্গিস।
- এ কেমন নতুন ফ্যাশন? - এটা ফ্যাশন না, চেটা।
আমার ভাইয়ের শার্ট, চেটা।
- চেটা বলা বন্ধ করো! - হেই!
এমনকি আমার জুতোও...
অমনই, স্টাইলিশ দেখানোর জন্য।
চেটা, আমি তো এসবের উপযুক্ত না, তাই না?
- থিরিচি পোটে? (আমি যাই?) - ত্রিচি ফিরে যাবে?
প্রতিযোগিতা তো পন্ডিচেরিতে, না?
তা বলিনি, ভাইয়া।
চিত্রাঙ্কন বা গল্প বলার প্রতিযোগিতা... এসব হয় না এখানে?
আল্পনা ভালো আঁকতে পারি আমি।
ট্যাটুও বানাতে পারি।
কিন্তু স্টেজে উঠতে...
একটু ভয় কাজ করে আমার।
এই মামুট্টি।
স্টেজ ভীতি দূর করার জন্য,
স্টেজে উঠতে হবে।
এসো।
আচ্ছা, আমি এক এক করে শুনছি।
Hey, girl! Flash of lightning!
Hey, girl! Flash of lightning Silver streak brightening
In my eyes, sweet as nectar In my heart, my honey forever
বিজয়ী হলেন...
- মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ! - Sweet sugar, my sweetener
Lovingly, teasing me gently This quiet flirts with me
Love or friendship? Superlative humane kinship?
A nameless magic for sure Even this question gives me pleasure!
- My sweet sugar, my sweetener - চেটা।
এই! অভিনন্দন।
- ধন্যবাদ। - বসো।
মদ খান না, চেটা?
পন্ডিচেরির সুনাম কেরালাতেও আছে।
তাই বললাম।
এসএসবি পরীক্ষা আছে সামনে।
এসএসবি?
এটা কোস কোর্স?
সার্ভিসেস সিলেকশন বোর্ড।
আর্মি সিলেকশন।
ওহ! আর্মি?
আপনি সেনা পরিবারের?
আমার পরিবারের সাথে আর্মির কোনো সম্পর্ক নেই।
আসলে, মা চায় না আমি আর্মিতে জয়েন করি।
আমার একমাত্র ছেলে হয়ে তুই আর্মিতে যেতে চাস?
এই দিন দেখার জন্য এতো কষ্ট করে আদর যত্ন দিয়ে বড় করেছি?
বাবার কোনো সমস্যা নেই।
মুকুন্দ, তুই মনের কথা শোন।
আমার দুই বোনই ইন্সুরেন্স এজেন্ট।
আমি রাতে একটা বিপিও-তে চাকরি করি আর--
তাহলে আর্মির প্রতি ভালোবাসা কেন?
ক্লাস ফাইভে থাকতে,
অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমিতে ফিল্ড ট্রিপে নিয়ে গিয়েছিল।
যারা আর্মিতে যেতে চায় তাদের প্রথম ট্রেনিং ভেন্যু ওটাই।
প্যারেড মিউজিক…
জলপাই সবুজ পোশাক, রাইফেল…
সেই আত্মবিশ্বাস, সেই ভঙ্গি।
ওসব দেখেই আর্মির প্রতি মুগ্ধতা এসে গেল।
সেদিনই ঠিক করেছিলাম, ইন্ডিয়ান আর্মিতে যোগ দেব।
তখন থেকে শুধু আর্মি রিলেটেড সিনেমাই দেখতাম...
- বিরক্ত হচ্ছো না তো? - আরে না।
- একদমই না। - স্যরি।
আমি শুনতে চাই।
পঞ্চম শ্রেণিতেই আপনার লক্ষ্য এত দৃঢ় ছিল?
আমি তো এখনো জানি না ভবিষ্যতে কী করব।
আসলে, SSB পরীক্ষাটা খুব কঠিন।
যেভাবেই হোক, টিকতেই হবে।
আপনার মতো মেধাবী টিকবে না, তা কী করে সম্ভব?
আপনিই তো আমাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে র্যাম্পে হাঁটতে শিখিয়েছেন।
আপনি অবশ্যই পাশ করবেন।
আমার মা তো বরং সবসময় প্রার্থনা করে, যেন আমি আর্মির পরীক্ষায় ফেল করি।
- যেন সিলেক্টেড না হই। - তাই?
চিন্তা করবেন না।
আমি আপনার জন্য দোয়া করব।
আচ্ছা, আপনার প্রিয় দেবতা কে?
সাবারিমালা?
ভগবান আয়্যাপ্পা।
তাও কেরালাতে।
ইন্দু, বাস ছেড়ে দিচ্ছে।
- চলো। - আসছি।
- দেখা হবে। - আরেকটু থাকো।
আসলে, তোমায় আজ একটু বেশিই সুন্দর লাগছে।
র্যাম্পে আত্মবিশ্বাসী ছিলে।
মিথ্যে বলবেন না!
মিথ্যুক।
- সত্যি বলছি? - তাই?
সবাই বলেছে, আপনি না-কি সুপারমডেল।
কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার সাথে হাঁটেননি।
সেই স্মরণীয় রাত।
সেই সাগরতট।
আমাদের অপূর্ব বন্ধনের সূচনা।
Let us live life to the fullest Together in a quiet quest
Like gentle drizzles spraying the sea
Let us sprinkle bountifully Doing so, enjoy life fully
দেখা হবে।
দাঁড়াও।
- বাই, মুকুন্দ চেটা। - আবার?
আবার চেটা বললে!
কেরালায় শুধু ভাইদের চেটা ডাকে না।
আমার মা-ও বাবাকে এটাই ডাকে।
হেই!
হেই! মামু...
মুকুন্দ।
Hey, girl! Flash of lightning Silver streak enlightening
In my eyes, sweet as nectar In my heart, my honey forever
In the atrium of my heart, within me
হ্যালো?
এটা আমার নাম্বার।
সেভ করে রাখো।
এখানে নেটওয়ার্ক নেই।
সেভ করে রাখব।
পরে ফোন করব।
Love or friendship? Superlative humane kinship?
A nameless magic for sure Even this question gives me pleasure!
My whole life is changing so Is this the world I know?
Sugar so sweet A honeyed feast
পরম বীর চক্র আর অশোক চক্রের মধ্যে পার্থক্য কী?
এমন একজন সৈনিকের কথা বলুন যিনি বীরত্বের জন্য পদক পেয়েছে।
মেজর এম. সারাভানানান, ত্রিচি থেকে, স্যার।
রামেশ্বরমের বাসিন্দা। কারগিল যুদ্ধের বীর।
তিনি বীরত্বের জন্য বীর চক্র পদক পেয়েছিলেন, স্যার।
যদি আপনাকে সেনাবাহিনীতে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়,
তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রে কেমন নেতা হবেন?
স্যার, এই দাবার ছকটাও তো একটা যুদ্ধক্ষেত্র।
এখানে রাজা এক ধাপ করে এগোয়।
সে সবসময় সৈনিকদের পেছনে থাকে।
কিন্তু এটা যদি আসল যুদ্ধক্ষেত্র হতো আর আমি নেতা হতাম...
তাহলে আমি সামনের সারির প্রথম সৈনিক হতাম, স্যার।
- হ্যালো? - ইন্দু, আমি সিলেক্ট হয়েছি।
আমি সিলেক্ট হয়েছি, ইন্দু। আমি পাশ করেছি।
সাক্ষাৎকার পর্বটা সবচেয়ে কঠিন ছিল।
সেটাই উতরে গেছি!
ইন্দু, তুমি কি মন্দিরে?
একটা কথা বলব?
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আই লাভ ইউ, ইন্দু।
মুকুন্দ, এখানে এসো।
এসে তারপর বলো।
- ইন্দু। - হাই।
- হাই। - বাবা, ও ইন্দু।
মা, এই মেয়েটাকে আমি ভালোবাসি।
আমার গার্লফ্রেন্ড।
নমস্কার, আন্টি।
- কী নাম তোমার? - ইন্দু।
শুধু ইন্দু, কিন্তু তুমি তো খ্রিস্টান।
- তাই না? - মা!
- ইন্দু… - মুখে কি কিছুই আটকায় না, মা?
- বসো প্লিজ। - বেহায়ার মতো গার্লফ্রেন্ড হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিস!
- মা, এখন থেকে যিশু আমাদেরও ঈশ্বর। - চুপ কর!
আন্টি, একটু জল দেবেন?
এভাবেই কথা বলবে আমার সাথে?
হ্যাঁ? বড়দের সাথে কীভাবে কথা বলতে হয় শেখোনি?
আমি ওভাবে বলিনি।
মা, সে মালায়ালি। তাদের ভাষায় বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান জানানোর বিশেষ উপসর্গ নেই।
কেরালায় মালায়ালি? এটাও বাকি ছিল?
এ থেকে কী শিখলি?
শুধু তামিল ভাষাতেই সম্মান দেওয়া হয়।
আমি জল এনে দিচ্ছি।
নিথ্যিয়া, গতকাল তোদের সবার কুষ্ঠী আমাদের পারিবারিক জ্যোতিষীর কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম।
মনে হচ্ছে, আমাদের মুকুন্দ দুটো বিয়ে করবে।
তার গ্রহগুলোর অবস্থানই এমন।
ভাগ্যের রেখাই যদি বলে, একজন স্ত্রী হবে প্রেমের জন্য আর আরেকজন পরিবারের জন্য...
তাহলে আমরা কী করতে পারি?
- হেই… - নিথ্যিয়া, ইন্দু মেয়েটাকে এখানে পাঠা।
- যাও। - এখানে এসো।
সে আমার ছোট সন্তান।
তার উপর ছেলে। খুব আদর-যত্নে বড় করেছি।
তাই সবকিছুই খেলা হিসেবে নেয়।
কিন্তু আমিও তো একজন নারী, তাই না?
সবকিছু জেনে শুনেও কীভাবে এটা তোমার কাছে লুকাব?
সে চলে যাবে।
আর্মিতে।
তুমি কি এখানে একা থাকতে পারবে?
কারগিল, কাশ্মীর, চীন...
হ্যান ত্যান!
তোমার মনে হয়, সে তোমাকে নিয়ে যাবে?
এটা মাথায় ঢুকিয়ে নাও। সে তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।
দাঁড়াও।
এটা নিয়ে যাও।
মুকুন্দ, SSB-তে তো টিকে গেছিস।
পরবর্তী ধাপ কী?
ট্রেনিং অ্যাকাডেমি, বাবা।
- ঊনপঞ্চাশ সপ্তাহের কোর্স। - খুব ভালো।
আমাকে সেখানে খেতে, ঘুমাতে এবং থাকতে হবে।
পারাঙ্গিমালাই কাছেই। চালাকি করিস না!
প্রতিদিন বাড়ি আসবি।
বাজে বোকো না তো, মা।
এগুলো আর্মির নিয়ম।
এ জন্যই তো আর্মির চাকরি আমার একদম পছন্দ না।
মা!
ঊনপঞ্চাশ সপ্তাহ?
এক বছরে তো মাত্র ৫২ সপ্তাহ।
- মাঝখানে ছুটি নিতে পারবে না? - পারব।
প্রতি রোববারই ছুটি।
কিন্তু আসতে পারব না।
অতিথিদের যাওয়ার অনুমতি আছে।
আমি রোজি ম্যাথিউ ভার্গিস।
আপনাদের ট্রেনিং কমান্ডার।
আর্মিতে শৃঙ্খলাই শেষ কথা।
ইয়েস, স্যার।
কোম্পানি, দৌড়োবে!
এই পি হিল সাত কি.মি. দৌড়ের পথ।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে না পারলে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- সবাই প্রস্তুত তো? - ইয়েস, স্যার।
হেই, ইউসুফ।
ওঠো, ওঠো!
ওঠো, ওঠো!
ইউসুফ পড়ে গিয়েছিল, স্যার।
ওকে সাহায্য করতে হয়েছিল।
সাবাশ!
এটাই ভারতীয় সেনাবাহিনীর আদর্শ ও চেতনা।
নিরাপত্তা।
সম্মান।
আর দেশের কল্যাণই সর্বপ্রথম।
এরপর আসে
বন্ধুদের নিরাপত্তা, সম্মান, এবং কল্যাণ।
সবশেষে নিজের নিরাপত্তা।
সবসময় এবং প্রত্যেকবার।
এখন প্রশংসা করো জেন্টলম্যান ক্যাডেট মুকুন্দের।
স্যার।
- মুকুন্দ। - মামুট্টি।
কেমন আছো?
কী করি বলো তো? সবসময় শুধু তোমার কথাই মনে পড়ে।
একটা সপ্তাহ কী করে এত লম্বা হতে পারে--
- কী হলো? - ওই পেপারটা আনো।
- কে উনি? - শক্ত করে ধরো।
জোর বাঁচা বাঁচলাম!
এভাবে ধরে থাকতে পারবে?
আরে রে!
আমি আর পারছি না, ডিয়ার।
আর্মিকে হালকাভাবে নিয়েছিলাম।
প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা…
জীবনটা তেজপাতা বানিয়ে দিলো!
পুরো শরীর ব্যথায় ভরে গেছে।
এভাবে একটু মাথা রাখতে দেবে?
একটু ঘুমোতে দাও।
- এখানেই আমরা থাকি। - ওহ! তাই না-কি?
ঠিক আছে।
হায় ঈশ্বর!
আমি দেখছি।
এটাই কি সেই ট্রেনিং, যেটা নিয়ে এত গর্ব করেছিলি?
- মা! - ওহ ঈশ্বর! আন্টি।
তুমি কি সপ্তাহান্তে বাড়ি যাবে না?
সোজা আমার ছেলের কাছে চলে আসবে?
না, না আন্টি।
- আমি তো শুধু… - কেন এসেছ?
- মা! - সব দোষ তোর!
এটা আমাদের বাড়ি না।
অফিসাররা শুনে ফেলতে পারে।
কীভাবে এক সপ্তাহেই এতটা শুকিয়ে গেছিস, বাবা?
গায়ের রংও পুড়ে গেছে।
- ছায়ায় খেলতে পারিস না? - মা!
তুমি কি ভাবছো আমরা খেলি?
আমি ঘরের রান্না করা খাবার এনেছি।
তুমিও এসো।
তোমার রান্নাকে কত অবহেলা করতাম, মা।
- এখন এর মূল্য বুঝতে পারছি। - এতদিনে বুঝলি!
ইন্দু, খেয়ে দেখো।
কী দেখছো মা?
বিয়ের পর তো ও আমাদের সাথেই থাকবে।
- ওর খেয়াল তো আমাদেরকেই রাখতে হবে, তাই না? - আচ্ছা, আদর-যত্নে রাখব!
পরিবারে কে কে আছে?
- চাকরি-বাকরি কোথায় করে? - আমি সবার ছোট।
দু'জন বড় ভাই আছে।
মা হোমমেকার।
বাবা ডাক্তার।
ইন্দু?
আমার ট্রেনিং শেষ হওয়ার আগে,
তোমার বাবা মায়ের কাছে আমাদের কথা বলবে তো?
ক্রিসমাসে সবাইকে ডেকে একটা সুন্দর পার্টি দেয়া যায়।
সবাইকে দেখিয়ে দেয়া যাক!
সোনা মা।
ছুটি কয়দিনের?
- কালই চলে যেতে হবে, বাবা। - কালই?
মোটে একদিনের জন্য এসেছিস?
দিবু, তোমাদের বাবা শুধু শো-অফ করতে করতে বলেনি।
আমাদের সমাজে, আমাদের পরিবারের জন্য মালায়ালাম ভাষার সংযোগ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
বাবা।
আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই।
কী, মা? বল।
চেন্নাইয়ে
আমার কলেজে…
তোর কলেজে?
কলেজে আমার একজন বন্ধু আছে।
আমি তাকে অনেক পছন্দ করি।
পছন্দ বলতে?
না, বাবা।
আমরা একে অপরকে ভালোবাসি।
কী?
ভালোবাসিস?
কে সে?
ফোনে ছোঁকছোঁকানি দেখেই সন্দেহ হয়েছিল।
- আহা ওকে বলতে দে। - যা মন চায় করো।
- ইন্দু, বল। - তুই বলতে থাক।
ওর নাম…
মুকুন্দ।
হে ঈশ্বর!
তামিল?
হেই!
তুই মুখটা একটু বন্ধ রাখ।
- তুই বল, মা। - ওর পরিবার খুব ভালো।
সবাই রাজিও হয়েছে।
ও এখন অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে। আর্মিতে যোগ দিতে চায়।
খুব ভালো ছেলে বাবা।
- তোমার ওকে-- - সম্ভব না, মা।
ভুলে যা ওকে।
আর তামিলনাডুতে পড়তে যাওয়ার দরকার নেই।
- বাড়িতে থাক আর নিজের সীমাটা বোঝ। - সমস্যা কী ওর?
আর কোনো চেন্নাই টেন্নাই যাওয়ার দরকার নেই, বুঝেছিস?
- বাবা। - ওর পড়াশোনা কীভাবে বন্ধ করতে পারিস?
শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
জীবনের এই মোহের জন্য তুমি আমাদের ভুলে যাবে,
না এই বিভ্রান্তিকে ভুলে যাবে— সেটা সম্পূর্ণ তোমার ব্যাপার।
- বাবা প্লিজ। - ইন্দু।
সমস্যা এটা না যে সে তামিল না মালায়ালি।
না সে হিন্দু না খ্রিস্টান।
কোনো অবস্থাতেই আমি আমার মেয়েকে আর্মির কারো সাথে বিয়ে দেবো না!
- ব্যস। - বাবা।
আন্টি স্যরি।
স্যরি। শুরু হয়ে গেছে?
দেখে মনে হচ্ছে, মুকুন্দের কোনো অনুষ্ঠানই সে মিস দেবে না!
ওই তো!
আন্টি, ২য় সারিতে।
২য় সারিতে।
কমান্ডোস, চার্জ!
প্যারেড!
ওটা মুকুন্দ? নিজের ছেলেকেই চিনতে পারছি না।
ওই যে।
একদম কাছে।
আঙুল দিয়ে দেখিও না।
মুকুন্দ! মুকুন্দ!
মুকুন্দ!
হেই, ইন্দু।
মা। বাবা।
পদবী চিহ্ন পরিয়ে দাও।
এসব কী বাবা? এটাও আমাদেরই করতে হবে?
এখানে এত অফিসার আছে। তাদের মধ্যে কাউকে পরিয়ে দিতে বলতে পারছিস না?
যেন নিজের ছেলেকে সোনার থালায় সাজিয়ে আর্মিকে উপহার দিচ্ছি!
মা…
অন্য বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখো, তারা কতটা খুশি।
- বাবা, মাকে বলো না, এটাই আর্মির নিয়ম। - গীতা, পরিয়ে দাও।
অভিনন্দন, খোকা!
স্মাইল।
- ইন্দু। - জি আঙ্কেল?
তুমিও এসো, মা।
একটা ছবি তুলে দেবেন?
হেই! এটাও কি আর্মির নিয়মের মধ্যে পড়ে?
মা, চুপ করো।
ওকে?
স্মাইল।
মা, একটু সরে দাঁড়াবে।
বাবা, একটু। শুধু আমাদের দু'জনের।
- কী করছো? - হেই! ক্লিক করো।
অভিনন্দন, লেফটেন্যান্ট মুকুন্দ।
ধন্যবাদ, মামুট্টি।
- কী ব্যাপার? - ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে ভাতা পেয়েছি।
তোমার জন্য একটা ছোট্ট উপহার কিনেছি, ইন্দু।
আমার যেখানেই পোস্টিং হোক না কেন,
এটা আমাদের ভালোবাসার স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকবে।
এটা তো শুধু এনগেজমেন্ট।
শুধু এনগেজমেন্ট?
আমি তো ভাবলাম তুমি আমায় বিয়ে করছো।
সেটা হবে তোমার বাবা জর্জ ভার্গিসের আশীর্বাদ নিয়ে।
মাঝখানে যত সমস্যাই আসুক না কেন...
আমরা সামলে নেব।
এই! তুই সত্যিই চলে যাচ্ছিস!
মা, আমি শুধু আর্মিতে যাচ্ছি।
তোকে এত কষ্ট সহ্য করে জন্ম দিয়েছি, আর্মিতে পাঠানোর জন্য?
কত যত্নে তোকে বড় করেছি।
আমাদেরই কেন এত কষ্ট সহ্য করতে হবে?
ইন্ডিয়ান আর্মিতে ১১ লাখের বেশি সৈনিক আছে।
তাদের মায়েদের কথা ভাবো। তাহলেই তুমি সাহস পাবে।
আমি কেন তাদের কথা ভাবব?
আমি সেইসব মায়েদের কথাই ভাবব
যাদের ছেলেরা সকালবেলা কাজে যায় আর সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে আসে।
যা।
- মা। - মা!
আমার সোনা মা!
ছাড়, বেচারি!
গরম গরম দোসা কোত্থেকে খাবি?
তুই ওখানে গিয়ে বলবি বাড়ির মতো মজা করে খেতে পারছিস না।
অপেক্ষা কর, ঠিক দৌড়ে বাড়ি ফিরে আসবি।
ছাড়ো তো, গীতা।
ওই যে, চলে এসেছে!
IC72861M
লেফটেন্যান্ট মুকুন্দ রিপোর্টিং, ম্যাম।
এটা আমার কমিশন নাম্বার।
- তোমাকেই প্রথম রিপোর্টিং করলাম। - আচ্ছা।
হাই, আন্টি আঙ্কেল।
- শোয়েথা, নিথ্যিয়া, কেমন আছো? - হাই।
সবাই ভালো।
- কলেজ কবে শেষ? - আগামী সপ্তাহে।
সিদ্ধান্ত নিয়েছি কলেজ শেষ হয়ে গেলেও
চেন্নাইতেই থেকে যাব।
- ত্রিভান্দ্রুমে ফিরে যাব না। - ভালো তো!
চেন্নাইতেই জবের চেষ্টা করব।
ইন্দু, এখানে থাকার প্ল্যান করলে তো আমার বাড়িতেই থাকতে পারো।
- ভালো বলেছিস। - আমার রুমেই তো থাকতে পারে, বাবা।
- আমি তো আর এখন থাকছি না। - এটাই বাকি ছিল!
- সামলে নাও না, মা। - দরকার নেই।
পেয়িং গেস্ট হিসেবে থেকে যাব।
মুকুন্দ, এক মিনিট।
মা, শুধু এক মিনিট।
তুমি কি আমার একটা কথা রাখবে?
একটু সেকেলে ব্যাপার।
কী? বলো।
অনেক পুরনো সিনেমায় দেখেছি।
আর্মির সৈনিকরা যখন সীমান্তে থাকে
তখন তাদের স্ত্রী বা প্রেমিকার ছবি মানিব্যাগে রাখে।
সময় পেলেই খুলে দেখে।
তাই আমিও পুরোনো একটা পাসপোর্ট সাইজ ছবি খুঁজে বের করেছি।
দেবো তোমাকে?
মানিব্যাগে রাখবে তুমি?
রাখব। দাও।
ভালো দেখাচ্ছে না?
হ্যাঁ।
যেতে হবে।
ওকে। বাই।
বাই! মা, বাই!
বাবা, বাই!
কী হচ্ছে বাবা? বিদাও দাও।
ঠিক আছে।
কেঁদো না, ইন্দু। আমি আর্মিতে যাচ্ছি।
দায়িত্বরত যদি আমি মারাও যাই তাও তুমি কাঁদবে না।
ঠিক আছে।
মারা গেলে কাঁদব না।
কিন্তু এখন কাঁদব।
কাঁদতে দাও আমাকে।
ইন্দু!
মা, দেখে রেখো।
মা, বাবার উপর বেশি অত্যাচার কোরো না।
বাবা, ভালো হয়ে থাকবে, মায়ের কথা শুনবে!
শোয়েথা, নিথ্যিয়া, বাই।
ইন্দু, বাই। লাভ ইউ।
ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়েছিল
আমার দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্ক।
সোলজারস!
শাড়ির আঁচলকে তোমাদের ভাষায় কী বলে?
- সারাগু, স্যার। - শাড়ি থুম্বু, স্যার।
- পাল্লু, স্যার। - মুন্দানাই, স্যার।
- আবার বলো। - মুন্দানাই, স্যার।
তাহলে এই যে সীমান্ত রেখা যেটা তোমরা পাহারা দিচ্ছ
এটা ঠিক শত্রুদের হাত থেকে নিজের মায়ের মুন্দানাই রক্ষার করারই মতো।
এবার নিজেদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে নাও।
রাইফেল হাতে নাও।
আর আজ থেকে রাইফেলই তোমার বন্ধু,
তোমার প্রেমিকা, তোমার সবকিছু।
- সবাই বুঝতে পেরেছ? - ইয়েস, স্যার।
LoC সীমান্ত। LoC বা Line of Control হলো ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ রেখা, যা জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে দুই দেশের মধ্যে কার্যত সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
তার প্রথম পোস্টিং।
ভারতের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঞ্চল।
মুকুন্দের সামরিক জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ছিল সেটা।
ওটাই ছিল তার প্রথম শত্রু হত্যার ঘটনা।
তার সহযোদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণ ছিল সেই সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের ঘটনা।
ঘটনাটা তাকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল।
ঘটনাটাকে সে ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে ফেলেছিল।
ডিউটির সময় কিছুই ব্যক্তিগত নয়।
আমাদের কাছে কর্তব্য আর দেশের সেবা করাই সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ।
- বুঝতে পেরেছ? - ইয়েস, স্যার।
লোড।
ফায়ার!
ভাবতাম কোনো টিভি অনুষ্ঠানে যাব,
আর ছেলের জন্য উপযুক্ত পাত্রী খুঁজে বের করব।
কিন্তু সে নিজেই নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে নিলো।
আমার দুই মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গেছে।
ভেবেছিলাম, বিয়ের পর এসব আলোচনা করব।
কিন্তু আপনি তো আগে থেকেই এগিয়ে এসেছেন।
আপনারা কথা বলুন, আমি ততক্ষণে একটু কফি নিয়ে আসি।
না, না, ধন্যবাদ।
আপনিও এখানে থাকুন।
আমার মেয়ে আর আপনার ছেলের মধ্যেকার সম্পর্কটা
আমার ভালো লাগেনি। আমার মেয়ে এখনও খুব ছোট।
নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ম্যাচিওরড সে হয়নি।
এমনকি আপনার ছেলেও না।
আমার ছেলে যথেষ্ট ম্যাচিওরড।
সে ইন্ডিয়ান আর্মির সদস্য।
সে-ই আমাদের দুই মেয়ের বিয়ের দায়িত্বটা নিয়েছে।
আমি তার সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করি না।
হ্যালো, স্যার! আমার বোন ২০০৬ সালে কলেজ শেষ করেছে।
এখন ২০০৮।
এই দুই বছর ধরে সে ত্রিবান্দ্রুমে আসেনি, উল্টো চেন্নাইয়ে চাকরি করছে।
- মনে হয় না, আপনার ছেলে ওকে প্রভাবিত করেছে? - দাঁড়া! দাঁড়া!
আপনাকে খুলেই বলি তাহলে।
আমার ধর্ম হয়তো আলাদা। হয়তো ভিন্ন রাজ্যের মানুষ।
কিন্তু এ সমস্ত কিছুর ঊর্ধ্বে,
আমি আমার মেয়েকে কোনো সামরিক পেশার ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাই না।
ইন্দুর এখানে আসাটা ঠিক হবে না।
সবাই মিলে তার ব্রেইনওয়াশ করবে।
এটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না, স্যার।
এই মুহূর্তে আপনারা আমার অতিথি। আমি কি ভালো ব্যবহার করছি না?
ইন্দু তো আমাদের ঘরের মেয়ের মতো, স্যার।
আর সে আসবেই বা কেন?
সে তখনই আসে, যখন মুকুন্দ এখানে আসে। ব্যস।
আন্টি, এক কাপ কফি দেবে?
হেই!
চেন্নাইয়ে চাকরি করতে আসার কারণ তাহলে এটাই!
বাবা, এখন বুঝতে পারছো তো, সে যে প্রতারক?
গত দু'বছর ধরে আমাদের ঠকিয়ে আসছে।
- তুমি বেরিয়ে কেন এলে? - ইন্দু, বেরিয়ে আয়।
দেখুন, আপনারা ভুল ভাবছেন।
এই, তোরাও ওঠ।
এখানে থাকিস তুই?
স্যরি, বাবা।
শুরু করো।
এতবার বলার পরও তুই বুঝবি না?
- মা, এক মিনিট। - কী ব্যাপার?
- কথার উত্তর দিয়ে তারপর যা। - হ্যালো, ইন্দু।
- মুকুন্দ। - হ্যালো, ইন্দু।
- জানো কতবার ফোন করেছি তোমাকে? - কী হয়েছে, ইন্দু?
যেখানে হিন্দু-খ্রিষ্টান নিয়েও কেউ আপত্তি করে না, সেখানে আর্মিতে কী সমস্যা?
তোমার বাবা আমার বাড়িতে গিয়ে ওভাবে কথা বলেছে কেন?
- ইন্দু, কার সাথে কথা বলছিস? - হ্যালো!
আর্মি আমার কাছে শুধু পেশা নয়।
- আমার জীবনও! - সে কি আমি জানি না?
- দরজা খোল ইন্দু। - একটু ধৈর্য ধরো, প্লিজ।
যথেষ্ট ধৈর্যশীল আছি আমি!
তোমার বাবা আমার ট্রেনিং অ্যাকাডেমির প্রশিক্ষক ভার্গিসের সাথে কথা বলেছে,
বলেছে আমাকে শাসন করতে।
- আমি অত্যন্ত দুঃখিত। - হেই।
- দরজা খোল। - কোনো সমস্যা হয়নি তো?
এ সম্পর্ক আর রাখার মানে নেই, ইন্দু।
আমি কোনো আশা দেখছি না।
- ব্রেক আপই ভালো। - কী বললে?
ব্রেক আপ?
- কী বলছো তুমি? - ভেতরে কী করছিস, ইন্দু?
আসছি তো, মা।
কখন?
মুকুন্দ, তুমি তো প্রথম থেকেই জানতে, তাই না?
- যে বিষয়টা সহজ হবে না। - জর্জ!
- জর্জ! - হ্যাঁ?
এক বছরের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে।
আরো এক বছর? ইতোমধ্যে চার বছর হয়ে গেছে।
- কী হয়েছে? - দেখো না, দরজা খুলছে না।
কী?
ইন্দু।
এত বছরে যে বদলায়নি তাকে এক বছরে কীভাবে বদলাবে তুমি?
- ইন্দু, দরজা খোল। - মুকুন্দ, শোনো।
এখানে যে হইচই হচ্ছে, সেটা কি শুনতে পাচ্ছো না?
- সোনা মা। - দরজাটা খোল!
- দয়া করে আমার সাথে ঝগড়া কোরো না। - দরজা খোল, ইন্দু!
- খোল বলছি। - আমি ওদের বোঝানোর চেষ্টা করব।
আমাকে কে বোঝাবে?
যত্তসব! আবার বলছো ঝগড়া না করতে!
- কী হয়েছে? - ডেকে দেখ তো।
ইন্দু, দরজা খোল।
আর্মিকে যে সম্মান করে না তার কাছে হাতজোড় করতে পারব না।
তোমাকে করতে হবে না। আমি করব।
ইন্দু, দরজা খোল।
এক মিনিট মুকুন্দ, প্লিজ।
আমার উপর রাগ কোরো না।
একটু আমার কথাটা শোনো, প্লিজ।
আমি আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি, ইন্দু। ফোন রাখো।
ফয়সালা এখনই হয়ে যাক।
এক্ষুণি।
তোমার বলা শেষ হয়েছে?
আমি কি একটু বলতে পারি?
প্রত্যেকটা সম্পর্কেই একজন একটু বেশিই ভালোবাসে।
সেই মানুষটাই বেশি যন্ত্রণা ভোগ করে।
সেই মানুষটাই সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করে।
তুমি তোমার কাজ করো।
- এদিকটা আমাকে সামলাতে দাও। - ইন্দু!
কথা শোন, ইন্দু।
- হ্যালো? - বেরিয়ে আয়।
- শুনছো? - ইন্দু!
দরজা খোল, মা।
হ্যালো?
ইন্দু, দরজা খোল।
খোল বলছি!
- ইন্দু! - দরজা খোল, মা!
ইন্দু, প্লিজ…
- চিন্তা হচ্ছে আমাদের। - দরজাটা খোল, ইন্দু।
দরজাটা খোল!
খোল বলছি!
ইন্দু!
ইন্দু!
- বেরিয়ে আয়, ইন্দু। - কথা কানে যাচ্ছে না না-কি?
- শুনতে পাচ্ছিস না? - দরজাটা খোল!
- ইন্দু, দরজা খোল। - ইন্দু!
ইন্দু?
এই, দাঁড়া বলছি।
- ভেতরে কী করছিলি? - মা!
ফোনে কথা বলছিলি, তাই না?
আমরা এদিকে চিন্তায় মরছিলাম, আর তুই ফোনে কথা বলছিলি?
হ্যাঁ।
আমাদের মনের বিয়ে হয়ে গেছে মা।
আমি গর্বিত, সে একজন সেনা কর্মকর্তা
আর আমি একজন সেনা পত্নী।
এটা ওর আর্মি কমিশন নাম্বার।
ট্যাটুও করিয়েছিস?
এসবের মানে কী?
তার স্ত্রী হতে গেলে ও বাড়িতে গিয়ে থাকার প্রয়োজন নেই।
এ বাড়িতে থেকেও সেটা সম্ভব!
আমায় ক্ষমা কোরো, বাবা।
O clock, ticking in a hurry I'm not my usual me
Will you move your hand a bit slowly?
In a distraught dream filled with woe Love melted into waves of sorrow
Shall I tell you a story?
Without a satisfactory epilogue?
Shall I bid goodbye sadly?
Submerged in your memory
হ্যালো, আঙ্কেল।
আন্টি, আমি মুকুন্দ।
মুকুন্দ, তাই তো?
- হাই, আমি অ্যান্ড্রুস। - হ্যালো!
- আমাদের বড় ভাই দিবু। - হাই।
মুখ ভার করে থেকো না, হাসো।
- এ-ই তাহলে সেই ছেলে? - চুপ করো!
- এখানে কী মনে করে? - দিবু, এদিকে আয়।
- বেরিয়ে যাও! - মাথা গরম কোরো না!
- ব্রো, সামলে! - ঝামেলা কোরো না!
চলো এখান থেকে।
- বাদ দাও! - তুই…
যা ঘটে গেল তার জন্যে স্যরি।
তো?
বলো।
আপনি ইন্দুকে যতটা ভালোবাসেন
ধরে নিন আমি তার থেকেও বেশি ভালোবাসি।
সত্যি বলছি, অনেক ভালোবাসি ওকে।
কিন্তু আপনার আর্মি পছন্দ নয়, তাই তো?
আপনার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না, আঙ্কেল।
মুকুন্দ,
আর্মিদের জীবনটা যে কতটা কঠিন, সেটা তুমি জানো না।
এমনকি আমার মেয়েও জানে না।
বিয়ের আগে
আমি কিছুদিন আর্মিতে কাটিয়েছি
একজন ডাক্তার হিসেবে।
একদম যুদ্ধক্ষেত্রে।
সেখানে কেবল...
যন্ত্রণা আর মৃত্যু দেখেছি।
আমার মেয়েটাকেই দেখো
কেমন হাসিখুশি, প্রাণচঞ্চল একটা মেয়ে ছিল।
আর এখন কারো সাথে কথা বলে না।
কিছু শেয়ার করে না।
আমরা এখানে ক্রিসমাস উদযাপন করছি।
অথচ সে এতে অংশ নিচ্ছে না।
বলে বোঝাতে পারব না কতটা খারাপ লাগছে।
বোঝোই তো…
কিন্তু,
যখনই ভাবি মেয়েকে একজন আর্মি অফিসারের হাতে তুলে দেবো...
তখনই ওই দুঃসহ স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়।
আমি পারব না।
ঠিক আছে।
আমার আর্মিতে যোগাদান করার বিষয়টা আজও আমার মা মেনে নিতে পারেনি।
আপনার ক্ষেত্রেও না-হয় সেটাই ধরে নেব।
এখন আমি তরুণ অফিসারদের অস্ত্র চালানো আর শহুরে যুদ্ধের কৌশল শেখাচ্ছি।
শান্তিপূর্ণ পোস্টিং।
আর্মি লাইফ মানেই অনিশ্চয়তায় ভরা।
যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।
পৃথিবীতে কেউই তো সারাজীবন বেঁচে থাকে না, আঙ্কেল।
জন্মের সাথে সাথেই প্রত্যেক মানুষের
বিদায়ের সময় শুরু হয়ে যায়।
আমরা কিছু করি
বা না করি, সেই সময় আপন গতিতে বয়ে চলে।
আমাদের শ্বাস নেয়া পর্যন্ত সেই ঘড়ি চলতেই থাকবে।
বাইবেল আর ভগবত গীতা দুটোই মৃত্যু নিয়ে একই কথা বলে।
আপনি যেই হোন না কেন কাজ শেষ হলে চলে যেতে হবে।
কিন্তু নিজের দায়িত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে।
তা আপনি যেখানেই থাকুন, বা যে কাজই করুন না কেন।
আর্মিতে আছি বলেই যে মারা যাব, এমন তো নয়, আঙ্কেল।
- বিষয়টা সেটা নয়, বাবা। - এই তো।
আপনি মালায়লামে আমাকে "বাবা" বলে ডাকলেন, তাই তো?
আপাতত এটুকুই যথেষ্ট, আঙ্কেল।
আপনার যতটা সময় প্রয়োজন আপনি নিন, আঙ্কেল।
আমি অপেক্ষা করব।
আয় মা।
তাড়াতাড়ি আয়।
আয়, ইন্দু।
- বাবা, মেনে নিয়েছ আমাদের? - হ্যাঁ।
- আয়। - থ্যাংক ইউ, বাবা।
থ্যাংক ইউ।
এগারো মাস, সতেরো দিন,
চার ঘন্টা,
আঠারো মিনিট আগে
আমাদের শেষ কথা হয়েছে!
তুমিই তো সম্পর্কটা রাখতে চাওনি!
- এখন নিজেই বাড়ি চলে এসেছ। - তাতে কী?
আমার প্রাণভোমরা তো তুমি!
গ্লাসটা নাও।
এবার খুশি?
এই! হাসো তো।
সবসময়ই এমন। রামগরুড়ের ছানা।
- মেরি ক্রিসমাস। - মেরি ক্রিসমাস।
Is this the rain at dawn so misty?
Am I with him, now till eternity?
Is this the lifestyle I wished for, all the while?
Is this the true meaning of epic?
Did I walk with her, pure magic?
Have I also flipped for this Wonder-world of bliss?
My twin soul well chosen Within my heart forever frozen
Is it you from now on?
এখন অন্তত তোমার মাকে বোলো, আর যেন না বলে,
"আমার ছেলে তার কুষ্ঠি অনুযায়ী দুইবার বিয়ে করবে।"
- কেন? - শুধু দু'বার না...
তিন তিনবার বিয়ে হয়েছে তোমার!
আর প্রত্যেক বারই কনে হিসেবে ছিল ইন্দু।
My equal half well chosen Within my heart forever frozen
It is you from now on
ধন্যবাদ।
যেদিন একজন আর্মি অফিসারকে বিয়ে করেছেন, সেদিন থেকে নিজেও আর্মির সদস্য হয়ে গেছেন।
চিয়ার্স! হুররে!
অভিনন্দন, ক্যাপ্টেন মুকুন্দ।
Your love is a pot brimming
I am dreaming, in your love I'm drowning
Your smile, a picturesque work of art
You are the only king ruling my heart
In your love-bait most welcome
In a golden cage, I am In the sky that spells freedom
Even if I die You and I will be together forever
My twin soul well chosen Within my heart always frozen
Together as "we" Now it is you and me
ইন্দু, বাড়ি চলে যাওয়াই ভালো, সোনা।
তোমার অনেক যত্নের প্রয়োজন।
যাব না। আমি হানিমুনে যেতে চাই।
হানিমুনে?
হানিমুনে তো নতুন বিবাহিত দম্পতিরা যায়।
নতুন গর্ভবতী স্ত্রীও যাবে।
হানিমুনে নিলে তবেই বাড়ি ফিরে যাব।
- আর্শিয়া! আর্শিয়া! আর্শিয়া! - My twin soul
Well-chosen Within my heart always frozen
Together as "we" You and I will always be
My twin soul well chosen Within my heart always frozen
Hereafter, together we will be forever
আরশি, বাবাকে দেখো।
ওই যে ওখানে।
হাই!
আরশু! সুইটি! এসো এসো…
বাবার কাছে এসো!
হাই!
কী ব্যাপার মুকুন্দ?
এই দাড়ি-গোঁফ!
তুমি আর্মিতেই গেছ তো? না-কি অন্য কোথাও?
মাকে বলো, বাবা যেখানে যাচ্ছে সেখানে দাড়ি-গোঁফেরও প্রয়োজন আছে।
বাবা সোজা রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে যাচ্ছে।
তুমি তো কাশ্মীর বলেছিলে, এটার কথা তো বলোনি?
মাকে তাহলে আরেকটু চমকে দেয়া যাক?
- শিগগিরই মেজর পদে প্রমোশন পেতে চলেছি। - ওয়াও!
- অভিনন্দন, মেজর মুকুন্দ। - থ্যাংকস ডিয়ার।
অনেক বেশি খুশি হয়েছি, মুকুন্দ।
খুশি তো আমিও…
গন্তব্যের মাঝখানে অল্প সময়ের জন্যে হলেও পরিবারের সাথে থাকতে পেরে।
মজা কোরো না।
আঠারো মাস পর...
স্ত্রী আর সন্তানের জন্যে
মাত্র চলিশটা মিনিট?
এই, কাছে এসো।
বাই, আরশু।
বাই! বাই!
বাই!
IC72861M ক্যাপ্টেন মুকুন্দ রিপোর্টিং, স্যার।
ওয়েলকাম টু 44 RR, মুকুন্দ।
একটা শত্রুর জন্য একটা বুলেট
রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে
সম্প্রতি পোস্টিং হয়েছে।
তার স্বপ্নের পোস্টিং।
- হাই। - তুমি এখানে মেজর মিঠুনের পরিবর্তে এসেছ
চিতা কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে।
কোম্পানি, স্যালুট!
ইনি রবি শংকর। অ্যাডাম বাডি।
- স্বাগত, স্যার। - তোমার অপারেশন পার্টনার।
অসাধারণ দৌড়বিদ, নিখুঁত শুটার।
সিপাহী বিক্রম সিং।
সুবেদার রাজপালের পুত্র। জাতীয় সুরক্ষা গার্ডের সদস্য।
সুবেদার রামজি লালের নাতি। রাজপুত রেজিমেন্ট।
মন্তুরাম কাসানা'র প্রপৌত্র। ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি।
২য়বার কেন? বলো তাকে।
১মবার মাত্র তিন বছর স্যার।
কিন্তু আমি রাষ্ট্রীয় রাইফেলসকে ভালোবাসি।
তাই ২য়বারের জন্য নিজের ইচ্ছেতেই এই পোস্ট চেয়েছি, স্যার।
এটা কখনোই ভুলবে না,
৪৪ আর.আরকে তুমি বেছে নাওনি।
৪৪ আর.আরই তোমাকে বেছে নিয়েছে!
জয় হিন্দ, স্যার।
অভিনন্দন।
মেজর মুকুন্দ।
এটা তোমার পল্টন ক্যাপ।
আর তোমার অপারেশন নাম হবে...
ম্যাডি।
কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও বিদ্রোহ দমনের জন্য
যে বাহিনী গঠন করা হয়েছিল, সেটাই আমাদের রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।
আমরা সর্বদা প্রস্তুত।
অপারেশন রক্ষক।
১৯৪৭ সাল পর্যন্ত কাশ্মীর ছিল
হরি সিংয়ের শাসনাধীন
একটি দেশীয় রাজ্য।
স্বাধীনতার পর, হরি সিং চেয়েছিল কাশ্মীরকে ভারত বা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত না করতে।
কিন্তু পাকিস্তান কাশ্মীরে আক্রমণ করলে,
সে ভারতের কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়।
ভারত সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও
যখন ভারতীয় বাহিনী পৌঁছায়,
তার আগেই পাকিস্তান কিছু এলাকা দখল করে নেয়, যা আজ পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত।
আশির দশকের শেষ দিকে, বাইরের শক্তির প্রভাবের ফলে...
বর্ণবিদ্বেষ
জঙ্গিবাদ, বিচ্ছিন্নতা বাড়তে থাকে।
ধীরে ধীরে অনেক সন্ত্রাসী সংগঠন গড়ে ওঠে।
কারগিল যুদ্ধের কয়েক মাস পর,
ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট অপহরণ করা হয়।
তাদের দাবি ছিল ফ্লাইটের ভেতরে থাকা আটক যাত্রীদের মুক্তি।
এই কারণেই উচ্চ-মূল্যের বন্দি মাওলানা মাসুদ আজহারকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তি পাওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যে,
সে একটা ভয়ঙ্কর সংগঠন গঠন করে,
নাম জইশে মোহাম্মদ।
জইশে মোহাম্মদের ভারতীয় কমান্ডার
একজন স্থানীয় কাশ্মীরি যুবক,
আলতাফ বাবা।
আত্মঘাতী হামলা তার পরিচয়।
তার লক্ষ্য ভারতীয় সেনা আর
আমাদের ঘাঁটিগুলো।
কাশ্মীরে পুরো ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে সে "মোস্ট ওয়ান্টেড"।
আলতাফ বাবাকে নিরস্ত্র করতে এখন পর্যন্ত ১১টি অভিযান পরিচালনা করেছি।
কিন্তু তার কৌশল হলো সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পালিয়ে যাওয়া।
এখানে পাথর নিক্ষেপ বড় সমস্যা।
বিক্ষোভকারীরা সেনাবাহিনী এবং পুলিশের উপর পাথর ছোঁড়ে।
পাথর নিক্ষেপকারী, ওভারগ্রাউন্ড কর্মী,
সন্ত্রাসী…
সবাই সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে থাকে।
- মুক্তি চাই! - তারা আমাদের চোখে সাধারণ নাগরিক,
যতক্ষণ না বন্দুক তুলে গুলি চালায়।
মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সন্দেহ সবাইকে করবে। - স্যার।
- কিন্তু যথাযথ সম্মান দিয়ে। - ইয়েস, স্যার।
সে সরাসরি মাওলানা মাসুদ আজহারের কাছে রিপোর্ট করে।
সে নিশ্চিতভাবেই বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে।
তার আগেই ৪৪ আর.আর-এর তাকে আটকানোটা জরুরি।
সৈনিকগণ, আমি মেজর মুকুন্দ।
তোমাদের নতুন কোম্পানি কমান্ডার।
আর.আর ইউনিটে আমি তোমাদের সবার তুলনায় নতুন।
৪৪ আর.আরে আজ আমার ১মদিন।
তোমাদের সাথে কিছু শেয়ার করতে চাই।
এই মুহূর্ত থেকে
চিতা কোম্পানির কেবল একটাই লক্ষ্য।
আলতাফ বাবাকে শেষ করা।
খুব শীঘ্রই, পেছনের বোর্ডে থাকা খুনের সংখ্যাটা পরিবর্তন হওয়া উচিত।
- ঠিক আছে? - জি, স্যার।
ভালো।
- ওয়াহিদ আর সাইফুদ্দিন তাই তো? - জি, স্যার।
- দু'জনই তো কাশ্মীরের, তাই না? - জি, স্যার।
এসো।
স্যার, আমার বাবা-মা জম্মু ও কাশ্মীর লাইট ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের।
আমি তামিল ভাষায় সাবলীল, স্যার।
- ওহ! - জি, স্যার।
আমাদের আর.আর ইউনিটে অনেক তামিলিয়ান আছে, স্যার।
আচ্ছা।
তোমরা দু'জন আমাকে কাশ্মীরটা ঘুরিয়ে দেখাবে।
সমস্যা পুরো কাশ্মীর জুড়ে নয়, স্যার।
খুবই শান্তিপূর্ণ, স্যার।
কিছু এলাকার কথা আলাদা
যেমন শোপিয়ান, পুলওয়ামা এবং ত্রাল।
ওসব এলাকায় সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম অনেক বেশি, স্যার।
কখনও কখনও সন্ত্রাসীরা জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের
বাড়ি ব্যবহার করে, লুকিয়ে থাকার জন্য।
আর কিছু লোক তো স্বেচ্ছায় নিজেদের বাড়ি দিয়ে দেয়।
আমি শোপিয়ান জেলার গ্রামের সবকিছু সম্পর্কে জানি।
কে আসছে, কে যাচ্ছে,
কে অপ্রয়োজনীয়।
সব তথ্য আপনাকে দিতে পারব।
- আপনার ফোনের অপেক্ষায় থাকব, স্যার। - জানাব আপনাকে।
হাফ-উইডো, স্যার।
তাদের স্বামী, ছেলে বা ভাই হয়তো সীমান্ত পাড়ি দিয়েছে।
পাড়ি দিয়ে হয় তারা মারা গেছে, নয় সন্ত্রাসী হয়ে উঠেছে, স্যার।
যদি স্থানীয় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে এই ছেলেদের ধরে নিয়ে যায়, তাহলে তারা বদলে যায়, স্যার।
যখন সে সন্ত্রাসী হয়ে ওঠে
তার নিজের পরিবারও জানে না সে কোথায় আছে।
আমার মা-ও একজন হাফ-উইডো, স্যার।
আমার বাবা ১৭ বছর আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
জানি না তিনি কোথায় আছেন বা বেঁচে আছেন কি-না।
এটাই কাশ্মীরের জীবন, স্যার।
ওটা হচ্ছে বিহান ক্যাম্প।
বিহান চালু করা হয়েছে আত্মসমর্পণকারী সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসনের জন্য।
অনেক সংশোধিত সন্ত্রাসী এই ক্যাম্পে থাকে।
অনেকে আর্মিতে যোগদান করে।
কেউ কেউ মূল আর্মিতে সুযোগ পায়
আর কেউ কেউ টেরিটোরিয়াল আর্মিতে।
অনেকে তাদের অতীতের কারণে বাদ পড়ে যায়।
দারুণ উদ্যোগ।
স্যার! স্যার! এখানেই আলতাফ বাবার বাড়ি।
গাড়ি থামাও।
কোনো অস্ত্র আনবে না। এখানেই থাকো।
আসসালামু আলাইকুম, স্যার।
ইনি আমাদের মেজর।
আপনার ছেলের সাথে যোগাযোগ করুন।
তাকে বলুন সন্ত্রাস আর উগ্রবাদ ছেড়ে আত্মসমর্পণ করতে।
আমি তাকে আইনত সবকিছু সামলাতে সাহায্য করব।
স্যার চান, আপনি আপনার সন্ত্রাসী ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করুন
এবং তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলুন।
কে সন্ত্রাসী?
এক দেশের মুক্তিযোদ্ধা অন্য দেশের সন্ত্রাসী!
আমার ছেলে আলতাফ বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা।
মুজাহিদ!
কাশ্মীর একটা পৃথক রাষ্ট্র।
২০১৩ সাল চলছে।
কোনো উন্নয়ন না এনে ৬৬ বছর ধরে একটা সমস্যাকে আঁকড়ে ধরে আছেন।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণ নিয়ে ভাবলে এভাবে বলতে পারতেন?
আপনার ছেলে কত নিরপরাধ মানুষের প্রাণ নিচ্ছে?
কত শিশুর হাতে বন্দুক তুলে দিচ্ছে?
এ সবকিছু কবে বদলাবে?
তখনই বদলাবে, যখন আপনার মতো লোকেরা কাশ্মীর ছেড়ে যাবে।
তখনই ভালো পরিবর্তনের সূচনা হবে।
কেবল তখনই ভালো পরিবর্তন আসবে, যখন আপনার মতো লোকেরা কাশ্মীর ছেড়ে যাবে।
নাগরিকের মধ্যে এক জাতির ঐক্য এবং সংহতির অনুভূতি
সেনাবাহিনীর কারণেই বজায় আছে।
একদিন সেনাবাহিনী কাশ্মীর ছেড়ে যাবে।
সেদিনই, যেদিন আপনার ছেলের মতো মানুষ বন্দুক ধরা এবং সহিংসতা পরিত্যাগ করবে।
স্বাধীনতা!
স্বাধীনতা! স্বাধীনতা!
গুরু ভাইয়ের মৃত্যুর আজ ১০০ দিন পূর্ণ হলো।
আমাদের আফজাল গুরু ভাইয়ের ত্যাগের প্রতিশোধ নিতেই হবে।
তোমরা কাশ্মীরের রাস্তায় থাকবে আমাদের অধিকার রক্ষার্থে আর দাবি আদায়ে।
এটা একে ফোরটি সেভেন।
প্রতি মিনিটে ৬০০ রাউন্ড ফায়ার করে, তাও অটোমেটিক মোডে।
সমস্ত গোলাবারুদ ইন্ডিয়াম আর্মির উপর নিক্ষেপ করে তাদের শেষ করে দেবে।
ইন্ডিয়ান আর্মির যন্ত্রণা ভরা আর্তনাদ
যেন কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত শোনা যায়।
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
শ্রীনগর-পুলওয়ামা হাইওয়েতে,
ভারতীয় আর্মির পরিবহনকারী কনভয়ে আক্রমণ করা হলে
পুরো ভারত শোকে ডুবে যাবে।
আমাদের আরো কিছু তরুণ "শহীদ" প্রয়োজন, যারা জীবন বিসর্জন দিতে প্রস্তুত।
আলতাফ ভাই, আমি কিছু পরামর্শ দিতে পারি? আমার পাঁচজন কাজিন ইচ্ছুক।
কাশ্মীরের জন্য কেবল পাথর নিক্ষেপের চেয়ে বেশি কিছু করতে চাই আমরা।
আমরা শহীদ হতে প্রস্তুত।
আমাদের শুধু একটা সুযোগ দিন।
লতিফ, শহীদদের তালিকাভুক্ত করার জন্য একটা সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করো।
আব্বাস নাঙ্গারু নিজে বাছাই করবেন।
বাড়ি নম্বর ৪৬।
মোহাম্মদ আসিফ দার গ্রাম।
এই বাড়িটাই আমরা টার্গেট করছি স্যার।
সুইসাইড বম্বারদের নিয়ে একটা সাক্ষাৎকার হবে এখানে।
খুব ছোট একটা ইউনিট নিয়ে পরিকল্পনা করেছি, স্যার।
এখনই এই বাড়িটা ঘেরাও করব।
অ্যাকশন টিম হবে আমার কোম্পানি, স্যার।
সিআরপিএফ, জেকে পুলিশ।
ব্যাটালিয়নের অন্যান্য কোম্পানিকে
ঘেরাও অবস্থান থেকে দূরে থাকতে বলব।
এই তথ্য সম্পর্কে কতটা নিশ্চিত?
স্যার, তথ্য একদম সঠিক।
খোচোর লাগিয়েছিলাম।
- পাঁচজন স্যার। - খোচোর?
- জনসাধারণ থেকে? - জি, স্যার।
কাজটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়, ম্যাডি।
স্যার, পূর্বের পদ্ধতিতে কাজ হয়নি।
তাই ঝুঁকি আমাদের নিতেই হবে।
- আলতাফ বাবা যদি সামনে না আসে? - আসবে, স্যার।
সব সংগঠনই সুইসাইড স্কোয়াডকে বিশেষ সম্মান দেয়।
সে আসবেই।
আর আমরা তাকে ধরব, স্যার।
বিক্রম!
- জি, স্যার। - ক্যাটকে জড়ো হতে বলো। [CAT- কোম্পানি অ্যাকশন টিম]
জি, স্যার!
ক্যাট টিম, অপারেশনের জন্য প্রস্তুত হও।
বয়েজ, ভারতে ২০,০০০ এরও বেশি ইনফ্যান্ট্রি ক্যাম্প রয়েছে।
যদি সেগুলোর কোনোটাতে না থেকে
এখানে শোপিয়ান, কাশ্মীরে, আমাদের ৪৪ আর.আর চিতা কোম্পানিতে পোস্টেড থাকো,
তাহলে সেটা সাধারণ কোনো ঘটনা নয়।
তোমরা সবাই নির্বাচিত।
এখানে উপস্থিত প্রত্যেকেই এই অভিযানের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।
যখন এই অভিযান থেকে ফিরে আসবে,
দক্ষিণ কাশ্মীরের প্রত্যেক সেনা সদস্য তোমাদের নিয়ে গর্ব করবে।
আমাদের আজকের লক্ষ্য
আব্বাস নাঙ্গারু
আর…
আলতাফ বাবা।
এই অভিযানে কেউ নিজের চেহারা ঢাকবে না।
এটাই আমার চেহারা।
ইন্ডিয়ান আর্মির চেহারা ওদের দেখিয়ে দাও।
হত্যার উদ্দেশ্যে যারাই বন্দুক তুলে ধরুক, তোমার চেহারা যেন তাদের মনে থাকে।
সন্ত্রাসবাদের কথা চিন্তা করলেই মাথার মাঝখান বরাবর গুলি করবে।
তারা যেন ভয়ে চিৎকার করে।
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
বিক্রম!
- শ্রী বজরংবলীর... - জয় হোক!
- শ্রী বজরংবলীর... - জয় হোক!
- শ্রী বজরংবলীর... - জয় হোক!
দেখিয়ে দাও, বয়েজ!
স্যার গ্রামটা ভালো না।
এখানে সন্ত্রাসীদের প্রচুর সমর্থন রয়েছে।
স্যার, জনসাধারণকে সতর্ক করে এলাকাটা খালি করা উচিত না?
ম্যাডি টু অল স্টেশন্স।
আলতাফ বাবা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত একটি গুলিও ছোঁড়া যাবে না।
আমাদের প্রথম গুলির আওয়াজ পুরো গ্রামকে সতর্ক করে দেবে।
স্কাউট ১ টু ম্যাডি স্যার।
দুইজন সন্দেহভাজন লক্ষ্যবস্তু বাড়ির দিকে যাচ্ছে।
ম্যাডি টু অল স্টেশন্স।
তোমরা কি আলতাফ বাবাকে দেখতে পাচ্ছ? ওভার।
- স্কাউট ২ টু ম্যাডি স্যার। - বলো।
পরিচয় নিশ্চিত।
- এটা আব্বাস নাঙ্গারু, সাথে একজন দেহরক্ষী। - ঠিক আছে।
- আসসালামু আলাইকুম। - ওয়ালাইকুমুস সালাম।
এই পাঁচজন শহীদ হবে।
স্যার?
আলতাফ ভাই আসেনি?
আগে দরজা বন্ধ করো।
প্রথমে তুমি যাও, ঠিক আছে?
স্কাউট থ্রি টু ম্যাডি স্যার।
আব্বাস নাঙ্গারু উপরে উঠেছে, ওভার।
লতিফ, এক এক করে পাঠিয়ে দাও।
ওর পরে তুমি যাবে।
স্কাউট থ্রি টু ম্যাডি স্যার। ১ম প্রার্থী উপরে গেছে, ওভার।
- শহীদ হতে চাওয়ার কারণ বলো। - আমার বাবা ১৯৯২ সালে…
ত্রালে বিএসএফের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হয়েছিলেন।
উনি আমাদের গ্রামের নায়ক।
নিজেকে তার রক্ত হিসেবে প্রমাণ করতে চাই। স্বাধীন কাশ্মীরের জন্য মরতে চাই।
পরের জন।
আমি স্বাধীনতা চাই।
কাশ্মীরের স্বাধীনতা।
আমার ভাইও একজন শহীদ ছিলেন।
২০০৪ সালে আর্মি এনকাউন্টারে সে মারা যায়।
- আব্বাস? - ভাই।
সাক্ষাৎকার চলছে।
শেষের পথে।
আব্বাস।
আমি নিজে ভিডিয়ো রেকর্ড করে আপনাকে দেখাব।
ঝুঁকি নিয়ে আসতে হবে না।
না, আমি আসব।
শহীদরা সেই সম্মানের যোগ্য।
তারা তাদের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।
একজন কমান্ডারের তুলনায় তারা অনেক বেশি উদার।
- ঠিক আছে। - স্কাউট ওয়ান, টু, থ্রি।
- নতুন কিছু নজরে এসেছে? ওভার। - নেগেটিভ, স্যার।
- নেগেটিভ, স্যার। - নেগেটিভ, স্যার।
স্কাউট টু টু ম্যাডি স্যার।
হেডলাইট অফ করা অবস্থায় একটা কালো SUV-কে আসতে দেখা যাচ্ছে।
- আলতাফ বাবা? ওভার। - নিশ্চিত না, স্যার।
সবার মুখ ঢাকা, স্যার।
দু'জন ভেতরে প্রবেশ করেছে। একজন দেহরক্ষী দরজা পাহারা দিচ্ছে।
কালো SUV-টা চলে যাচ্ছে, স্যার।
লক্ষ্য রাখো। নিয়মিত রিপোর্ট করো।
চিতারা, সতর্ক থাকো। প্রস্তুত থাকো।
বুঝতে পেরেছি, স্যার।
তোমরা সবাই আমাদের নায়ক।
- এরা স্বেচ্ছাসেবক। - ধন্যবাদ…
স্যার, নতুন লোকটা উপরে উঠেছে।
- আব্বাস, কেমন চলছে? - ভাই, প্লিজ বসুন।
- কোথা থেকে এসেছ? - স্যার, আওয়ান্থিপোরা, পুলওয়ামা।
শহীদ হতে চাও কেন?
ক্যাসেটে মাসুদ ভাইয়ের বক্তৃতা শুনেছিলাম।
আমি জিহাদ এবং শহীদের গৌরব সম্পর্কে অবগত।
ঠিক আছে, যাও।
- কোথা থেকে এসেছ? - সোপোর, বারামুল্লা থেকে।
- শহীদ হতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছ? - অবশ্যই।
শহীদ হওয়া আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।
আমার বাবাও একজন সন্ত্রাসী।
বর্তমানে পিণ্ডিতে আছেন।
আবার বলো, তোমার বাবা রাওয়ালপিণ্ডিতে কী করেন?
একজন সন্ত্রাসী।
লস্কর।
আমরা কখনো নিজেদের সন্ত্রাসী বলি না।
জানিস আমরা নিজেদের কী বলি?
মুজাহিদ।
যোদ্ধা।
আধুনিক মুজাহিদরা কি ট্যাটু করতে শুরু করেছে?
আলতাফ ভাই?!
আলতাফ বাবা!
ম্যাডি টু অল স্টেশন।
অপারেশন আলতাফ বাবা।
স্যার, দিল্লিতে পড়াশোনার সময় এটা করিয়েছিলাম।
- চিতারা, বাড়িতে প্রবেশ করো। - কপি স্যার।
ভুল করেছিলাম স্যার।
চিহ্নিত বাড়ি থেকে তিনশো মিটার দূরে আছি।
বুঝেছি।
দিল্লিতে কানও ছিদ্র করিয়েছিলি?
বল কে তুই?
বলবি না?
লতিফ।
সবাইকে উপরে নিয়ে আয়।
দ্বাররক্ষীকে শেষ করে দাও।
স্কাউট ওয়ান, বিভ্রান্ত করো।
- আওয়াজটা কীসের ছিল? - কোনো কিছুর না।
লতিফ।
বিশ্বাসঘাতকের দল!
শেষ করে দে সবক'টাকে।
চালাও গুলি।
আর্মি!
এগোও… এগোও!
আলতাফ ভাই, সামনের দরজা দিয়ে!
আলতাফ ভাই!
গ্রেনেড!
তিন, দুই, এক।
একটা বিশ্বাসঘাতককেও ছাড়ব না!
এই পথে ভাই!
আব্বাস নাঙ্গারু পেছন দিক দিয়ে পালাচ্ছে, স্যার।
অনুসরণ করো।
আলতাফ বাবাকে শনাক্ত করা গেছে।
বাইরের কর্ডন, সতর্ক থাকো।
পরিষ্কার।
পরিষ্কার।
আব্বাস নাঙ্গারু পানির ট্যাঙ্কে প্রবেশ করছে, স্যার।
পরিষ্কার।
- মাইকেল, কিছু দেখতে পাচ্ছ? - নেগেটিভ, স্যার।
বের হও!
ভেতরে যাও।
যাও বলছি।
ধন্যবাদ।
না, স্যার।
ইউনিট ফোর টু ম্যাডি স্যার। টার্গেট আমাদের নজরে এসেছে।
পুনরায় বলছি, টার্গেট আমাদের নজরে এসেছে।
সিআরপিএফ, চারদিক ঘিরে ফেলুন।
ম্যাডি স্যার, আলতাফ বাবা টার্গেট হাউসের জংশন অতিক্রম করবে
তিন, দুই, এক।
স্যার, পাথর নিক্ষেপকারীরা পানির ট্যাঙ্কের কাছে আমাদের ঘিরে ফেলেছে।
বিক্রম।
- পিছিয়ে যাও। - কী করছো?
পিছিয়ে যাও সবাই…
কী করছেন আপনারা?
সরে যাও!
পিছিয়ে যাও!
প্লিজ, পিছিয়ে যাও!
পিছিয়ে যাও!
জোগিন্দর, পিছিয়ে যাও!
সরো… সরো ঢোকো, ভেতরে ঢোকো… সরো!
চলো... ভেতরে ঢোকা যাক, দ্রুত!
সরে যাও...সরে যাও!
সরে যাও!
- হারদীপ, ওদের আটকাও! - জি, স্যার।
কেউ ওপরে আসবে না, পিছিয়ে যাও।
আব্বাস।
অস্ত্র ফেলে দাও, তবেই প্রাণ ভিক্ষা পাবে।
তার আগে তোদের নরকে পাঠানো নিশ্চিত করব।
বিধর্মী সেনা!
ঠ্যালা সামলা এবার, নরকের কীট!
- জোগিন্দর। - স্যার?
- আমি তোমাকে কাভার করছি। - জি, স্যার।
শেষ করে দাও!
বজরংবলীর জয় হোক!
সাবাশ!
স্যার।
আলতাফ বাবা আপেল বাগানের দিকে ছুটে যাচ্ছে, স্যার।
পিছিয়ে যাও।
সরে যাও।
শয়তান আলতাফ বাবা!
আজ তোর শেষ দিন!
বাইশ।
বাইশ?
সে ম্যানুয়াল মোডে গুলি চালাচ্ছে।
জইশে মোহাম্মদের নিয়ম অনুযায়ী,
সংঘর্ষে একে রাইফেল কখনোই ম্যানুয়াল মোডে রাখা উচিত নয়।
এটাই তার শেষ ম্যাগাজিন, বিক্রম।
ম্যানুয়াল মোডে গুলি চালাচ্ছে। একবারে একটাই গুলি ছুঁড়ছে।
ছলনার আশ্রয়ও তো নিতে পারে, স্যার।
একুশ।
এবারে না, বিক্রম।
ওটা বিহান ক্যাম্প।
অনেক সংশোধিত সন্ত্রাসীর আশ্রয়স্থল, স্যার।
স্যার, বিহান ক্যাম্প থেকে মোহাম্মদ লতিফ।
লতিফ, বাবা'র টিমে প্রবেশ করতে হবে।
ওয়াচম্যানকে ঘটনাস্থলে আসতে বলো।
লতিফ।
বাবা, জলদি।
আমি মোহাম্মদ লতিফ। আপনিই আমার নায়ক।
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা।
লতিফ, আলতাফ বাবাকে আলাদা করে ধরে আনার জন্য একটা পরিকল্পনা আছে।
আলতাফ ভাই, আমার পাঁচজন কাজিন ইচ্ছুক।
কাশ্মীরের জন্য কেবল পাথর নিক্ষেপ ছাড়া আরো বেশি কিছু করতে চাই।
আমরা বিহান ক্যাম্প থেকে এসেছি।
সবাই আর্মির নিয়োগ পরীক্ষায় বাদ পড়েছিলে, তাই না?
আমি তোমাদের একটা গোপন অভিযানে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবো।
পাঁচজন খোচোর নিযুক্ত করেছি স্যার।
থামো! কেউ ভেতরে আসবে না।
পেছনে যাও!
জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না, স্যার।
CAT!
জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করো। জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করো।
পেছোও!
তিন।
ভেতরে ঢোকা যাবে না।
নিয়ন্ত্রণ করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে, স্যার।
বিক্রম!
- সাধারণ মানুষকে থামাও। - কপি, স্যার।
কেউ কাছে আসবে না।
এটাই ইন্ডিয়ান আর্মির আসল চেহারা।
- স্যার, আলতাফ বাবা আমাদের জিম্মায়। - কতটুকু নিশ্চিত?
স্যার, আমি তার মৃতদেহের পাশে দাঁড়িয়ে আছি।
এটা নিশ্চিতকরণ শট, স্যার।
সাবাশ!
- শংকর। - প্রস্তুত, স্যার।
মুকুন্দের সবচেয়ে প্রশংসনীয় গুণ…
তার চরিত্র।
তার সব গুণাবলীর মূল আদর্শ
তার বাবা।
ভার্দারাজন।
পিতার নামকে নিজের উপাধি হিসেবে যোগ করতে পারা মুকুন্দের জন্য ছিল বিশেষ গর্বের বিষয়।
বেবি, নাম কী তোমার?
আর্শিয়া মুকুন্দ।
ওহ!
ঠিক আছে, আর্শিয়া মুকুন্দ। তুমি তোমার কাজ করো।
- শ্রী বজরংবলীর... - জয় হোক!
- জয়! - জয়!
- মহাদেবের... - জয় হোক!
৪৪ আর.আর তোমাদের নিয়ে গর্বিত।
গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ডটা যাতে তুমি পাও আমি তার জন্য সুপারিশ করব।
তোমার কৌশল পুরো উপত্যকা জুড়ে বিখ্যাত হয়ে থাকবে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ, স্যার। আপনার প্রশংসাই আমার আসল পুরস্কার।
তবে স্যার, যদি কাউকে গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ডের জন্য সুপারিশ করেন
আমার সহকর্মীদের যেকোনো একজনকে বেছে নিন।
আমার সঙ্গী বিক্রম, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আলতাফ বাবাকে
অনুসরণ করছিল।
ওয়াহিদ তথ্যদাতা লতিফের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।
সত্যি বলতে স্যার, জো--
জোগিন্দর, এখানে এসো।
জোগিন্দরই আব্বাস নাঙ্গারুকে গুলি করে নিষ্ক্রিয় করেছিল।
জোগিন্দরের একটা পদক প্রাপ্য, স্যার।
- ম্যাডি, এখানে এসো। - স্যার!
তুমি সত্যিকারের নেতা।
সবাই শোনো, তোমাদের কোম্পানি কমান্ডার
একজন দুর্দান্ত নেতা।
ধন্যবাদ, স্যার।
আমি গত ১৪ বছর ধরে কাশ্মীরে দায়িত্ব পালন করছি।
কিন্তু এমন দুর্গম এলাকায়
এত স্বল্প সময়ে
এ ধরনের পরিকল্পনা ও কৌশল...
তুমি সত্যিই আলাদা, ম্যাডি।
ধন্যবাদ, স্যার।
দাঁড়িয়ে রইলে কেন?
এসো সবাই!
বাবা!
ছাড়ব না ওদের।
বাবা!
কলিজার টুকরা আলতাফ।
এর মূল্য ওদের দিতেই হবে!
বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে…
বিপ্লব!
বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে…
বিপ্লব!
বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে…
বিপ্লব!
- বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে… - বিপ্লব!
- বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে… - বিপ্লব!
- বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে… - বিপ্লব!
- বাবা, তোমার রক্ত বয়ে আনবে… - বিপ্লব!
- কী চাই আমরা? - স্বাধীনতা!
- আরো জোরে বলো! - স্বাধীনতা!
- সবাই একসাথে বলো! - স্বাধীনতা!
- এটা আমাদের অধিকার! - স্বাধীনতা!
- এটা আমাদের গৌরব! - স্বাধীনতা!
- কী চাই আমরা? - স্বাধীনতা!
- চাইলে গুলি করো… - স্বাধীনতা!
- চাইলে নির্যাতন করো! - স্বাধীনতা!
- জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও! - স্বাধীনতা!
- অধিকার আমরা আদায় করবই! - স্বাধীনতা!
স্বাধীনতা!
স্বাধীনতা!
- স্বাধীনতা! - স্বাধীনতা! স্বাধীনতা!
এই কাশ্মীর আমাদের।
নিজেদের রক্ত দিয়ে এই ভূমিকে উর্বর করেছি আমরা।
এই কাশ্মীর আমাদের।
- স্বাধীনতা! - স্বাধীনতা!
এই ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা আছে, লতিফ।
আলতাফ বাবাকে ধরা বা মেরে ফেলা মারফত আর্মি ও সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষিত পুরস্কার।
এই টাকা তোমার প্রাপ্য, লতিফ।
মাসিক ভাতাটাই আমার জন্য যথেষ্ট।
সে বলছে, যে মাসিক ভাতা আমরা তাকে দিই, তাতেই সে খুশি।
বলছে, টাকা তার উদ্দেশ্য ছিল না, স্যার।
আমি চাই না, কেউ আমার ভাইয়ের মতো কষ্ট পাক।
আমার ভাইয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা যেন আর কারো সঙ্গে না হয়।
আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার হতো।
হয়তো আজ দিল্লির কোনো কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার থাকতো।
আলতাফ বাবা আমার ভাইকে সুইসাইড বোম্বার বানিয়েছিল।
আলতাফ বাবা তাকে সুইসাইড বোম্বারে পরিণত করেছিল!
আমি দুঃখিত, লতিফ।
স্যার, প্রথমে বেড়া কেটে গুহার মধ্যে দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয়।
আমাদের গ্রাম পার করে LoC সীমান্তের বেড়া কাটতে হয়।
গুহার মধ্যে দিয়ে অন্য পাশে পৌঁছানোর পর,
একজন কমান্ডারের সাথে আমাদের দেখা হয়, যার নাম আসিফ ওয়ানি।
চাকু এভাবে ধরতে হয়
তারপর সমস্ত শক্তি দিয়ে এইভাবে শত্রুর বুকে বিঁধিয়ে দিতে হয়!
এবার দেখাও।
সে আমাদের পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে প্রশিক্ষণ দেয়।
তারপর শুরু হয় প্রশিক্ষণ…
কৌশল প্রশিক্ষণ।
অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ।
লতিফ।
দারুণ।
সেও পুলওয়ামা জেলার দ্রাবগামের অধিবাসী।
হাবভাবে মনে হয়েছে আসিফ ওয়ানি খুবই বিপজ্জনক।
আসিফ ওয়ানি?
কেমন দেখতে সে?
আসিফ ওয়ানির বর্ণনা দিতে বলেছে।
তার মুখ কখনো দেখিনি। সবসময় ঢাকা দেয়া থাকত।
নিজের মুখ সবসময় স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখে।
তাই কখনো তার মুখ দেখতে পায়নি।
মুকুন্দ।
- ওহ! মা আর বাবাও যুক্ত হয়েছে দেখি। - হেই, ইন্দু।
- আর্শিয়া কই? - আরশি, এদিকে এসো।
- হাই। - দেখো! কত বড় হয়ে গেছে।
আরশু, বাবা।
- "বাবা"! - "বাবা" বলো।
- আর্শিয়া অনেকদিন ধরেই - বাবা।
ভেবে আসছিল, তার বাবা হয়ত আইপ্যাডের ভেতরেই থাকে!
বাবা, তুমি তো বাড়িতে বসে থেকে বিরক্ত হচ্ছো, তাই না?
- কেন? - তোমার জন্য একটা কাজ আছে, বাবা।
আমাদের জন্য একটা ফ্ল্যাট খোঁজো।
ফ্ল্যাট?
ফ্ল্যাট কী দরকার?
শহরে হলে তো খুবই ব্যয়বহুল হবে, খোকা।
আমি কি তোমাকে ইসিআর, বেসান্ত নগর বা আডায়ারের দিকে দেখতে বলেছি?
শহরের আশেপাশে দেখো।
বাজেট ২০ লাখ। হোম লোনের জন্যে আবেদন করেছি।
সবাই আলাদা জায়গায় থাকছি,
তখন অন্তত এক জায়গায় থেকে কথা তো বলতে পারব?
ঠিক আছে, আমি দেখছি।
নিজের খেয়াল রাখিস, বাবা।
খবরে তোর এলাকার ঘটনাগুলো দেখে
অনেক ভয় লাগেরে, বাবা।
- দু'চোখের পাতা এক করতে পারি না। - চিন্তার কিচ্ছু নেই, বাবা।
মা তো আমার জন্য দোয়া করেই।
বাড়ি আসছিস কবে?
আসব, মা।
তোমরা লাইনটা কাটো।
বউটার সাথে একটু একান্তে কথা বলি।
বাপরে!
মা, তোমার ছেলে পারেও বটে!
তোমাদের সামনে শুধু শুধু নাটক করছে।
আমাকে কলে যোগ করেছে, যাতে হোম লোনের কথাটা বলতে পারে।
ফোন করার সময় কই আমাদের!
- চুপ করো। - জানি জানি।
যা বউয়ের সাথে কথা বল।
ঠিক আছে, মা। যথা আজ্ঞা।
রাখলাম।
- বাই! - হেই।
আমি এক্ষুণি আসব। বাবাকে বাই বলো।
"বাই, বাবা" বলো।
- বাই, বাবা। - বাই, বাবা।
মুকুন্দ।
ইয়েস, ডারলিং।
সত্যি করে বলো না, কবে আসবে?
এ বছর আমার জন্মদিন আর দীপাবলি দুটোই একসাথে পড়েছে।
অন্তত সে সময় আসতে পারবে তো?
চেষ্টা করব।
ইন্দু, তোমাকে না জানিয়েই বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করে ফেললাম।
ব্যাপার না।
আমি ভাবছি, মাসিক কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারবে তো?
শোয়েথা আর নিথ্যিয়ার বিয়ের জন্য নেয়া লোনের আর কত কিস্তি বাকি আছে?
দুই মাসে শেষ হয়ে যাবে।
আমার মাসিক আয় তো ৩৯০০০ রূপি।
বিশ হাজার তোমাকে পাঠাব।
বাবাকে দশ।
বাকিটা আমি রাখব।
হোম লোনের ই.এম.আই দেয়ার পর
আমাদের হাতে পনেরো হাজারের মতো থাকবে।
চিন্তা কোরো না।
আমার শিক্ষকতার কোর্স তো শেষ।
চাকরিও পেয়ে গেছি।
এই গ্রীষ্মেই স্কুলে পড়ানো শুরু করব।
হোম লোন, ই.এম.আই
সমস্ত খরচা তোমার বউও ভাগ করে নেবে।
আই লাভ ইউ, বউ।
আই লাভ ইউ, জামাই।
কীভাবে ছুটি ম্যানেজ করবে সেটা নিয়ে ভাবো।
আসব।
- বাই। - বাই।
লতিফ।
অনেক বাড় বেড়েছে তোর।
দারুণ!
আয় একটু হাঁটি।
সাপ চিনিস তো?
প্রকৃতির সৃষ্টি।
নিঃশব্দে আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে
আমাদের আষ্টেপৃষ্টে পেচিয়ে নেয়।
সম্পূর্ণ পরিবারটাকে বিষাক্রান্ত করে তোলে।
তারপর ভাবে ওই বাড়ি তার হয়ে গেছে।
এক মিনিট।
ইন্ডিয়ান আর্মির সম্পর্কে জানিস তুই?
ওরাও সাপেদেরই মতো। চুপচাপ বাড়িতে ঢুকে
আমাদের খোলসে বন্দী করে ফেলে
সব আত্মীয় স্বজনকে হত্যা করে
এই ভূমি দখল করেছে।
তুই তো এই সবকিছুই জানিস, তাই না?
একটা কথা বলবি?
তোকে আমাদের কাছে কে পাঠিয়েছিল?
বল।
বল না।
কে পাঠিয়েছিল?
কে পাঠিয়েছিল?
বল, কে পাঠিয়েছিল?
নাম বল।
কে ছিল?
বলবি? না-কি পরিবারের সবাইকে শেষ করে দেবো?
আমার পরিবারকে কিচ্ছু কোরো না।
৪৪ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।
মেজর মুকুন্দ।
সিপাহী ওয়াহিদ আহমেদ।
এসবে অভ্যস্ত হতে হবে, ম্যাডি।
এখানকার সাধারণ ঘটনা।
- অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি। - না, তার মৃত্যুর জন্যে আমি দায়ী, স্যার।
আমি তার পরিবারের সাথে দেখা করতে চাই, স্যার।
বেশ, লতিফের দাফনকাজ কোথায় হবে?
বাডগামে, স্যার।
বাডগাম।
৩৫ আর.আর-এর কনভয় ব্যবহার করো।
কমান্ডিং অফিসারকে বলে দেবো।
বিক্রমকে সাথে নিয়ে যেও।
জয় হিন্দ, স্যার।
স্যার, এটা শুধু দ্রাদগামের রিপোর্ট।
আসিফ ওয়ানি'র নামে ৪১টিরও বেশি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে!
সবক'টাই ডাকাত, সন্ত্রাসী, সন্ত্রাসবাদী সমর্থক আর অপরাধীদের...
- সাথে জড়িত, স্যার। - থাক ওসব।
আলতাফ বাবার জানাজার কোনো ভিডিয়ো বা ছবি কি আছে?
স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম হয়ত ইউটিউবে শেয়ার করেছে।
চেক করে দেখছি।
পজ করো।
এই মুখটা "ওয়ান্টেড" কারো সাথে মেলে কি না দেখে নাও।
জি, স্যার।
স্যার।
স্যার, তার নামে ২০০৯ সালে তিনটি খুনের মামলা ছিল।
পুলওয়ামা বাসস্ট্যান্ডে একটা মলোটভ ককটেল নিক্ষেপ করেছিল।
সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, পরবর্তীতে প্যারোলে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলে যায়।
এরপর ২০১১ সালে জইশে মোহাম্মদে যোগ দেয়।
তারপর থেকে তার কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই, স্যার।
দায় স্বীকারের চিঠি, তাই তো?
স্যার! সিপাহী নারাসিমহা।
৩৫ আর.আর-এর রাইফেলম্যান, স্যার।
অপারেশন আলতাফ বাবার কথা শুনেছি, স্যার।
দারুণ, স্যার।
- আপনাকে এসকর্ট করতে পেরে গর্বিত, স্যার। - ধন্যবাদ।
আমার নাম সাদিক। নন-কমিশনড অফিসার (এন.সি.ও), স্যার।
আজ আমি আপনার ড্রাইভার, স্যার।
- খুব খুশি লাগছে, স্যার। - ঠিক আছে, সাদিক।
- চলো। - ঠিক আছে, স্যার।
আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং শ্রীমতী সোনিয়া গান্ধী জম্মু ও কাশ্মীরে আপনাদের স্বাগত
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর কাল আসার কথা না?
স্যার…
- শংকর? - স্যার?
মুভি দেখো তুমি?
কী বলছেন স্যার!
তামিলনাড়ুতে সিনেমা হলো একটা ধর্ম, স্যার।
মনমোহন সিং এখানে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।
কিন্তু আমাদের রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হতে হলে সিনেমার নায়ক হতে হয়, স্যার।
এই! চুপ করো।
যাক কথা বলেছে!
মুকুন্দ, আপনি কখনো মালায়লাম সিনেমা দেখেছেন?
আমি মালায়লাম সিনেমা ভালোবাসি।
আসলে, আমার স্ত্রী একজন মালায়ালি।
ওহ! সত্যি?
- নতুন এক মালায়লাম অভিনেতা বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। - কে?
কাধালুক্কু মারিয়াধাই-এর পরিচালকের ছেলে।
ফাসিল... ফাহাদ ফাসিল।
তার আন্নেয়াম রসুলুম মুভিটা দেখেছি।
অসাধারণ অভিনয় করে!
ওই মুভিতে তো একটা মেয়েও ছিল।
কী যেন নাম তার--
আপনার রাজ্যেরই…
ফাহাদের চেয়ে একটু লম্বা।
অভিনয়ও দারুণ করেছিল।
- অ্যান্ড্রিয়া জেরেমিয়া। - অ্যান্ড্রিয়া… অ্যান্ড্রিয়া জেরেমিয়া।
ওহ! দারুণ গ্ল্যামারাস।
অ্যান্ড্রিয়া, স্যার?
এই! চুপ করো!
- শংকর। - স্যার, একটা তামিল মুভি...
আমার অনেক পছন্দ।
নায়কের চরিত্রও একজন সেনা কর্মকর্তার।
থুপাক্কি।
দারুণ মুভি।
- পাঁচবার দেখেছি। - সবাই পছন্দ করেছে, তাই না স্যার?
- স্যার, আপনি হিন্দি সিনেমা দেখেন না? - দেখব না?!
"বাপ কা, দাদা কা, ভাই কা, সাব কা
বাদলা লেগা রে তেরা ফায়জাল।"
গ্যাংস অব ওয়াসিপুর। দারুণ স্যার।
যখন MHOW-তে ছিলাম তখন এন্থিরান রিলিজ হয়েছিল [MHOW- Headquarters of War]
হিন্দিতে।
তামিলে দেখার জন্য জেদ করে এক পায়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, এবং সেটা শেষমেশ করিয়েই ছাড়ি।
যদিও আমরা আলাদা রাজ্যের, তাও তামিলেই দেখেছিলাম!
সুপারস্টারের সিনেমা তামিলে না দেখে কি সম্ভব?
একদমই না, স্যার।
আপনার দেখা সিনেমাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় কোনটা, স্যার?
আমার সবচেয়ে পছন্দের সিনেমা
- আনবে শিভাম। - দারুণ, স্যার।
সেই একটা মুভি, স্যার!
কন্নড় আর তামিল
দুটো ভাষাতেই দেখেছি, স্যার।
হেই, ইন্দু।
কী ব্যাপার, মুকুন্দ?
সময় ভালোই কাটছে মনে হয়?
- গান কে গাইছে? - ড্রাইভার সাদিক।
আমার পছন্দের মুভি কোনটা জানতে চাওয়ায় আনবে শিভাম বলেছিলাম...
আর সবাই গাইতে শুরু করলো!
হেই! চুপ করো!
দয়া করে গাওয়া বন্ধ করো।
গানটার ইজ্জত মেরে দিচ্ছো।
গান বন্ধ না করলে, এই পুরো ম্যাগাজিনটা তোমার মাথায় খালি করব।
পাগলাচোদা, চুপ কর!
এই পৃথিবীতে এক সেকেন্ডের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে হাজারো বিস্ময়।
ডায়লগটা ভালো লেগেছে বলার আগেই একজন
গাইতে শুরু করে দিলো, আর এখন সবাই কোরাসে যোগ দিয়েছে।
মুকুন্দ?
বয়েজ! আকস্মিক আক্রমণ!
নিচু হও! নিচু হও!
নারাসিমহা! নারাসিমহা!
নারাসিমহা! নারাসিমহা!
হ্যালো? মুকুন্দ?
নারাসিমহা!
আমাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে।
গ্রেনেড!
বিক্রম।
শুনতে পাচ্ছো?
হ্যালো?
শুনতে পাচ্ছো?
মুকুন্দ?
কী হলো?
সবাই, ক্যাস্পারের পেছনে লুকিয়ে পড়ো।
আসিফ ওয়ানি!
কে স্যার?
যাও!
হ্যালো?
একটা গ্রেনেড ছুঁড়ে দাও।
সুবেদার, পেছনে থাকো।
বোমা মার। বোমা।
বিক্রম, সাহায্য পাঠাতে বলো।
স্যার, তেমন গুরুতর কিছু না। প্লিজ একটু সহ্য করুন।
স্যার, একদম চিন্তা করবেন না।
স্যার, একটু সহ্য করুন, প্লিজ।
একটু সহ্য করুন।
একটু সহ্য করুন, স্যার! স্যার!
ঈশ্বর!
মুকুন্দ, হ্যালো।
- আদিল, কনভয় আসছে। চল চল। - ঠিক আছে, ভাই।
সিপাহী নারাসিমহা। ৩৫ আর.আর এর রাইফেল ম্যান।
আমার নাম সাদিক। এনসিও, স্যার।
আজ আমি আপনার ড্রাইভার, স্যার।
হ্যালো?
- স্যার। - হ্যালো, মুকুন্দ।
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো?
আমি ঠিক আছি।
আমি ঠিক আছি।
আমি ঠিক আছি।
গার্ডস!
আমাদের শহীদদের স্যালুট!
কমান্ডো!
আসিফ ওয়ানি'র কাজ। আমি তাকে গুলি চালাতে দেখেছি।
ওকে।
- প্রথমেই আমাদের উচিত-- - আসিফ ওয়ানিকে হত্যা করা, স্যার।
হ্যাঁ, সেটাই উচিত।
- মা, আমি যাব আর আসব। - আমি এখানেই আছি।
- চা হয়ে গেছে। দেরি করিস না। - যাব আর আসব।
ধর ওকে… ধর!
কে তোমরা?
- কোথায় নিয়ে যাচ্ছ আমাকে? - তোল ওকে।
তাড়াতাড়ি তোল গাড়িতে।
- মা… মা! - শক্ত করে ধর!
- মা, চিন্তা কোরো না। কিচ্ছু হবে না। - ঢোক ভেতরে।
- জলদি চালাও। - মা!
- আমার কলিজার টুকরা! - মা!
ওয়াহিদ!
সাহায্য করো! ওয়াহিদকে তুলে নিয়ে গেছে!
ওয়াহিদ, খোকা আমার!
- নাম কী? - ওয়াহিদ আহমেদ।
অপারেশন আলতাফ বাবায় তুই জড়িত ছিলি?
আমিই নেতৃত্ব দিয়েছিলাম।
ইয়েস, স্যার।
সোলজার ওয়াহিদ আহমেদ।
সে ঈদের ছুটিতে
ছিল স্যার।
না, স্যার। আমরা কিছুই করব না স্যার।
জয় হিন্দ, স্যার।
কমান্ডার।
দুঃখজনক, ম্যাডি।
- কিচ্ছু করার নেই, আমার হাত বাঁধা। - স্যার?
ওয়াহিদকে শক্ত থাকতে হবে।
এই মুহূর্তে হয়তো তার চোখ তুলে নিচ্ছে, তার মাথা কেটে ফেলছে।
হয়তো তার পেট চিড়ে ফেলছে-- স্যার!
দেরি হয়ে যাচ্ছে, স্যার।
আমাদের এক্ষুণি একটা 'রেসকিউ অপারেশন' চালাতে হবে।
আমরা ওদের দাবি কখনোই মেনে নেব না।
আমরা ছাড়া ওর আর কেউ নেই।
ওয়াহিদ আমার টিম।
সে নিশ্চয়ই প্রার্থনা করছে যে তার স্যার আর তার টিম তাকে উদ্ধার করবে।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের ৪৪ আর.আর তাকে উদ্ধার করবে।
সে কি জানবে আমরা তার জীবন নিয়ে আলোচনা করছি, স্যার?
জানবে।
সে একজন সৈনিক।
একজন সাহসী সৈনিক।
সে জানে কী ঘটবে।
কী ঘটবে?
কিছুই ঘটবে না! কিসসু ঘটবে না!
ওয়াহিদ আমার সৈনিক। আমার ভাই!
কাশ্মীরের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন ফিরিয়ে ওকে আনবই।
আমি আর আমার ক্যাট টিম।
কী হয়েছে, স্যার?
কোনো খবর পাওয়া গেছে?
সোফিয়ানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে জড়িত ওভারগ্রাউন্ড কর্মী
তথ্যদাতা, স্লিপার সেলদের আক্রমণ করো।
কত বড় সাহস! আগামীকাল পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে!
জোগিন্দর, কানেক্ট হও।
রউফ ভাই, আপনার ফোন পেয়ে খুব ভালো লাগছে।
কনভয়ে আক্রমণ করে সৈনিকদের মেরেছ তুমি।
তোমার কাজের জন্য,
জইশে মোহাম্মদ মাথাপিছু বিশ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
ধন্যবাদ ভাই। অনেক উপকার হবে।
- এক মিনিট। - জি, স্যার।
দক্ষিণ কাশ্মীরে জইশে মোহাম্মদের পরবর্তী কমান্ডার হিসেবে তোমাকেই আলতাফ বাবার স্থলাভিষিক্ত করা হবে।
ধন্যবাদ, ভাই।
আমার সৌভাগ্য, আপনার সাথে কথা বলতে পারছি।
আজই বর্ডার ক্রস করে দেখা করার চেষ্টা করব।
খোদা হাফেজ।
খোদা হাফেজ, মাস্টারজি।
আমি আজ রাতে বর্ডার ক্রস করব।
হারামজাদাকে আশরাফ চাচার হাতে তুলে দেবে।
এদের কেউই মুখ খুলছে না।
সবার একই কথা। কিসসু জানে না।
আসিফ ওয়ানি আর ওয়াহিদের ব্যাপারে ওদের কোনো ধারণাই নেই।
তোমাদের মধ্যে একজনও জানো না?
আসিফ ওয়ানি কোথায়?
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- চুপ করো! - স্বাধীনতা!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
এই! চুপ করো!
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
- চুপ করো! - স্যার।
- চুপ! - একজন বয়স্ক লোক দেখা করতে এসেছে, স্যার।
- আমরা কী চাই? - স্বাধীনতা!
আমরা কী চাই?
- স্বাধীনতা! - স্যার, আসিফ ওয়ানি'র বাবা।
আমরা ডেকে পাঠাইনি। উনি নিজে থেকেই এসেছে।
আমি এখানে এসেছি...
এখানে এসেছি কারণ...
আমার এখানে আসার কারণ…
সত্যিকারের উদ্বেগ।
নিজের স্বার্থ হাসিল করতে আসিনি।
তাদের জন্য এসেছি যারা শান্তিপূর্ণ কাশ্মীরের স্বপ্ন দেখে।
চাই না আর কোনো কাশ্মীরি প্রাণ হারাক।
আমার ছেলে সন্ত্রাসবাদের দিকে ঝুঁকছে।
যেটা আমার একদমই পছন্দ না।
ইতোমধ্যে লতিফ নামের একটা ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে মেরেছে।
ইতোমধ্যে লতিফ নামের একটা ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
এবার ওয়াহিদ নামের একজনের পালা...
ওয়াহিদকে বাঁচাতে হবে।
আসিফ।
আসিফ গুণ্ড গ্রামে আগামীকাল ওয়াহিদকে হত্যা করবে।
আসিফ ওয়ানি ওয়াহিদকে গুণ্ড নামের একটি গ্রামে হস্তান্তর করেছে।
কাল সকাল ১০টায় জনসমক্ষে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে।
গুণ্ড। আমাদের গুণ্ডে যেতে হবে।
সমগ্র গ্রাম ঘিরে তল্লাশি চালাতে হবে।
না, না, সেখানে যাবেন না।
ওরা যদি জানতে পারে,
তাহলে নিশ্চিতভাবেই তাকে হত্যা করবে।
যদি তাদের সন্দেহ হয়, তাহলে তাকে বাইরে আনার আগেই মেরে ফেলবে।
গুণ্ডের অবস্থান ত্রাল জেলায়, স্যার।
অত্যন্ত বিপজ্জনক এলাকা।
ওই গ্রাম থেকেই বহু সন্ত্রাসী উঠে আসে, স্যার।
হ্যাঁ, গুণ্ড হলো ভয়ঙ্কর খারাপ গ্রামগুলোর একটি।
আপনি চাইলে তাকে বাঁচাতে পারেন।
কাশ্মীরের সেই সন্তানকে উদ্ধার করুন।
দয়া করে তাকে বাঁচান, স্যার।
শুকরিয়া।
শুকরিয়া।
শুকরিয়া।
হ্যালো। মাইক টেস্ট। ওয়ান, টু, থ্রি।
যেভাবে আমাদের কাশ্মীর বহু মুজাহিদের বরকত পেয়েছে, শহীদ পেয়েছে,
ঠিক একইভাবে কিছু বিশ্বাসঘাতকের অভিশাপেও আক্রান্ত।
এই বিশ্বাসঘাতকরা আমাদের মাটিতে জন্ম নেয়
আর কাশ্মীরি হিসেবে বড় হয়।
তারপর ইন্ডিয়ান আর্মিতে যোগ দিয়ে আমাদের বিরোধিতা করে।
আমাদের লোকেরা এমনই এক ভয়ানক বিশ্বাসঘাতকের খোঁজ পেয়েছে।
নিয়ে এসো তাকে।
এখানে দাঁড় করাও।
মেরে ফেলো... মেরে ফেলো তাকে!
মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
যখন তোমরা তার শাস্তি দেখবে
তখন তার আর্তনাদ পুরো কাশ্মীর জুড়ে প্রতিধ্বনিত হবে।
শেষ করে দাও তাকে।
দেখো,
ভবিষ্যৎ স্বাধীনতা সংগ্রামীরা।
এটা তোমাদের সবার জন্য একটা শিক্ষা।
দেখো তার সাথে কী হয়।
তায়িব, এখানে এসো।
মঞ্চে এসো।
এখানে দাঁড়াও।
তলোয়ারটা ধরো।
তলোয়ারটা দিয়ে তার শিরশ্ছেদ করো।
তায়িব।
আজ তোমার প্রশিক্ষণের পরীক্ষা হয়ে যাবে।
এক আঘাতে এই বেঈমানকে শেষ করো।
সে আমাদের ভূমির বিশ্বাসঘাতক।
নামিয়ে দাও তার মাথা।
- মেরে ফেলো! - মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
- মেরে ফেলা! - শিরশ্ছেদ করো এই বিশ্বাসঘাতকের।
মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
- আমি তিন পর্যন্ত গুনবো। এক। - মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
মেরে ফেলো! মেরে ফেলো!
দুই।
তিন!
আর্মি! আর্মি! পালাও! পালাও!
এদিক দিয়ে...এদিক দিয়ে!
অস্ত্র নিয়ে এসো!
অস্ত্র নিয়ে এসো, জলদি!
পালাও… পালাও!
বিক্রম! জলদি! জলদি!
চলো ওয়াহিদ! চলো!
- বয়েজ, জলদি করো। - সরো!
সবাই সরে যাও!
সরো! পেছনে যাও!
- সবাই অবস্থানে যাও! - পেছনে যাও! পেছনে!
- দ্রুত! দ্রুত! - পেছনে যাও! পেছনে!
পেছনে যাও!
- সরে যাও! - পেছনে যাও!
পেছনে যাও!
কাভার করো... ওদেরকে কাভার করো!
শুটার আমার ডানদিকে!
কাভার করো! পাল্টা গুলি চালাও!
কাভার নাও! কাভার নাও!
- প্রচণ্ড গুলিবর্ষণ চলছে। - গাড়ির পেছনে অবস্থান নাও।
দু'জন খতম, স্যার।
দু'জন খতম!
বয়েজ, আমাদের কাভার করো।
এক্সট্রা ম্যাগাজিন আছে?
এখানে এলেন কেন, স্যার?
সাবাশ, ওয়াহিদ।
আমার কথা ভাববেন না স্যার।
নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যান।
আরো সন্ত্রাসী আসছে স্যার।
- বিক্রম, চারপাশটা ভালো করে পরীক্ষা করো। - কপি।
সাবধানে!
স্যার, বাজুকা আমার সামনে।
আমি বাজুকা ছুঁড়তে যাচ্ছি। সবাই দূরে সরে যাও… সরো।
সরে যাও! সবাই সরে যাও!
বাজুকা লোড হয়েছে।
মুকুন্দ স্যার, তাড়াতাড়ি করুন প্লিজ।
দৌড়োতে থাকো, বয়েজ।
বয়েজ, কাভার করো!
ওয়াহিদ, হাত দাও।
এসো।
ট্রাকে উঠে বসো।
কোনো গুলি চলবে না। চলো এখান থেকে।
ট্রাকে ওঠো।
স্বাধীনতা!
স্বাধীনতা! স্বাধীনতা!
স্বাধীনতা! স্বাধীনতা!
আসসালামু আলাইকুম, আন্টি।
ওদের সামনে একটা মিনিটের জন্যেও ভয় পাইনি, স্যার।
আজ যদি আমি মারাও যেতাম…
আমার মা…
গর্বের সাথে আমাদের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পদক গ্রহণ করতেন, স্যার।
স্যার।
আপনি আমাদের ভাষা জানেন না।
আমিও আপনার ভাষা জানি না।
তাও আমার ছেলের জীবন বাঁচিয়েছেন।
এর জন্যে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।
স্যার, শিগগিরই টিমে জয়েন করব।
আগে সুস্থ হও!
খোদা হাফেজ।
ইয়েস, স্যার।
কোনো বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়নি।
না, স্যার।
আমি আপনাকে এই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেবো, স্যার।
জয় হিন্দ, স্যার।
৪৪ আর.আর এর সীমার বাইরে গিয়ে কাজ করেছ তুমি।
আর কমান্ডারকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে আমাকে।
- স্যার, আমি-- - কারণ যা-ই হোক না কেন,
নিয়ম তো নিয়মই।
বোঝার চেষ্টা করো, ম্যাডি।
তুমি আর তোমার ক্যাট দল প্রচারণামূলক কার্যক্রমের দায়িত্ব নেবে।
আপনার সন্তানদের স্কুল এবং কলেজে পাঠান।
শুধু শিক্ষা, গণতন্ত্র এবং চাকরি, আপনার জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।
ইন্ডিয়ান আর্মি এই কাজে সহায়তা করতে এখানে আছে।
I. Me. We.
এর ব্যবহার
I অর্থ--
- Immortal soldier, heroic warrior - বেরিয়ে যাও!
Do your duty, wherever
I. Me. We.
Properly, perfectly Diligently, dutifully
Whatever the time may be You do your duty to the T
মুচকি হাসছো কেন?
এক্সকিউজ মি, স্যার। এক মিনিট।
তোমরা এখান থেকে যাও।
যাও, বাচ্চাদের সাথে ছড়াগান গাও।
Equal in all aspects Balanced in all respects
আমরা সবাই খুশি, স্যার।
জনগণের সেবা করা মানে মঙ্গেশনের সেবা করা।
মঙ্গেশন কে?
আরে শ্রী মগেশন।
- জোগিন্দর! - মিষ্টি খান, স্যার।
আমাকে সেনা পদক দেওয়া হয়েছে, স্যার।
বাহ!
সাবাশ, জোগিন্দর!
আপনাকে কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে পেয়ে আমি ধন্য, স্যার।
আব্বাস নাঙ্গারুকে হত্যা করেছ।
শুধু তুমিই এর যোগ্য ভাই।
একজন জুনিয়রকে কাজের স্বীকৃতি পেতে হলে
সিনিয়রকেও বড় মনের মানুষ হতে হয়।
আপনার সেটা আছে, স্যার।
অনেক অনেক ধন্যবাদ, মুকুন্দ স্যার।
Heroic warrior Immortal soldier
Whoever it may be You do your duty
Unparalleled, unequaled
Whatever the time may be You do your duty to the T
Hero with a mission
Hero with a mission Guardian of our nation
Hey, brave-heart warrior
Hey, brave-heart soldier Terrific team leader
এই মুহূর্তে কাউকেই ছুটি দেয়া যাবে না, মাইকেল।
- গুলি চালাও! - সবাইকে জানিয়ে দাও।
- আসিফ ওয়ানি বর্তমানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে আছে। - ইয়েস, স্যার।
- যে কোনো মুহূর্তে LoC বর্ডার ক্রস করতে পারে। - ইয়েস, স্যার।
- আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। - নিশ্চয়ই, স্যার।
ইন্টেলিজেন্স টিমের সাথে যোগাযোগ রাখবে, মাইকেল।
জি, স্যার।
- স্যার! - মুকুন্দ স্যার?
- স্যার? - বয়েজ!
- বয়েজ, এখানে এসো! - স্যার!
- মুকুন্দ স্যার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। - স্যার… স্যার!
- স্যার! - স্যার!
- হেই! অ্যাম্বুলেন্স আনো। - তোলো…
- জলদি! জলদি! - তোলো!
গাড়ি আনো।
ট্রাক আসতে বলো।
- আরেকটু সতর্ক থাকতে পারতে। - মাথা খারাপ না-কি তোমার?
ফার্স্ট এইড দেয়া হয়েছে।
গুলি অপসারণ করতে হলে একটা ছোট্ট সার্জারি প্রয়োজন।
- শংকর? - স্যার।
যদি আমাকে মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়,
তাহলে সবাই জেনে যাবে যে সাইফ ভুলবশত গুলি চালিয়েছে।
ওকে কোর্ট-মার্শাল করা হবে।
আমাকে কেরালায় পাঠিয়ে দাও।
স্যার, এই অবস্থায় ভ্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ হবে।
- দূরত্বও অনেক। - আমি ঠিক আছি।
তামিলনাড়ু থেকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া তেমন বড় বিষয় না।
কিন্তু সাইফ কাশ্মীর থেকে এসেছে।
ওকে দেখে আরও হাজার হাজার ছেলে আর্মিতে যোগ দেবে।
ওর সার্ভিস কেবল ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকা উচিত।
আমাকে স্থানান্তর করো।
এখন কেমন বোধ করছো, বাবা?
না, না, নিজেকে কষ্ট দিও না, ওকে?
শুয়ে থাকো, শুয়ে থাকো।
ছোট্ট একটা অপারেশন ছিল। চিন্তার কিছু নেই।
মেরুদণ্ড খুব কাছেই ছিল।
ভাগ্য ভালো যে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি।
- ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। - আঙ্কেল।
শুধু এই ধরনের ঝুঁকির কথা ভেবেই আপনি আমাদের বিয়েতে রাজি হননি।
তুমি বিশ্রাম নাও। পরে দেখা হবে, ঠিক আছে?
বাবা।
এটা সত্যি, আমি জেদ করেছিলাম মেয়েকে আর্মি অফিসারের সাথে বিয়ে দেবো না।
কিন্তু,
তোমার ইউনিফর্ম…
যখন একজন অফিসার আমার দরজায় এসে আমার মেয়ের হাত চাইল,
আমি অসহায় হয়ে পড়েছিলাম।
না বলতে পারিনি।
- মুকুন্দ ফোন করেছে। - ধরো।
- হ্যালো? - বাবা?
হ্যালো খোকা, কেমন আছিস?
ফ্ল্যাটের কোনো খবর আছে?
আমি তো বলেছি।
ভাণ্ডালুর, রুবি বিল্ডার্স। আমাদের বাজেটে কেবল এটাই মেলে।
তোকে বলেছিলাম, যখন ছুটিতে আসবি তখন সবাই মিলে দেখে আসব।
আমাকে কেন দেখতে হবে বাবা।
থাকবে তো তুমি আর মা।
তোমাদের পছন্দ হলেই হবে।
- ঠিক আছে, দেখে আসব। - বাই।
- হ্যালো? - হ্যালো, আরশু প্রিন্সেস।
- কেমন আছো? - ভালো আছি, বাবা।
তুমি কেমন আছো?
বাবাও খুব ভালো আছে।
সবসময় আমাদের কাছ থেকে দূরে কেন থাকো, বাবা?
কী দুঃখের কথা! বাবা সবসময় দূরে থাকে, এটাই মনে হয় তোমার?
হ্যাঁ।
আরশু?
আকাশে চাঁদটা দেখতে পাচ্ছ?
চাঁদ? না তো, দেখতে পাচ্ছি না।
দেখতে পাবে, যাও চেষ্টা করে দেখো।
দেখতে পাচ্ছি না, বাবা।
তাহলে উপরে যাও, সেখান থেকে দেখতে পাবে।
ওহ না, বাবা! মা!
মাকে আমি বলব। তুমি ছাদে যাও।
বাবা আকাশের চাঁদ দেখতে দেখতে তোমার সঙ্গে কথা বলছে।
তুমিও কি একই চাঁদ দেখে আমার সঙ্গে কথা বলবে?
তাহলে আর মনে হবে না যে আমি অনেক দূরে আছি।
- বাবা, চাঁদটা তো খুব সুন্দর। - সুন্দর, তাই না?
- তুমিও কি দেখতে পাচ্ছ? - উজ্জ্বল হয়ে জ্বলতে দেখছি।
চাঁদের দিকে তাকিয়ে কথা বলায় তোমার আওয়াজও কাছ থেকে শুনতে পাচ্ছি, বাবা।
হাই!
সারপ্রাইজ!
বাবা!
- আরশু সোনা! - বাবা!
খুশি হয়েছে আমার আরশু?
মা কোথায়?
আরশি?
আরশি!
আর্শিয়া!
মা!
আরশি, উপরে উঠেছ কীভাবে?
ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকো!
সাহস কী করে হলো নিজে থেকে উপরে ওঠার!
ওই!
ওই মামুট্টি!
মুকুন্দ!
মা, বাবা বাড়িতে এসেছে!
বাবাকে আমিই সবার আগে দেখেছি।
আরশি এক বছর পর বাবাকে দেখলো।
ইন্দুও।
আরশি, মা। এসো… আমার কাছে এসো।
হঠাৎ এলে যে?
সারপ্রাইজ!
ছুটি কতদিনের?
দশ দিন? পনেরো দিন?
আচ্ছা, আচ্ছা, বলার দরকার নেই।
বোলো না।
ধন্যবাদ।
চলো, নিচে চলো।
কী খাবে তুমি?
তোমাকেই গিলে খাব।
- তোমাকেই খেয়ে ফেলব! - আরশু!
দুষ্টু একটা!
এটা কী?
- কী হয়েছে? - কিছু না। এসো।
বলো আমাকে।
গুরুতর কিছু না। পরে বলব।
মুকুন্দ।
কী...এত বড় ব্যান্ডেজ?
আর তুমি বলছো গুরুতর কিছু না।
আরশু সোনা?
- বাবা তোমাকে বিছানায় শুইয়ে দেবে। - ঠিক আছে বাবা।
মুকুন্দ।
- তোমার পিঠে ব্যান্ডেজ কেন? - ও কিছু না।
সামান্য বুলেটের ক্ষত।
বুলেট?!
কী বলছো তুমি?
- আমাকে দেখতে দাও। - চিৎকার কোরো না।
আরশু ঘুমাচ্ছে।
কাঁদার মতো কিছু হয়নি।
আরে!
নিজের বাবাকে জিজ্ঞেস করো। উনিই বলবে, গুরুতর কিছু নয়।
বাবা জানে?
আজকাল তাহলে আমার কাছ থেকে কথা লুকোনো হচ্ছে।
ইন্দু।
ক্ষতটা অনেক বড়।
কিছু হয়ে গেলে আমি কী করতাম?
হেই! কিচ্ছু হয়নি। আমি ঠিক আছি, ওকে?
এক মিনিটের জন্যও শান্তি পাই না।
একদিন বলো বোমা বিস্ফোরণ।
অন্যদিন বলো কোনো অপারেশনের কথা, আবার আমার ফোনও ধরো না।
এখন দেখো,
হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছ।
মুকুন্দ।
তুমি আমাদের থেকে দূরে থাকলেও চলবে…
কিন্তু নিরাপদে থেকো।
আমাদের কথা ভেবে।
ইন্দু, কেঁদো না।
ইন্দু, তাকাও আমার দিকে।
এটা সবসময়ের জন্য প্রযোজ্য।
দেশের সেবা করতে গিয়ে আমার সঙ্গে যা-ই হোক…
ইন্দু, তাকাও আমার দিকে।
যা-ই ঘটুক,
তুমি কখনো কাঁদবে না।
অ্যাক্সিডেন্ট, অঙ্গহানি, মৃত্যু, আঘাত— আমার সাথে যা-ই হোক না কেন…
আমার স্ত্রী কখনো কারো সামনে কাঁদবে না।
ঠিক আছে, কারো সামনে কাঁদব না, তাই তো?
এখন তো এখানে কেউ নেই।
আমি কাঁদব।
You are the drizzle from the moonlight
You are the cool breeze's love-delight
You are the drizzle from the moonlight
You are the cool breeze's love-delight
You're the swing oscillating to and fro Of love shared, love fulfilled to grow
You're the magic of misty drops of dew
You are the summer sun's painted hue
To spread your peacock's plumage In step with love's dance is your age
You're the porch with silver lightning
Flirty trespasser, you're love-violating
You are quest's identity Yearning for reality
You are the drizzle from the moonlight
You are the cool breeze's love-delight
You're the swing oscillating to and fro Of love shared, love fulfilled to grow
ম্যাডি, এখন কেমন বোধ করছো?
আমি একদম ঠিক আছি, স্যার।
সুন্দর। ব্যাংক থেকে চিঠি পেয়েছ?
জি, স্যার। লোনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
- ধন্যবাদ, স্যার। - শুভকামনা, ম্যাডি।
ধন্যবাদ, স্যার।
বাবা।
হেই, আরশু।
- এত তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে গেছ? - হ্যাঁ।
আমরা কি বাইকে চড়ে যাব?
আরশু, কী হয়েছে?
সামান্য বিদ্যুৎ চমকানোর শব্দে ভয় পেলে চলবে?
এসো। বাবার কাছে এসো।
আরশু না সাহসী মেয়ে?
আরশু'র কখনোই কোনো কিছুতে ভয় পাওয়া উচিত হবে না।
ঠিক আছে?
বাবা একটা গান প্লে করবে?
- শুনবে তুমি? - হ্যাঁ।
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
If the sky crumbles all of a sudden Falls on our heads, even then
I fear not, whatever it may be Not a tiny fleck of fear within me
এখন বাবা আর আরশু একসাথে গাইবে, ওকে?
ওকে।
শুরু… গাও!
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
If the sky crumbles all of a sudden Falls on our heads, even then
I fear not, whatever it may be Not a tiny fleck of fear within me
- হেই! হেই! হেই! - হেই! হেই! হেই!
দারুণ, আরশু!
- You are my equal half, 50-50 - বাই।
How can I live without you, sweetie?
You are my beginning My life and everything
Land will never uproot The plant's taproot
You are my light forever In the darkest night wherever
Like your eye, you protect me
- ইন্দু, ওটা আমায় দাও। - No teardrops of misery do I see
বাবা, বিল্ডারকে অ্যাডভান্স করে এসেছ তো, না?
চেকটা রাখো।
২৬ তারিখ রেজিস্ট্রেশন করা যাক।
আমার সই তো শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য। আসল মালিক তুমিই, নায়না।
তোমরা থাকবে এখানে।
এক মিনিট।
মা, এক মিনিট।
- হ্যালো? - স্যার?
স্যার, একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি।
রাতে চলে আসব। সামনাসামনি কথা হবে।
ঠিক আছে, স্যার।
হেই, মুকুন্দ।
কাশ্মীরে গণ্ডগোল লেগেই থাকে কেন?
যাদের এটা নিয়ে কথা বলা উচিত তারাই বলুক, বাবা।
আমরা কথা বলে কী হবে?
আরশু, সোনা।
এখন তো বড় হয়ে গেছ। স্কুলে যেতে হবে।
- লক্ষ্মী হয়ে থাকবে তো? - হ্যাঁ, বাবা।
বাবা কাজ শেষ করে আবার চলে আসবে।
আবার কবে আসবে বাবা?
মায়ের জন্মদিনে আসবে না?
আর্শিয়া'র জন্মদিন মার্চের ১৭ তারিখ।
- আচ্ছা? - বাবা'র জন্মদিন এপ্রিলের ১২ তারিখ।
- আচ্ছা। - দুটো জন্মদিনেই আসবে তো?
জানি না। কিন্তু আমি অবশ্যই চেষ্টা করব, ওকে?
অন্তত একটা জন্মদিনে তো আসবে?
হ্যাঁ।
আসব।
- আমার আরশু সোনা। - ঠিক আছে, বাবা।
আমি তোমাকে ভালোবাসি, বাবা।
খোকা।
বাড়িটা হৈ-হুল্লোড়ে মেতে ছিল।
তোর মুখে "বাবা" ডাক শোনাটা যে কতটা আনন্দের।
তুই চলে যাওয়ার পর
বাড়িটা আবার ফাঁকা হয়ে যাবে।
নিজের শরীরের খেয়াল রাখিস।
সুযোগ পেলেই ফোন করিস।
ঠিক আছে, বাবা।
খোকা।
এত কষ্ট সহ্য করে জন্ম দিয়েছিলাম কি
বছরে শুধু একটা বার দেখার জন্যে?
মা, কী হচ্ছে এসব?
হেই! কী বলেছিলাম তোমাকে?
ঠিক আছে, কাঁদব না।
You're the magic of misty drops of dew
You are the summer sun's painted hue
In step with love's dance is your age
সুযোগ পেলেই ফোন করবে।
You're the porch with silver lightning
- বাবা, আসছি। দেখা হবে, মা। - আচ্ছা।
বাবা গেলাম, বাই।
Flirty trespasser, you're love-violating
You are quest's identity Yearning for reality
পার্লামেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
১০ এপ্রিল - জম্মুতে।
১৭ এপ্রিল - উধমপুরে।
২৪ এপ্রিল - অনন্তনাগে।
সংবেদনশীল এলাকা।
সবগুলো এলাকাই অনন্তনাগ কেন্দ্রের অধীনে পড়ে।
তাই ২৪ এপ্রিল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১১ বছর পর মাসুদ আজহারকে
আবার দেখা গিয়েছে।
তার উদ্দেশ্য হলো
কাশ্মীরে নির্বাচন ব্যাহত করা।
RAW গোপন তথ্যসহ ভিডিয়ো পাঠিয়েছে।
ভারতে শিগগিরই নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হবে।
কাশ্মীর কোনো ভারতীয় রাজ্য নয়।
আফজাল গুরুর স্কোয়াড
এখন উপত্যকায় আসিফ ওয়ানির নেতৃত্বে কাজ করছে।
আমাদের উচিত হিজবুল, জেইএম, এলইটি-সহ সব ইউনিটকে একত্রিত করা।
নির্বাচনের বিরোধিতায় হাত মেলানো উচিত।
নির্বাচন বয়কট করতে হবে।
আমরা কী চাই?
স্বাধীনতা!
আমরা কী চাই?
স্বাধীনতা!
ম্যাডি।
অনন্তনাগের নির্বাচনের ভার তোমাকে দেয়া হলো।
- স্যার। - সমস্ত কোম্পানি কমান্ডার
তোমার আন্ডারে কাজ করবে। নেতৃত্ব তুমি দেবে।
ঠিক আছে, স্যার।
সাবাশ।
ওকে বয়েজ।
- অনেক কিছু করতে হবে। - ইয়েস, স্যার।
Freedom to the arena, time to walk in
Liberty… Bravery is our second skin
অবশেষে ভারত লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে।
সারা দেশে বিশাল এই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।
Liberty… Bravery is in our genes indeed
প্রথমবার কাশ্মীরের জন্য ভোট দিচ্ছি।
আমরা শান্তি চাই। উন্নতি দেখতে চাই।
Shout out loud, raise your voice
আমরা কী চাই?
- Everyone, all at once - Make a loud noise
- This is our birthright - Everyone, join in to fight
শুভ জন্মদিন, আর্শিয়া মা।
ধন্যবাদ, বাবা।
বাই-বাই।
বাই-বাই।
We will snatch it…
You have to give it
- Beat us black and blue - You have to give it
Shoot us with bullets through…
বয়কট! বয়কট!
এটা আসিফ ওয়ানির ব্যালেন্স লঞ্চ প্যাডের অবস্থান, স্যার।
এক সপ্তাহের মধ্যে ক্লিয়ার করতে পারলে আমরা প্রস্তুত হয়ে যাব, স্যার।
Now the scene will change in our nation Hold your head high with determination
- Freedom! - Time to enter the battlefield
- Freedom! - Bravery is our second skin indeed
- Now the scene will change in our nation - Freedom!
Hold your head high with determination
- চার, তিন, দুই… - কেক! কেক! দুই, এক!
মা, বাবা ফোন ধরছে না?
- আরশি কেক খেতে চায় না-কি চায় না? - অবশ্যই চাই।
May your name with all its glory Be archived in history
May medals for your deeds heroic Alleviate the pain you bore stoic
Bravery is your middle name forever
The world won't forget your sacrifice ever
আরশি, বাবা ফোন করেছে।
বাবা ফোন করেছে। কথা বলবে ওঠো।
হ্যালো ইন্দু।
- ফোন করতে-- - হ্যাপি বার্থডে টু ইউ
- হ্যাপি বার্থডে টু ইউ - হ্যাপি বার্থডে টু ইউ
- হ্যাপি বার্থডে, ডিয়ার বাবা - হ্যাপি বার্থডে, ডিয়ার বাবা
- হ্যাপি বার্থডে টু ইউ - হ্যাপি বার্থডে টু ইউ
দু'জনেই ধন্যবাদ।
- বাবা, তুমি এলে না কেন? - স্যরি, বাবা।
বাবা তো ছুটি পায়নি। পরের ছুটিতে ঠিক চলে আসব।
মা আর আমি তোমার সাথে কেক কাটব।
ফু দিয়ে মোমবাতি নেভাবো…
তাই না-কি?
নতুন ফ্রক পরব।
সোনা, মায়ের সাথে এক মিনিট কথা বলি।
আই লাভ ইউ, মুকুন্দ।
হ্যাপি বার্থডে ডিয়ার।
লাভ ইউ। থ্যাংকস।
৩১টা বসন্ত পার করে ফেলেছ।
আমাদের দেখা হওয়ারও দশ বছর হয়ে গেল।
এখন অন্তত একজন দায়িত্বশীল স্বামীর মতো আচরণ করো।
আর সাত মাস পর তোমার বয়সও সমান হবে।
- সেদিন আমিও তোমাকে এই কথাটাই বলব। - দেখা যাক।
আমরা কি একটা পরিকল্পনা করব?
- জন্মদিনের পরিকল্পনা। - সেটা কী?
দু’জনেরই ৩২ পূর্ণ হওয়ার আগে
- একটা ছোট্ট-- - ছোট্ট?
কী? জুনিয়র মুকুন্দ চাই?
কিন্তু তার জন্যে তো সিনিয়র মুকুন্দকে বাড়িতে আসতে হবে, তাই না?
আসব… আসব।
মা, কী বলছে বাবা?
আমাদের মেয়ে জানতে চাইছে। বলো ওকে।
ভালোবাসি।
- হ্যাপি বার্থডে। - থ্যাংক ইউ।
ভালোবাসি।
নিজের খেয়াল রেখো।
কী অবস্থা, স্যার?
এবার ভোটারের উপস্থিতি খুব ভালো, স্যার।
আমার স্ত্রী সুমায়রা।
- হ্যালো, স্যার। - সেও একজন পোলিং অফিসার।
আমার মেয়ে মারিয়া এখন চার মাসের।
ও বড় হতে হতে কাশ্মীরের অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।
- ইন শা আল্লাহ! - তাই হোক স্যার।
সোফিয়ানের নির্বাচনের সবগুলো বাক্সই প্যাক করা হয়েছে।
আজ তামিলনাডুতেও নির্বাচন না স্যার?
শুনেছি অনন্তনাগে এবার ৪,৭৫,০০০-এর বেশি ভোট পড়েছে।
গত নির্বাচনের তুলনায় সংখ্যাটা অনেক বেশি, স্যার।
- পার্টি চাই আমরা। - পার্টি!
পার্টি কীসের জন্যে? আচ্ছা! ঠিক আছে!
ওই পাশটা দেখে এসো, যাও।
জিয়া!
আমার বাচ্চা।
স্যার, জেকে পুলিশ এটা দিয়েছে।
আসিফ ওয়ানি সরাসরি হামলা চালিয়েছে, স্যার।
অনেকেই তাকে দেখেছে।
ভেতরে যাও।
জিয়া, ওঠ।
প্লিজ ওঠ, জিয়া।
কুলগাম, রাজপোরা, ত্রাল আর পুলওয়ামা'র অবস্থাও একই।
বিভিন্ন জায়গায় অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে।
স্যার, চলুন।
কাশ্মীরের নাগবাল জেলায় একটা নির্বাচনী প্রচারণার বাসে অতর্কিত আক্রমণ চালায় সন্ত্রাসীরা।
হামলায় নির্বাচনী কর্মকর্তা জিয়া-উল-হকসহ পাঁচজন নির্বাচন কর্মকর্তা নিহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে...
খবরটা দেখলাম।
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
তুমি?
গত রাতেও ঘুমোতে পারিনি।
এভাবেই চলছে গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে।
ঘুমাচ্ছো না তুমি?
এটা কি নতুন অভ্যেস?
ঠিক আছে, এবার আমরা দু’জনেই ঘুমোবো।
ফোন কাটো।
মুকুন্দ, এখানে ফোন দিলে যে?
এসো, ঘুমোবো।
কীভাবে?
তুমি ওখানে।
আমি এখানে।
ঘুমাও।
আমরা একসাথে ঘুমাবো।
চোখ বন্ধ করো।
মামুট্টি।
চোখ বন্ধ করো।
ঘুমাও।
অনেকক্ষণ ঘুমিয়েছি?
দু'জনেই!
এভাবেই হাসি ধরে রেখো, প্রিয়।
মনমরা হয়ে থেকো না।
আজ ২৫ শে এপ্রিল।
মাত্র ১৪টা রাত, ১৪টা ঘুম।
নির্বাচন শেষ হলেই, মে'র ৯ তারিখ ফিরে আসব।
তারপর এক মাসের ছুটি।
আরশুকে কিছু বোলো না। সারপ্রাইজ থাকুক।
ইন্দু, আমি সন্ধ্যায় ফোন করি বা না করি,
রাত ৮টার মধ্যে তোমার আর আমাদের মেয়ের ঘুমিয়ে পড়া উচিত।
এটা প্রতিদিন মেনে চলবে।
শক্ত হও।
কোথায় পালাব আমি?
পাগলী!
তোমার তো ছুটিতে আসার দরকারই নেই, মুকুন্দ।
এভাবে ভিডিও কলে
- প্রতিদিন একবার অন্তত কথা বোলো। - ঠিক আছে।
আমি ছুটিতে আসব না। শুধু ফোনেই কথা বলব!
আরে, না! না!
আমি তা বলিনি।
এমনি বলেছি, ব্যস।
আরশি।
ওকে ঘুমোতে দাও।
- ঠিক আছে, বাই। - বাই।
লাভ ইউ, মুকুন্দ।
লাভ ইউ, ডিয়ার ইন্দু।
নিজের খেয়াল রেখো।
হ্যালো?
স্যার!
স্যার, কাজিপাথরি গ্রামে
তৎপরতার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, স্যার।
হিজবুল মুজাহিদিনের আসিফ ওয়ানি, শাবির গোরসি,
এবং লস্করের আবদুল হক, স্যার।
তারা ওই বাড়িতেই আছে, স্যার।
অনেককে জিম্মি করে রাখা হয়েছে, স্যার।
স্যার, আমি অপারেশন শুরু করছি। আপনার অনুমোদন চাই, স্যার।
ক্যাট টিম, অপারেশনের জন্য প্রস্তুত হও।
হাবিলদার পালানি, আইইডি, মলোটোভ, ফ্লেয়ার, গোলাবারুদ যা যা আছে সব লোড করো।
অবিলম্বে!
- শ্রী বজরংবলীর... - জয় হোক!
আরশি, বাবা। কথা বলো।
বাবা, মা আর আমি শপিংয়ের জন্য বেরিয়েছি।
তোমার শেখানো কবিতাটা আমি প্র্যাকটিস করেছি।
ভালোভাবে গাইতে পারি এখন।
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
If the sky crumbles all of a sudden Falls on our heads, even then
I fear not, whatever it may be Not a tiny fleck of fear within me
আর্শিয়া, স্যার?
আমার ছেলের বয়স সাত।
অভিষেক কাসানা।
আমার পর
সেও আর্মিতে জয়েন করবে।
ইন্ডিয়ান আর্মিতে আমাদের পরিবারের পঞ্চম প্রজন্ম।
নির্বাচনের পর যখন বাড়ি যাব,
এই 'আচ্ছামিল্লাই' গানটা
আমার ছেলে অভিষেককেও শেখাব, স্যার।
হাতের রোম এখনই দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, স্যার।
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
If the sky crumbles all of a sudden Falls on our heads, even then
I fear not, whatever it may be Not a tiny fleck of fear within me
If the whole world, all of a sudden Derides and despises me, even then
I will never fear fear, I guarantee Not even a speck of fear within me
If the sky crumbles all of a sudden Falls on our heads, even then
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
If the whole world, all of a sudden Derides and despises me, even then
I have no fear of whoever Of whatever, whatsoever
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
- আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
- - আমরা কারা? - রাষ্ট্রীয় রাইফেলস!
স্যার, এটা ভালো গ্রাম। এখানে কেউই সন্ত্রাসবাদের সমর্থন করে না।
তাই পাথর নিক্ষেপের সমস্যাও নেই এখানে।
আসিফ, আয় বাপ।
আসিফ, আমার খোকা!
আমি তোর বাবা, আসিফ।
বেরিয়ে আয়।
আমি ওনাদের সাথে কথা বলেছি।
ওনারা তোকে কিচ্ছু করবে না।
তোর কাছে সেরকম কোনো অস্ত্রও নেই।
বেরিয়ে আয় বাপ।
তুই ছাড়া আমার আর কেউ নেই, আসিফ।
তোকে ছাড়া কীভাবে বাঁচবো আমি?
আমাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করতে পারবে না, সোলজারস।
খোদার দোহাই, বেরিয়ে আয়।
আসিফ।
ওয়াহিদ, ওনাকে নিয়ে যাও।
মাইকেল।
জানি না ভেতরে কতজন বেসামরিক নাগরিক আছে।
সবাইকে নিরাপদে বের করে আনতে হবে। তার আগে ভারি অস্ত্রের প্রয়োগ করা যাবে না।
স্নাইপার, স্পটার, অগ্নিবর্ষা, এমজিএল। সবাইকে প্রস্তুত রাখো।
- ক্যাট, চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলো। - ইয়েস, স্যার।
স্যার! স্যার!
এই বাড়ি থেকে একটি ফোনকল ওই টাওয়ারে পৌঁছেছে, স্যার।
আসিফ ওয়ানির কণ্ঠস্বর শনাক্ত করা হয়েছে, স্যার।
বিশজন সেনা কর্মকর্তা,
পঞ্চাশজন পুলিশ ও সিআরপিএফ।
যদি সবাই ভেতরে প্রবেশ করে,
তাহলে ২৫০ কেজি আরডিএক্স বিস্ফোরক দিয়ে বাড়িটি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে, স্যার।
ফিরে এসো, সবাই। ফিরে এসো।
জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ, এখানেই অবস্থান করো।
- জ্যোতি, জোগিন্দর, ভেনকান্না, হারদীপ... - ইয়েস, স্যার।
- গ্রামবাসীদের সরিয়ে নাও। - ওকে স্যার।
বয়স্ক, নারী আর শিশুদের আগে।
- ইয়েস, স্যার। - ওকে?
সাবধানে যাবে।
- শংকর, তুমিও যাও। - স্যার।
সতর্ক থাকবে।
একটা লোকও যেন বাড়িটার আশপাশে না থাকে।
- ম্যাডি। - স্যার?
সব শুনেছি।
ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।
- কিন্তু স্যার-- - তুমি ভেতরে যেতে পারবে না।
সে বাইরে আসবে না, স্যার।
ভেতরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। পুরো ফোর্সকে উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছে সে।
আমি একাই যাব।
একা নয় স্যার।
আমিও যাব।
জীবন দিয়ে আপনাকে রক্ষা করব, স্যার।
আমি মারা গেলে
আমার শরীরটা শিল্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন।
বাজে বোকো না।
আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্যার, বাস্তববাদী হোন।
১৩০০ মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে।
এতগুলো পরিবার, এতগুলো শিশু।
কোনো নড়াচড়া নেই।
এখন শুরু করতে পারো, বয়েজ।
ক্যাট কাভার দাও। ফায়ার।
হেই!
আমরা প্রস্তুত। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করুন।
ওয়ানি না। চলো চলো।
গ্রেনেড!
বিক্রম, তুমি ঠিক আছো?
আর কেউ আছে? বসে থাকুন।
সবাই পেছনে থাকো।
যান! যান!
- জিম্মিদের সুরক্ষিত করো। - আসুন! আসুন!
ম্যাডি, সে বিস্ফোরক সক্রিয় করেছে।
জিম্মিদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।
আমি অতিরিক্ত বাহিনী চেয়েছি। এখনই ফিরে এসো।
- পুনরাবৃত্তি করছি, এখনই ফিরে এসো। - স্যার, যতজনের জীবন বাঁচানো সম্ভব
বাঁচিয়ে ফিরব, স্যার।
স্যার।
আজ আর তাকে পালাতে দেবো না।
স্কাউট টু টু ম্যাডি স্যার।
আইইডি এবং আরডিএক্স বিস্ফোরণের জন্য ঠিক ২৪০ সেকেন্ড বাকি আছে।
জিম্মিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, স্যার।
ইয়েস, আমরা পেরেছি!
ইয়েস, স্যার!
মুকুন্দ স্যার।
- মুকুন্দ স্যার। - মুকুন্দ স্যার।
- স্যার, আপনি ঠিক আছেন? - স্যার!
- মুকুন্দ স্যার! - স্যারের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
- মুকুন্দ স্যার। - জলদি অ্যাম্বুলেন্স ডাকো!
- মুকুন্দ স্যার! - স্যার!
- মুকুন্দ স্যার! স্যার! - স্যার!
- স্যার! - দুর্ভাগ্য।
বিক্রমকে বাঁচাতে পারলাম না।
বিক্রমকে বাঁচাতে পারলাম না।
স্যার।
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না, স্যার।
গুলি আমারও লেগেছে।
অ্যাম্বুলেন্স আসতে বলো।
কিন্তু ওয়ানিকে পালাতে দিইনি, স্যার।
শেষ করে দিয়েছি।
ইয়েস।
- স্ট্রেচার নিয়ে এসো! - স্যার!
- বলুন যে প্র্যাঙ্ক করছেন, স্যার! - তাড়াতাড়ি।
আপনি ভালো হয়ে যাবেন, স্যার।
যাও! যাও!
- গাড়ি ছাড়ো! যাও! - যাও!
আপনি ভালো হয়ে যাবেন, স্যার।
ভালো হয়ে যাবেন।
স্যার!
মেজর মুকুন্দ।
- চিন্তা করবেন না, স্যার। - সুস্থ হয়ে যাবেন।
ধৈর্য ধরো বন্ধু।
ডক্টর!
- ডক্টর… - শংকর, দাঁড়াও।
- তুমি নিজে অসুস্থ হয়ে পড়বে! - শংকর…
শংকর!
স্যার!
মুকুন্দ স্যার!
পরিবারকে খবর দাও।
মুকুন্দ!
মুকুন্দ!
ঘুমিয়ে ছিলিস বোন?
এত সকাল সকাল কী মনে করে ভাইয়া?
এসো।
তুই জানিস না?
কী?
ফোন দেখিসনি?
বাবা ঠিক আছে তো?
মুকুন্দ।
মুকুন্দ?
কী হয়েছে ওর?
গতকাল রাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
বুলেট?
- কোথায় সে? কোন হাসপাতালে আছে? - বোন…
- আরে! আরশিকে তো জাগাতে হবে! - ইন্দু।
সে চলে গেছে।
চলে গেছে?
চলে গেছে মানে?
মুকুন্দ চলে গেছে।
ওর গুলি লাগলে ওরা নিশ্চয়ই আমাকে জানাত।
কিচ্ছু হবে না ওর। দাঁড়াও আসছি।
আপনি যেই নাম্বারে ফোন করেছেন, সেটা--
আমি দুঃখিত, মিসেস ইন্দু।
আমরা ওকে বাঁচাতে পারিনি।
The morning sky so fresh and blue
Will stretch out its hand seeing you
Glory lily, petaled red, flame lily
Hearing your name duly Its scent will surge daily
Throughout the day undoubtedly
My dearest love, unique and exclusive
You were born in our distinctive land
Like the rarest pearl, a treasure trove
You landed in the palm of my hand somehow
In your words O flute so precious
Can't we hear the seven melodious notes?
Won't your scent in the floral wind
Show our love which is one of a kind?
Dipped in nectar Won't your looks so tender
Bring you back from wherever?
If you are the tiny leaps in the spring Am I not your bubbly music babbling?
If I am a sliver of lightning searing Aren't you my rain-bearing cloud?
If you are the moon in the sky at night Am I not your radiant shining light?
When it is monsoon time and rainy Aren't you the cool air that envelops me?
More shade than a flowering tree
In our bond, you often came to give me
A flood of memories as souvenirs
Events unfolding in this drama will open
With no interval or gaps in between Memories croon a lullaby evergreen
Awards and medals umpteen Heap praises behind the scene
Without stagnating
Without negating
সোলজারস, প্রস্তুত। ফায়ার!
Behold many views that unfold! Won't they shower glories untold?
Like an oasis in the desert, illusive Won't it increase thirst superlative?
Morning sky so fresh and blue
Will stretch out its hand seeing you
Glory lily, petaled red, flame lily
Hearing your name daily Its scent will surge duly
ক্ষমা করে দিও, ইন্দু।
অনেক ভালোবাসি তোমাকে।
আমার আরশুর...খেয়াল রেখো।
এই সমুদ্র আর বিশাল আকাশের মাঝে যে দূরত্ব,
ঠিক তেমনই দূরত্ব রয়েছে আমার আর তার মাঝে।
আমি চিরকালের মতো, আমার ভালোবাসার সাথে এক দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ।
গল্পটা সুখের না-কি দুঃখের
তা আপনারাই ঠিক করুন।
কিন্তু এটা কোনো গল্প না।
এটাই আমার জীবন।
আজ আমি ভীষণ খুশি।
কারণ আজকের দিনটা খুব, খুব স্পেশাল।
মেজর মুকুন্দ ভার্দারাজন
রাজপুত রেজিমেন্ট,
৪৪তম ব্যাটালিয়ন, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।
মরণোত্তর সম্মাননা।
Dream, fulfilling
Dream, never-ending
You were with us in all ways
You will continue to be, always
Late Major Mukund Varadarajan's wife,
মিসেস ইন্দু মুকুন্দ।
In my heart, never to depart
A precious dream till the end of time
A dream to cherish, always mine
Dream, stretching sublime
You were with us in all ways
You will continue to be, always
As a part of me, in my heart
A dream to cherish, never depart
ইন্দু,
পুরো শরীরটা খুব ব্যথা করছে।
মাথাটা কি একটু এভাবে রাখব?
For sure you will come to stay
Forever and a day
মা?
বাবার পরের ছুটি কবে?
মুভি এখনই ক্লোজ করবেন না। শেষ মিনিট পর্যন্ত দেখবেন।
মেজর মুকুন্দ ভার্দারাজনকে মরণোত্তর অশোক চক্র প্রদান করা হয়, যা ভারতের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন সাহসিকতার সম্মান।
সিপাহী বিক্রম সিং ২০১৪ সালে মৃত্যুর পর মরণোত্তর শৌর্য চক্রে ভূষিত হন, যা ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্বের পুরস্কার। তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি শুশীলা সিং রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন।
ইন্দু রেবেকা ভার্গিজ বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষকতা করছেন। তাঁর বাবা মি. ভার্দারাজন এবং মা শ্রীমতি গীতা এখনও চেন্নাইয়ের তামব্রামে বাস করেন।
আরো আছে
একজন মানুষ ছিল,
যে আমাকে তার হৃদয় দিয়ে ভালোবেসেছিলো।
একজন মানুষ ছিল,
যে আমার সন্তানের বাবা।
একজন মানুষ ছিল, যে সততার উপর বিশ্বাস রাখত।
একজন মানুষ ছিল, যে নিজের পেশাকে ভালোবাসতো।
একজন মানুষ ছিল, যে কখনো নায়ক হওয়ার ভান করেনি।
একজন মানুষ ছিল,
যে আমার আত্মা ছিল।
একজন মানুষ ছিল,
যার হৃদয় ছিল উদারতায় ভরা।
একজন মানুষ ছিল, যে আমার কাছে কিছুই গোপন করত না।
একজন মানুষ ছিল, যে আমাকে নিজের জীবন দিয়ে ভালোবেসেছিলো।
কিন্তু এখন
আমায় অপেক্ষায় রেখে সে ঈশ্বরের সান্নিধ্যে।
আমি নিশ্চিত জানি,
একদিন আমি তাকে আবার দেখব।
আমি নিশ্চিতভাবেই জানি।
তখন আমাকে নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে আলিঙ্গন করবে।
আমি নিশ্চিতভাবেই জানি।
তখন আমি শ্বাস নিতে না পারলেও অভিযোগ করব না।
আমি নিশ্চিতভাবেই জানি।
তুমি আমাকে আলিঙ্গন করো।
যত ইচ্ছে আলিঙ্গন করো।
Translated By HABIB SIAM HASAN SHUVO MR.X
If you love my work, you can buy me a coffee. Bkash: 01820362442
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.